hadith book logo

ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩৬

নাপাকী অবস্থায় যে সব কাজ করা হারাম:

১- ফরয বা নফল যে কোনো ধরণের সালাত পড়া হারাম। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,

﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لَا تَقۡرَبُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَأَنتُمۡ سُكَٰرَىٰ حَتَّىٰ تَعۡلَمُواْ مَا تَقُولُونَ وَلَا جُنُبًا إِلَّا عَابِرِي سَبِيلٍ حَتَّىٰ تَغۡتَسِلُواْۚ﴾ [ النساء : ٤٣ ]

“হে মুমিনগণ, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তোমরা সালাতের নিকটবর্তী হয়ো না, যতক্ষণ না তোমরা বুঝতে পার যা তোমরা বল এবং অপবিত্র অবস্থায়ও না, যতক্ষণ না তোমরা গোসল কর”। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৪৩]

২- কুরআন স্পর্শ করা হারাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

«لَا يَمَسَّ الْقُرْآنَ إِلَّا طَاهِرٌ»

“পবিত্র ব্যক্তি ব্যতীত কেউ কুরআন স্পর্শ করবে না”। [সুনান দারেমী, হাদীস নং ২৩১২। দারেমীর মুহাক্কিক হুসাইন সেলিম বলেছেন, হাদীসের সনদটি দ‘য়ীফ। দারাক্বুতনী, হাদীস নং ৪৩৯। সুনান আল-কুবরা লিল বাইহাকী, হাদীস নং ৪১০। হাদীসটির একাধিক বর্ণনা সূত্র থাকায় এটি সহীহ পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।]

৩- কা‘বা শরীফ যিয়ারত করা।

৪- কুরআন তিলাওয়াত করা। কেননা আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে, তিনি বলেন,

«كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُقْرِئُنَا القُرْآنَ عَلَى كُلِّ حَالٍ مَا لَمْ يَكُنْ جُنُبًا»

“জুনুবী না হলে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকল অবস্থায়ই আমাদেরকে কুরআন শিক্ষা দিতেন”। [তিরমিযী, হাদীস নং ১৪৬। ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। ‬ আলবানী রহ. হাদীসটিকে দ‘য়ীফ বলেছেন।]

৫- মসজিদে অবস্থান করা। তবে প্রয়োজনে মসজিদ দিয়ে অতিক্রম করা যাবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,

﴿وَلَا جُنُبًا إِلَّا عَابِرِي سَبِيلٍ حَتَّىٰ تَغۡتَسِلُواْۚ ٤٣ ﴾ [ النساء : ٤٣ ]

“এবং অপবিত্র অবস্থায়ও না, যতক্ষণ না তোমরা গোসল কর, তবে যদি তোমরা পথ অতিক্রমকারী হও (সেটা ভিন্ন কথা)”। [আন-নিসা, আয়াত: ৪৩]