১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩২
তাওয়াফের শর্ত:
১- নিয়ত: আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ ও তাঁর আদেশ পালনে অন্তরে তাওয়াফের দৃঢ় সংকল্প করা।
২- ছোট বড় সব ধরণের অপবিত্রতা থেকে পবিত্র থাকা। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ صَلَاةٌ إِلَّا أَنَّ اللَّهَ أَحَلَّ لَكُمْ فِيهِ الْكَلَامَ، »
“বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সালাতের মতোই, তবে আল্লাহ তাতে কথা বলা জায়েয করেছেন।”। [মুসতাদরাকে হাকিম, হাদীস নং ৩০৫৮। ইমাম হাকিম ও যাহাবী উভয়ে এ হাদীসের হুকুম বর্ণনায় নীরবতা অবলম্বন করেছেন। সুনান নাসাঈ, হাদীস নং ২৯২২। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
৩- সতর ঢেকে রাখা। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لاَ يَحُجُّ بَعْدَ العَامِ مُشْرِكٌ، وَلاَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ»
“মুশরিকেরা এ বছরের পর আর কোনো হজ করতে পারবে না। আর কোন উলঙ্গ ব্যক্তি বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করবে না”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৬২২, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩৪৭।]
৪- তাওয়াফে সাতটি চক্কর দেওয়া এবং হাজরে আসওয়াদ থেকে তাওয়াফ শুরু করা ও সেখানে এসে তাওয়াফ শেষ করা। কেননা জাবির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত,
«أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا قَدِمَ مَكَّةَ أَتَى الْحَجَرَ فَاسْتَلَمَهُ، ثُمَّ مَشَى عَلَى يَمِينِهِ، فَرَمَلَ ثَلَاثًا وَمَشَى أَرْبَعًا»
“রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় আগমন করলেন তখন তিনি হাজরে আসওয়াদের কাছে গিয়ে সেটা স্পর্শ করলেন, অতঃপর ডান দিকে হাঁটা শুরু করলেন, প্রথমে তিন চক্কর রমল তথা হেলেদুলে হাঁটলেন। অতঃপর পরে চার চক্কর স্বাভাবিক হাঁটলেন”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২১৮।]
৫- তাওয়াফের সময় বাইতুল্লাহ যেন তাওয়াফকারীর বাম দিকে থাকে।
৬- মসজিদের ভিতর দিয়ে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করা, যদিও বাইতুল্লাহ থেকে দুর দিয়ে হয়।
৭- বাইতুল্লাহর বাহির থেকে তাওয়াফ করা। হাজরে আসওয়াদ ঘিরে তাওয়াফ করলে তাওয়াফ হবে না। কেননা হাজরে আসওয়াদ ও শাযরাওয়ান (কা‘বার মূল ভবনের সাথে লাগানো অংশ যাতে গিলাফ পরানো হয়) বাইতুল্লাহর অংশ।
৮- ধারাবাহিকভাবে ও বিরতিহীন তাওয়াফ করা। ওযরের কারণে সামান্য বিলম্ব করলে অসুবিধে নেই।
২- ছোট বড় সব ধরণের অপবিত্রতা থেকে পবিত্র থাকা। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ صَلَاةٌ إِلَّا أَنَّ اللَّهَ أَحَلَّ لَكُمْ فِيهِ الْكَلَامَ، »
“বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সালাতের মতোই, তবে আল্লাহ তাতে কথা বলা জায়েয করেছেন।”। [মুসতাদরাকে হাকিম, হাদীস নং ৩০৫৮। ইমাম হাকিম ও যাহাবী উভয়ে এ হাদীসের হুকুম বর্ণনায় নীরবতা অবলম্বন করেছেন। সুনান নাসাঈ, হাদীস নং ২৯২২। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
৩- সতর ঢেকে রাখা। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لاَ يَحُجُّ بَعْدَ العَامِ مُشْرِكٌ، وَلاَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ»
“মুশরিকেরা এ বছরের পর আর কোনো হজ করতে পারবে না। আর কোন উলঙ্গ ব্যক্তি বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করবে না”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৬২২, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩৪৭।]
৪- তাওয়াফে সাতটি চক্কর দেওয়া এবং হাজরে আসওয়াদ থেকে তাওয়াফ শুরু করা ও সেখানে এসে তাওয়াফ শেষ করা। কেননা জাবির রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত,
«أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَمَّا قَدِمَ مَكَّةَ أَتَى الْحَجَرَ فَاسْتَلَمَهُ، ثُمَّ مَشَى عَلَى يَمِينِهِ، فَرَمَلَ ثَلَاثًا وَمَشَى أَرْبَعًا»
“রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় আগমন করলেন তখন তিনি হাজরে আসওয়াদের কাছে গিয়ে সেটা স্পর্শ করলেন, অতঃপর ডান দিকে হাঁটা শুরু করলেন, প্রথমে তিন চক্কর রমল তথা হেলেদুলে হাঁটলেন। অতঃপর পরে চার চক্কর স্বাভাবিক হাঁটলেন”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২১৮।]
৫- তাওয়াফের সময় বাইতুল্লাহ যেন তাওয়াফকারীর বাম দিকে থাকে।
৬- মসজিদের ভিতর দিয়ে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করা, যদিও বাইতুল্লাহ থেকে দুর দিয়ে হয়।
৭- বাইতুল্লাহর বাহির থেকে তাওয়াফ করা। হাজরে আসওয়াদ ঘিরে তাওয়াফ করলে তাওয়াফ হবে না। কেননা হাজরে আসওয়াদ ও শাযরাওয়ান (কা‘বার মূল ভবনের সাথে লাগানো অংশ যাতে গিলাফ পরানো হয়) বাইতুল্লাহর অংশ।
৮- ধারাবাহিকভাবে ও বিরতিহীন তাওয়াফ করা। ওযরের কারণে সামান্য বিলম্ব করলে অসুবিধে নেই।