১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪৫
৩- মুযদালিফায় করণীয়:
১- মুযদালিফায় গিয়ে মাগরিব ও ‘ইশা একসাথে আদায় করবে। ‘ইশার সালাত কসর করে দু রাকা‘আত আদায় করবে। মুযদালিফায় রাত যাপন করবে। সূর্যোদয়ের কিছুসময় পূর্ব পর্যন্ত মুযদালিফাতেই অবস্থান করবে।
২- তবে মধ্যরাত হলে দুর্বল নারী, শিশু, বয়স্ক ও যারা এ ধরণের দুর্বল এবং যেসব শক্তিশালীরা বিশেষ খেদমতের প্রয়োজনবোধ করে তারা প্রয়োজনে মুযদালিফা থেকে মিনায় চলে যেতে পারবে। মিনায় পৌঁছার পর জামরায়ে ‘আকাবা তথা বড় জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। তাদের সাথে থাকা সুস্থ সবল লোকেরা সূর্যোদয়ের আগে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে না।
৩- সুস্থ সবল লোকেরা যাদের সাথে দুর্বল শ্রেণির কেউ নেউ, তারা মুযদালিফাতেই ফজর পর্যন্ত রাত যাপন করবে। সেখানে প্রথম ওয়াক্তে ফজরের সালাত আদায় করবে। অতঃপর সম্ভব হলে মাশ‘আরে হারামে যাবে। অতঃপর সেখানে যিকির ও দো‘আয় সূর্যোদয়ের কিছু সময় পূর্ব পর্যন্ত মশগুল থাকবে।
৪- সূর্যোদয়ের পূর্বেই মিনার দিকে রওয়ানা হবে।
৫- মধ্যরাতের পূর্বে মুযদালিফা থেকে মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করা জায়েয হবে না। কেউ মধ্যরাতের পূর্বে মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে ফিরে না আসলে গুনাহগার হবে এবং তাকে ফিদিয়া তথা দম দিতে হবে। কেননা মুযদালিফায় রাত যাপন ওয়াজিব। আর রাতযাপনের সর্বনিম্ন সময় হলো মধ্যরাত পর্যন্ত সেখানে থাকা।
৬- কেউ মধ্যরাতের পরে মুযদালিফায় পৌঁছলে তার জন্য সামান্য সময় যাপন করলেও মুযদালিফায় অবস্থান হয়ে যাবে। এমনকি সে যদি মুযদালিফার ময়দান অতিক্রমও করে তবুও যথেষ্ট হবে।
৭- কেউ ঈদের দিন সুবহে সাদিকের পূর্বে মুযদালিফায় না পৌঁছে যদি ফজরের সময় সেখানে গিয়ে ফজরের সালাত আদায় করতে সক্ষম হয় আর ফজরের পূর্ব পর্যন্ত ‘আরাফায় অবস্থান করে তবে তার হজ শুদ্ধ হবে। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«مَنْ شَهِدَ صَلَاتَنَا هَذِهِ، وَوَقَفَ مَعَنَا حَتَّى نَدْفَعَ وَقَدْ وَقَفَ بِعَرَفَةَ قَبْلَ ذَلِكَ لَيْلًا، أَوْ نَهَارًا، فَقَدْ أَتَمَّ حَجَّهُ، وَقَضَى تَفَثَهُ [ التفث অর্থ ময়লা-আবর্জনা ও অপরিচ্ছন্নতা। এর উদ্দেশ্য হলো মুহরিম হজের যাবতীয় কার্যক্রম সমাপ্ত করে ইহরাম থেকে মাথার চুল মুণ্ডন বা ছোট করা, বোগল ও নাভির লোম উপড়ে ফেলার মাধ্যমে ময়লা- আবর্জনা থেকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হয়েছে।]»
“আমাদের এ সালাতে যে লোক শরীক হয়েছে, আমাদের সাথে ফিরে আসা পর্যন্ত অবস্থান করেছে এবং এর পূর্বে রাতে বা দিনে ‘আরাফাতে থেকেছে, তার হজ পূর্ণ হয়েছে এবং সে লোক তার অপরিচ্ছন্নতা দূর করে নিয়েছে”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৮৯১। ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
