১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২০
যেসব দিনগুলোতে সাওম পালন করা মাহরূহ:
১- হাজীগণের ‘আরাফার দিনে সাওম পালন করা মাকরূহ। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«يَوْمُ عَرَفَةَ، وَيَوْمُ النَّحْرِ، وَأَيَّامُ التَّشْرِيقِ عِيدُنَا أَهْلَ الْإِسْلَامِ، وَهِيَ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ»
“আরাফার দিন, কুরবানীর দিন ও তাশরীকের দিনগুলো মুসলিমদের জন্য ঈদস্বরূপ। এ দিনগুলো পানাহারের জন্য নির্ধারিত”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ২৪১৯। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
২- শুধু জুমু‘আর দিনে সাওম পালন করা মাকরূহ। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لاَ يَصُومَنَّ أَحَدُكُمْ يَوْمَ الجُمُعَةِ، إِلَّا يَوْمًا قَبْلَهُ أَوْ بَعْدَهُ»
“তোমাদের কেউ যেন শুধু জুমু‘আর দিনে সাওম পালন না করে; কিন্তু তার আগে একদিন বা পরের দিন (যদি পালন করে তবে জুমু‘আর দিনে পালন করা যায়)”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯৮৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৪৪।]
৩- শুধু শনিবার সাওম পালন করা। অর্থাৎ এ দিনকে সাওমের জন্য নির্ধারণ করা মাকরূহ। কেননা ইয়াহূদীরা এ দিনের সম্মানে সাওম পালন করে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لَا تَصُومُوا يَوْمَ السَّبْتِ إِلَّا فِيمَا افْتَرَضَ اللَّهُ عَلَيْكُمْ، فَإِنْ لَمْ يَجِدْ أَحَدُكُمْ إِلَّا لِحَاءَ عِنَبَةٍ أَوْ عُودَ شَجَرَةٍ فَلْيَمْضُغْهُ»
“ফরয সিয়াম ব্যতীত শনিবার তোমরা কোনো সিয়াম পালন করবে না। যদি তোমাদের কেউ আঙ্গুরের খোশা বা গাছের ডাল ছাড়া আর কিছু না পায় তবে তাই যেন সে চিবিয়ে নেয়”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৭৪৪, ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। আবু দাউদ, হাদীস নং ২৪২১। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
৪- সারা বছর বিরতিহীনভাবে একাধারে সাওম পালন করা। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لاَ صَامَ مَنْ صَامَ الدَّهْرَ»
“যে সারা বছর সাওম পালন করে সে যেন সাওম পালন করে না”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯৭৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৫৯।]
৫- সাওমুল বিসাল তথা দু বা ততোধিক দিন বিনা ইফতারে লাগাতার সাওম পালন করা। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِيَّاكُمْ وَالوِصَالَ» »
“তোমরা সাওমে বেসাল (লাগাতার সাওম) পালন করা থেকে বিরত থাকো”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯৬৬; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১০৩।]
অন্য হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لاَ تُوَاصِلُوا، فَأَيُّكُمْ إِذَا أَرَادَ أَنْ يُوَاصِلَ، فَلْيُوَاصِلْ حَتَّى السَّحَرِ»
“তোমরা সাওমে বেসাল পালন করবে না। যদি বেসাল করতেই হয় তবে যেন সাহরী পর্যন্ত করে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯৬১।]
৬- ইয়ামুশ-শাক তথা শাবান মাসের ত্রিশতম দিনে সাওম পালন করা। আম্মার ইবন ইয়াসির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেছেন,
«مَنْ صَامَ اليَوْمَ الَّذِي يَشُكُّ فِيهِ النَّاسُ فَقَدْ عَصَى أَبَا القَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ»
“সন্দেহযুক্ত দিনে যে লোক সাওম পালন করে সে লোক আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাফরমানি করে”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৬৮৬। ইমাম তিরমিযী রহ. বলেছেন, আম্মার রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। সুনান নাসায়ী, হাদীস নং ২১৮৮। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
অন্য হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لَا تَقَدَّمُوا رَمَضَانَ بِصَوْمِ يَوْمٍ وَلَا يَوْمَيْنِ إِلَّا رَجُلٌ كَانَ يَصُومُ صَوْمًا، فَلْيَصُمْهُ»
“তোমরা রমযানের একদিন বা দুদিন পূর্বে সওম পালন করবে না। তবে হ্যাঁ, যদি কোনো ব্যক্তি এ সময় সওম পালন করতে অভ্যস্ত থাকে, তাহলে সে সাওম পালন করতে পারে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০৮২।]
