১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০৮
রমযানে সৎকাজের ফযীলত:
রমযান মাসে সৎকাজ করলে অন্যান্য মাসের তুলনায় অনেকগুণ সাওয়াব বৃদ্ধি পায়। কেননা রমযান মাসের রয়েছে নিজস্ব সম্মান ও মর্যাদা; যা অন্যান্য মাসের নেই। এখানে রমযান মাসে সৎকাজের অত্যাধিক সাওয়াবের কিছু নমুনা পেশ করা হলো:
১- রমযান মাসে কিয়ামুল লাইল। কারণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
“যে ব্যক্তি রমযান মাসে সাওয়াব প্রাপ্তির দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে ও আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় রাতের কিয়াম করে (সালাত আদায় করে) আল্লাহ তা‘আলা তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৫৯।]
২- রমযানে উমরা পালন করা; কারণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«عُمْرَةٌ فِي رَمَضَانَ، تَعْدِلُ حَجَّةً»
“রমযান মাসের উমরা হজের সমতুল্য”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৭৮২; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২৫৬; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২৯৯১। হাদীসের নস ইবন মাজাহ থেকে নেওয়া।]
এছাড়াও রমযানে আরো অনেক ভালোকাজ রয়েছে, সেগুলো পালন করলে অধিক সাওয়াব পাওয়া যায়।
১- রমযান মাসে কিয়ামুল লাইল। কারণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
“যে ব্যক্তি রমযান মাসে সাওয়াব প্রাপ্তির দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে ও আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় রাতের কিয়াম করে (সালাত আদায় করে) আল্লাহ তা‘আলা তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৭৫৯।]
২- রমযানে উমরা পালন করা; কারণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«عُمْرَةٌ فِي رَمَضَانَ، تَعْدِلُ حَجَّةً»
“রমযান মাসের উমরা হজের সমতুল্য”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৭৮২; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২৫৬; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২৯৯১। হাদীসের নস ইবন মাজাহ থেকে নেওয়া।]
এছাড়াও রমযানে আরো অনেক ভালোকাজ রয়েছে, সেগুলো পালন করলে অধিক সাওয়াব পাওয়া যায়।