HADITH.One
HADITH.One
Bangla
System
এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।
সাপোর্ট করুন
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র
১৬
পেশাব পায়খানার আদবসমূহ:১- মানুষের দৃষ্টির বাহিরে নির্জন স্থানে পেশাব পায়খানা করা। হাদীসে এসেছে,
«أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا أَرَادَ الْبَرَازَ انْطَلَقَ، حَتَّى لَا يَرَاهُ أَحَدٌ»
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পায়খানার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি এত দূরে গমন করতেন যে, তাকে কেউ দেখতে পেত না”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ২, আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
২- হারিয়ে যাওয়ার ভয় না থাকলে এমন কোনো কিছু সাথে না নেওয়া যাতে আল্লাহর নাম রয়েছে।
৩- পেশাব-পায়খানার সময় কথা না বলা।
৪- কিবলাকে সম্মান করা। তাই পেশাব পায়খানার সময় কিবলার দিকে মুখ বা পিঠ ফিরিয়ে না বসা। কিবলা ছাড়া অন্য দু’দিকে ফিরে বসা।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لاَ تَسْتَقْبِلُوا القِبْلَةَ، وَلاَ تَسْتَدْبِرُوهَا وَلَكِنْ شَرِّقُوا أَوْ غَرِّبُوا»
“যখন তোমরা পায়খানায় আসবে তখন তোমরা কিবলামুখী হয়ে ও কিবলার দিকে পিঠ দিয়ে পেশাব-পায়খানা করবে না; বরং তোমরা পূর্ব বা পশ্চিমমুখী হয়ে পেশাব-পায়খানা করবে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৯৪; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৬৪। লেখকের হাদীসের শব্দাবলী সহীহ বুখারী বা মুসলিমে হুবহু পাওয়া না যাওয়ায় সহীহ বুখারীর নস লেখা হয়েছে। -অনুবাদক।]
৫- মানুষের কথাবার্তা, বসা ও বিশ্রামের জায়গায়, পানির ঘাট, ফলদার ছায়াদার গাছের নিচে পেশাব পায়খানা থেকে বিরত থাকা। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«اتَّقُوا اللَّاعِنَيْنِ»، قَالُوا : وَمَا اللَّاعِنَانِ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ : «الَّذِي يَتَخَلَّى فِي طَرِيقِ النَّاسِ أَوْ ظِلِّهِمْ»
“তোমরা এমন দু’টি কাজ থেকে বিরত থাকো যা অভিশপ্ত। সাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! সেই অভিশপ্ত কাজ দু’টি কী? জবাবে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি মানুষের যাতায়াতের পথে কিংবা ছায়াযুক্ত স্থানে (বৃক্ষের ছায়ায় যেখানে মানুষ বিশ্রাম নেয়) পেশাব-পায়খানা করে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৬৯; আবু দাউদ হাদীস নং ২৫, আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
৬- পেশাব পায়খানায় প্রবেশের সময় বাম পা দিয়ে প্রবেশ করা আর বের হওয়ার সময় ডান পা দিয়ে বের হওয়া; কিন্তু মসজিদে প্রবেশের সময় এর উল্টোটা করা। অর্থাৎ ডান পা দিয়ে প্রবেশ করা আর বাম পা দিয়ে বের হওয়া। দু’টি স্থানের মর্যাদার পার্থক্য বুঝানোর জন্য এ ধরণের কাজ করা হয়।
৭- প্রবেশের পূর্বে بسم الله ‘বিসমিল্লাহ’ বলা, আর বের হওয়ার সময় বলবে,
» اللَّهُمَّ إِنِّي أعوذبك مِنَ الْخُبْثِ [হাদীসে বর্ণিত শব্দ খুবস ও খাবায়িস দ্বারা মানুষ ও শয়তানের মন্দকাজকে বুঝানো হয়েছে।] وَالْخَبَائِث «
“হে আল্লাহ! আমি মন্দকাজ ও শয়তান থেকে আপনার কাছে পানাহ চাচ্ছি”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪২; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৭৫।]
এমনিভাবে প্রবেশের সময় বিসমিল্লাহ বলা সম্পর্কে হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«سَتْرُ مَا بَيْنَ أَعْيُنِ الجِنِّ وَعَوْرَاتِ بَنِي آدَمَ : إِذَا دَخَلَ أَحَدُهُمُ الخَلَاءَ، أَنْ يَقُولَ : بِسْمِ اللَّهِ»
“জিন্নের দৃষ্টি ও আদম সন্তানের লজ্জাস্থানের মাঝখানে পর্দা হলো, যখন তাদের কেউ পায়খানায় প্রবেশ করে সে যেন ‘বিসমিল্লাহ বলে”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৬০৬, ইমাম তিরমিযী রহ. হাদীসটিকে গরীব বলেছেন। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২৯৭।]
এছাড়া বিসমিল্লাহ ও উপরোক্ত দো‘আ একত্রে একই হাদীসে এসেছে। [সা‘ঈদ ইবন মানসূর তার সুনানে বর্ণনা করেছেন।]
৮- কাপড় এমনভাবে উঠানো যেন জমিন থেকে তার ঢেকে রাখা সতর দেখা না যায়।
৯- পেশাব পায়খানা শেষে ‘গুফরানাকা’ «غُفْرَانَكَ» বলা। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত,
অর্থাৎ“হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি)”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৩০। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
«أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا أَرَادَ الْبَرَازَ انْطَلَقَ، حَتَّى لَا يَرَاهُ أَحَدٌ»
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পায়খানার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি এত দূরে গমন করতেন যে, তাকে কেউ দেখতে পেত না”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ২, আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
২- হারিয়ে যাওয়ার ভয় না থাকলে এমন কোনো কিছু সাথে না নেওয়া যাতে আল্লাহর নাম রয়েছে।
৩- পেশাব-পায়খানার সময় কথা না বলা।
৪- কিবলাকে সম্মান করা। তাই পেশাব পায়খানার সময় কিবলার দিকে মুখ বা পিঠ ফিরিয়ে না বসা। কিবলা ছাড়া অন্য দু’দিকে ফিরে বসা।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لاَ تَسْتَقْبِلُوا القِبْلَةَ، وَلاَ تَسْتَدْبِرُوهَا وَلَكِنْ شَرِّقُوا أَوْ غَرِّبُوا»
“যখন তোমরা পায়খানায় আসবে তখন তোমরা কিবলামুখী হয়ে ও কিবলার দিকে পিঠ দিয়ে পেশাব-পায়খানা করবে না; বরং তোমরা পূর্ব বা পশ্চিমমুখী হয়ে পেশাব-পায়খানা করবে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৯৪; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৬৪। লেখকের হাদীসের শব্দাবলী সহীহ বুখারী বা মুসলিমে হুবহু পাওয়া না যাওয়ায় সহীহ বুখারীর নস লেখা হয়েছে। -অনুবাদক।]
৫- মানুষের কথাবার্তা, বসা ও বিশ্রামের জায়গায়, পানির ঘাট, ফলদার ছায়াদার গাছের নিচে পেশাব পায়খানা থেকে বিরত থাকা। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«اتَّقُوا اللَّاعِنَيْنِ»، قَالُوا : وَمَا اللَّاعِنَانِ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ : «الَّذِي يَتَخَلَّى فِي طَرِيقِ النَّاسِ أَوْ ظِلِّهِمْ»
“তোমরা এমন দু’টি কাজ থেকে বিরত থাকো যা অভিশপ্ত। সাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! সেই অভিশপ্ত কাজ দু’টি কী? জবাবে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি মানুষের যাতায়াতের পথে কিংবা ছায়াযুক্ত স্থানে (বৃক্ষের ছায়ায় যেখানে মানুষ বিশ্রাম নেয়) পেশাব-পায়খানা করে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২৬৯; আবু দাউদ হাদীস নং ২৫, আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
৬- পেশাব পায়খানায় প্রবেশের সময় বাম পা দিয়ে প্রবেশ করা আর বের হওয়ার সময় ডান পা দিয়ে বের হওয়া; কিন্তু মসজিদে প্রবেশের সময় এর উল্টোটা করা। অর্থাৎ ডান পা দিয়ে প্রবেশ করা আর বাম পা দিয়ে বের হওয়া। দু’টি স্থানের মর্যাদার পার্থক্য বুঝানোর জন্য এ ধরণের কাজ করা হয়।
৭- প্রবেশের পূর্বে بسم الله ‘বিসমিল্লাহ’ বলা, আর বের হওয়ার সময় বলবে,
» اللَّهُمَّ إِنِّي أعوذبك مِنَ الْخُبْثِ [হাদীসে বর্ণিত শব্দ খুবস ও খাবায়িস দ্বারা মানুষ ও শয়তানের মন্দকাজকে বুঝানো হয়েছে।] وَالْخَبَائِث «
“হে আল্লাহ! আমি মন্দকাজ ও শয়তান থেকে আপনার কাছে পানাহ চাচ্ছি”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৪২; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩৭৫।]
এমনিভাবে প্রবেশের সময় বিসমিল্লাহ বলা সম্পর্কে হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«سَتْرُ مَا بَيْنَ أَعْيُنِ الجِنِّ وَعَوْرَاتِ بَنِي آدَمَ : إِذَا دَخَلَ أَحَدُهُمُ الخَلَاءَ، أَنْ يَقُولَ : بِسْمِ اللَّهِ»
“জিন্নের দৃষ্টি ও আদম সন্তানের লজ্জাস্থানের মাঝখানে পর্দা হলো, যখন তাদের কেউ পায়খানায় প্রবেশ করে সে যেন ‘বিসমিল্লাহ বলে”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৬০৬, ইমাম তিরমিযী রহ. হাদীসটিকে গরীব বলেছেন। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২৯৭।]
এছাড়া বিসমিল্লাহ ও উপরোক্ত দো‘আ একত্রে একই হাদীসে এসেছে। [সা‘ঈদ ইবন মানসূর তার সুনানে বর্ণনা করেছেন।]
৮- কাপড় এমনভাবে উঠানো যেন জমিন থেকে তার ঢেকে রাখা সতর দেখা না যায়।
৯- পেশাব পায়খানা শেষে ‘গুফরানাকা’ «غُفْرَانَكَ» বলা। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত,
অর্থাৎ“হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি)”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ৩০। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
রিডিং সেটিংস
Bangla
System
আরবি ফন্ট নির্বাচন
Kfgq Hafs
অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন
Kalpurush
22
17
সাধারণ সেটিংস
আরবি দেখান
অনুবাদ দেখান
রেফারেন্স দেখান
হাদিস পাশাপাশি দেখান
এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।
সাপোর্ট করুন