১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৯
সালাত ত্যাগকারী সম্পর্কে সতর্কতা:
কুরআন ও হাদীসে অনেক জায়গায় সালাত ত্যাগকারী ও বিলম্বে আদায়কারীর শাস্তি সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿فَخَلَفَ مِنۢ بَعۡدِهِمۡ خَلۡفٌ أَضَاعُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَٱتَّبَعُواْ ٱلشَّهَوَٰتِۖ فَسَوۡفَ يَلۡقَوۡنَ غَيًّا ٥٩ ﴾ [ مريم : ٥٩ ]
“তাদের পরে আসল এমন এক অসৎ বংশধর যারা সালাত বিনষ্ট করল এবং কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করল। সুতরাং শীঘ্রই তারা জাহান্নামের শাস্তি প্রাপ্ত হবে”। [সূরা মারইয়াম, আয়াত: ৫৯]
﴿ فَوَيۡلٞ لِّلۡمُصَلِّينَ ٤ ٱلَّذِينَ هُمۡ عَن صَلَاتِهِمۡ سَاهُونَ ٥ ﴾ [ الماعون : ٤، ٥ ]
“অতএব সেই সালাত আদায়কারীদের জন্য দুর্ভোগ, যারা নিজদের সালাতে অমনোযোগী”। [সূরা আল-মা‘ঊন, আয়াত: ৪-৫]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন
«إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلَاةِ»
“বান্দা এবং শির্ক-কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত পরিত্যাগ করা”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৮২।]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন,
«الْعَهْدُ الَّذِي بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمُ الصَّلَاةُ، فَمَنْ تَرَكَهَا فَقَدْ كَفَرَ»
“আমাদের ও তাদের (কাফেরদের) মধ্যে যে অঙ্গীকার রয়েছে তা হলো সালাত। অতএব, যে ব্যক্তি সালাত ত্যাগ করলো, সে কাফের হয়ে গেলো।” [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ১০৭৯। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। তিরমিযী, হাদীস নং ২৬২১, ইমাম তিরমিযী রহ. হাদীসটিকে হাসান সহীহ গরীব বলেছেন। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার সালাত সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। এতে তিনি বললেন,
«مَنْ حَافَظَ عَلَيْهَا، كَانَتْ لَهُ نُورًا، وَبُرْهَانًا، وَنَجَاةً مِنَ النَّارِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَمَنْ لَمْ يُحَافِظْ عَلَيْهَا، لَمْ تَكُنْ لَهُ نُورًا، وَلَا نَجَاةً، وَلَا بُرْهَانًا، وَكَانَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَعَ قَارُونَ وَفِرْعَوْنَ وَهَامَانَ، وَأُبَيِّ بْنِ خَلَفٍ»
“যে ব্যক্তি নিয়মিত সালাত আদায় করবে এবং তা সংরক্ষণ করবে কিয়ামতের দিন তা তার জন্য আলো, ঈমানের দলীল ও জাহান্নাম থেকে নাজাতের উপায় হবে। আর যে ব্যক্তি নিয়মিত সালাত আদায় করবে না ও তা সংরক্ষণ করবে না, কিয়ামতের দিন তার জন্য কোনো আলো, নাজাত ও ঈমানের দলীল হবে না। আর কিয়ামতের দিন সে কারুন, ফির‘আউন, হামান ও উবাই ইবন খালফের সাথে উত্থিত হবে”। [মুসনাদ আহমদ, হাদীস নং ৬৫৭৬। শু‘আইব আরনাউত বলেন, হাদীসের সনদটি হাসান। সুনান দারেমী, হাদীস নং ২৭৬৩। মুহাক্কিক হুসাইন সেলিম হাদীসের সনদটি সহীহ বলেছেন।]
﴿فَخَلَفَ مِنۢ بَعۡدِهِمۡ خَلۡفٌ أَضَاعُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَٱتَّبَعُواْ ٱلشَّهَوَٰتِۖ فَسَوۡفَ يَلۡقَوۡنَ غَيًّا ٥٩ ﴾ [ مريم : ٥٩ ]
“তাদের পরে আসল এমন এক অসৎ বংশধর যারা সালাত বিনষ্ট করল এবং কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করল। সুতরাং শীঘ্রই তারা জাহান্নামের শাস্তি প্রাপ্ত হবে”। [সূরা মারইয়াম, আয়াত: ৫৯]
﴿ فَوَيۡلٞ لِّلۡمُصَلِّينَ ٤ ٱلَّذِينَ هُمۡ عَن صَلَاتِهِمۡ سَاهُونَ ٥ ﴾ [ الماعون : ٤، ٥ ]
“অতএব সেই সালাত আদায়কারীদের জন্য দুর্ভোগ, যারা নিজদের সালাতে অমনোযোগী”। [সূরা আল-মা‘ঊন, আয়াত: ৪-৫]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন
«إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلَاةِ»
“বান্দা এবং শির্ক-কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত পরিত্যাগ করা”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৮২।]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন,
«الْعَهْدُ الَّذِي بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمُ الصَّلَاةُ، فَمَنْ تَرَكَهَا فَقَدْ كَفَرَ»
“আমাদের ও তাদের (কাফেরদের) মধ্যে যে অঙ্গীকার রয়েছে তা হলো সালাত। অতএব, যে ব্যক্তি সালাত ত্যাগ করলো, সে কাফের হয়ে গেলো।” [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ১০৭৯। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। তিরমিযী, হাদীস নং ২৬২১, ইমাম তিরমিযী রহ. হাদীসটিকে হাসান সহীহ গরীব বলেছেন। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার সালাত সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। এতে তিনি বললেন,
«مَنْ حَافَظَ عَلَيْهَا، كَانَتْ لَهُ نُورًا، وَبُرْهَانًا، وَنَجَاةً مِنَ النَّارِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، وَمَنْ لَمْ يُحَافِظْ عَلَيْهَا، لَمْ تَكُنْ لَهُ نُورًا، وَلَا نَجَاةً، وَلَا بُرْهَانًا، وَكَانَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَعَ قَارُونَ وَفِرْعَوْنَ وَهَامَانَ، وَأُبَيِّ بْنِ خَلَفٍ»
“যে ব্যক্তি নিয়মিত সালাত আদায় করবে এবং তা সংরক্ষণ করবে কিয়ামতের দিন তা তার জন্য আলো, ঈমানের দলীল ও জাহান্নাম থেকে নাজাতের উপায় হবে। আর যে ব্যক্তি নিয়মিত সালাত আদায় করবে না ও তা সংরক্ষণ করবে না, কিয়ামতের দিন তার জন্য কোনো আলো, নাজাত ও ঈমানের দলীল হবে না। আর কিয়ামতের দিন সে কারুন, ফির‘আউন, হামান ও উবাই ইবন খালফের সাথে উত্থিত হবে”। [মুসনাদ আহমদ, হাদীস নং ৬৫৭৬। শু‘আইব আরনাউত বলেন, হাদীসের সনদটি হাসান। সুনান দারেমী, হাদীস নং ২৭৬৩। মুহাক্কিক হুসাইন সেলিম হাদীসের সনদটি সহীহ বলেছেন।]