২- তবে মধ্যরাত হলে দুর্বল নারী, শিশু, বয়স্ক ও যারা এ ধরণের দুর্বল এবং যেসব শক্তিশালীরা বিশেষ খেদমতের প্রয়োজনবোধ করে তারা প্রয়োজনে মুযদালিফা থেকে মিনায় চলে যেতে পারবে। মিনায় পৌঁছার পর জামরায়ে ‘আকাবা তথা বড় জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। তাদের সাথে থাকা সুস্থ সবল লোকেরা সূর্যোদয়ের আগে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে না।
৩- সুস্থ সবল লোকেরা যাদের সাথে দুর্বল শ্রেণির কেউ নেউ, তারা মুযদালিফাতেই ফজর পর্যন্ত রাত যাপন করবে। সেখানে প্রথম ওয়াক্তে ফজরের সালাত আদায় করবে। অতঃপর সম্ভব হলে মাশ‘আরে হারামে যাবে। অতঃপর সেখানে যিকির ও দো‘আয় সূর্যোদয়ের কিছু সময় পূর্ব পর্যন্ত মশগুল থাকবে।
৪- সূর্যোদয়ের পূর্বেই মিনার দিকে রওয়ানা হবে।
৫- মধ্যরাতের পূর্বে মুযদালিফা থেকে মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করা জায়েয হবে না। কেউ মধ্যরাতের পূর্বে মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে ফিরে না আসলে গুনাহগার হবে এবং তাকে ফিদিয়া তথা দম দিতে হবে। কেননা মুযদালিফায় রাত যাপন ওয়াজিব। আর রাতযাপনের সর্বনিম্ন সময় হলো মধ্যরাত পর্যন্ত সেখানে থাকা।
৬- কেউ মধ্যরাতের পরে মুযদালিফায় পৌঁছলে তার জন্য সামান্য সময় যাপন করলেও মুযদালিফায় অবস্থান হয়ে যাবে। এমনকি সে যদি মুযদালিফার ময়দান অতিক্রমও করে তবুও যথেষ্ট হবে।
৭- কেউ ঈদের দিন সুবহে সাদিকের পূর্বে মুযদালিফায় না পৌঁছে যদি ফজরের সময় সেখানে গিয়ে ফজরের সালাত আদায় করতে সক্ষম হয় আর ফজরের পূর্ব পর্যন্ত ‘আরাফায় অবস্থান করে তবে তার হজ শুদ্ধ হবে। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«مَنْ شَهِدَ صَلَاتَنَا هَذِهِ، وَوَقَفَ مَعَنَا حَتَّى نَدْفَعَ وَقَدْ وَقَفَ بِعَرَفَةَ قَبْلَ ذَلِكَ لَيْلًا، أَوْ نَهَارًا، فَقَدْ أَتَمَّ حَجَّهُ، وَقَضَى تَفَثَهُ [ التفث অর্থ ময়লা-আবর্জনা ও অপরিচ্ছন্নতা। এর উদ্দেশ্য হলো মুহরিম হজের যাবতীয় কার্যক্রম সমাপ্ত করে ইহরাম থেকে মাথার চুল মুণ্ডন বা ছোট করা, বোগল ও নাভির লোম উপড়ে ফেলার মাধ্যমে ময়লা- আবর্জনা থেকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হয়েছে।]»
“আমাদের এ সালাতে যে লোক শরীক হয়েছে, আমাদের সাথে ফিরে আসা পর্যন্ত অবস্থান করেছে এবং এর পূর্বে রাতে বা দিনে ‘আরাফাতে থেকেছে, তার হজ পূর্ণ হয়েছে এবং সে লোক তার অপরিচ্ছন্নতা দূর করে নিয়েছে”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৮৯১। ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]