«يَوْمُ عَرَفَةَ، وَيَوْمُ النَّحْرِ، وَأَيَّامُ التَّشْرِيقِ عِيدُنَا أَهْلَ الْإِسْلَامِ، وَهِيَ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ»
“আরাফার দিন, কুরবানীর দিন ও তাশরীকের দিনগুলো মুসলিমদের জন্য ঈদস্বরূপ। এ দিনগুলো পানাহারের জন্য নির্ধারিত”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ২৪১৯। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
২- শুধু জুমু‘আর দিনে সাওম পালন করা মাকরূহ। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لاَ يَصُومَنَّ أَحَدُكُمْ يَوْمَ الجُمُعَةِ، إِلَّا يَوْمًا قَبْلَهُ أَوْ بَعْدَهُ»
“তোমাদের কেউ যেন শুধু জুমু‘আর দিনে সাওম পালন না করে; কিন্তু তার আগে একদিন বা পরের দিন (যদি পালন করে তবে জুমু‘আর দিনে পালন করা যায়)”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯৮৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৪৪।]
৩- শুধু শনিবার সাওম পালন করা। অর্থাৎ এ দিনকে সাওমের জন্য নির্ধারণ করা মাকরূহ। কেননা ইয়াহূদীরা এ দিনের সম্মানে সাওম পালন করে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لَا تَصُومُوا يَوْمَ السَّبْتِ إِلَّا فِيمَا افْتَرَضَ اللَّهُ عَلَيْكُمْ، فَإِنْ لَمْ يَجِدْ أَحَدُكُمْ إِلَّا لِحَاءَ عِنَبَةٍ أَوْ عُودَ شَجَرَةٍ فَلْيَمْضُغْهُ»
“ফরয সিয়াম ব্যতীত শনিবার তোমরা কোনো সিয়াম পালন করবে না। যদি তোমাদের কেউ আঙ্গুরের খোশা বা গাছের ডাল ছাড়া আর কিছু না পায় তবে তাই যেন সে চিবিয়ে নেয়”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৭৪৪, ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। আবু দাউদ, হাদীস নং ২৪২১। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
৪- সারা বছর বিরতিহীনভাবে একাধারে সাওম পালন করা। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لاَ صَامَ مَنْ صَامَ الدَّهْرَ»
“যে সারা বছর সাওম পালন করে সে যেন সাওম পালন করে না”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯৭৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৫৯।]
৫- সাওমুল বিসাল তথা দু বা ততোধিক দিন বিনা ইফতারে লাগাতার সাওম পালন করা। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِيَّاكُمْ وَالوِصَالَ» »
“তোমরা সাওমে বেসাল (লাগাতার সাওম) পালন করা থেকে বিরত থাকো”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯৬৬; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১০৩।]
অন্য হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لاَ تُوَاصِلُوا، فَأَيُّكُمْ إِذَا أَرَادَ أَنْ يُوَاصِلَ، فَلْيُوَاصِلْ حَتَّى السَّحَرِ»
“তোমরা সাওমে বেসাল পালন করবে না। যদি বেসাল করতেই হয় তবে যেন সাহরী পর্যন্ত করে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯৬১।]
৬- ইয়ামুশ-শাক তথা শাবান মাসের ত্রিশতম দিনে সাওম পালন করা। আম্মার ইবন ইয়াসির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেছেন,
«مَنْ صَامَ اليَوْمَ الَّذِي يَشُكُّ فِيهِ النَّاسُ فَقَدْ عَصَى أَبَا القَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ»
“সন্দেহযুক্ত দিনে যে লোক সাওম পালন করে সে লোক আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাফরমানি করে”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৬৮৬। ইমাম তিরমিযী রহ. বলেছেন, আম্মার রাদিয়াল্লাহু 'আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান। সুনান নাসায়ী, হাদীস নং ২১৮৮। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
অন্য হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لَا تَقَدَّمُوا رَمَضَانَ بِصَوْمِ يَوْمٍ وَلَا يَوْمَيْنِ إِلَّا رَجُلٌ كَانَ يَصُومُ صَوْمًا، فَلْيَصُمْهُ»
“তোমরা রমযানের একদিন বা দুদিন পূর্বে সওম পালন করবে না। তবে হ্যাঁ, যদি কোনো ব্যক্তি এ সময় সওম পালন করতে অভ্যস্ত থাকে, তাহলে সে সাওম পালন করতে পারে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০৮২।]