১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭
অসুস্থ ব্যক্তির পবিত্রতা অর্জনের পদ্ধতি:
১- অসুস্থ ব্যক্তি ছোট অপবিত্র হলে পানি দ্বারা অযু করে পবিত্রতা অর্জন করবে, আর বড় নাপাকী হলে গোসল করে পবিত্র হবে।
২- অক্ষমতা বা রোগ বৃদ্ধির আশঙ্কা বা রোগমুক্তিতে বিলম্বের আশঙ্কা থাকলে তায়াম্মুম করে পবিত্র হবে।
৩- তায়াম্মুমের পদ্ধতি হলো:
পবিত্র মাটিতে একবার উভয় হাত একবার মারবে, এরপর দু’হাত দিয়ে চেহারা ও দু হাতের কব্জি পরস্পর মাসাহ করবে। কেউ তায়াম্মুম করতে অক্ষম হলে অন্যব্যক্তি তাকে তায়াম্মুম করিয়ে দিবে। সে তার উভয় হাত মাটিতে মারবে এবং অসুস্থব্যক্তির চেহারা ও হাতের কব্জি মাসাহ করিয়ে দিবে। কেউ অযু করতে অক্ষম হলে যেমন অন্য ব্যক্তি অযু করিয়ে দেয় তেমনি তায়াম্মুম করতে অক্ষম হলেও অন্য ব্যক্তি তাকে সাহায্য করবে এবং তায়াম্মুম করিয়ে দিবে।
৪- দেওয়াল বা এমন জিনিস যাতে ধুলা আছে সেসব জিনিস দিয়ে তায়াম্মুম করা জায়েয। দেওয়াল যদি মসৃণ হয়, যেমন এতে পেইন্টিং বা অন্য কোনো মসৃণ কিছু থাকে তবে ধুলা না থাকলে তা দ্বারা তায়াম্মুম করা জায়েয নয়। অবশ্য যদি তাতে ধুলা থাকে তবে এমন দেওয়াল দ্বারা তায়াম্মুম করা জায়েয।
৫- দেওয়াল বা ধুলা মিশ্রিত এমন কিছু পাওয়া না গেলে রুমাল বা পাত্রে মাটি রেখে তা দ্বারা তায়াম্মুম করা যাবে।
৬- একবার তায়াম্মুম করে সালাত আদায় করলে অন্য সালাতের সময় হলে উক্ত তায়াম্মুম দ্বারাই আবার সালাত আদায় করা যাবে; কেননা অযু ভঙ্গকারী এমন কিছু ঘটেনি যাতে নতুন করে তায়াম্মুম করতে হবে। তবে প্রত্যেক সালাতের জন্য নতুন করে তায়াম্মুম করা মুস্তাহাব।
৭- অসুস্থ ব্যক্তিকে তার শরীরে বিদ্যমান নাজাসাত তথা অপবিত্রতা দূর করতে হবে। তবে এ অপবিত্রতা যদি দূর করা সম্ভব না হয়, তাহলে সে অবস্থায়ই সালাত আদায় করবে। তার সালাত শুদ্ধ হবে এবং পুনরায় আদায় করতে হবে না।
৮- অসুস্থ ব্যক্তির কাপড় পবিত্র করতে হবে বা খুলে পবিত্র কাপড় পরিধান করতে হবে। যদি কাপড় পরিবর্তন করা সম্ভব না হয় তাহলে সে অবস্থায়ই সালাত আদায় করবে এবং পুনরায় তা আর আদায় করতে হবে না।
৯- অসুস্থ ব্যক্তিকে পবিত্র জায়গায় সালাত আদায় করতে হবে। বিছানা নাপাক হলে ধুয়ে ফেলতে হবে বা পবিত্র বিছানা বিছিয়ে পরিবর্তন করে ফেলতে হবে বা এর উপরে পবিত্র আরেকটি বিছানা বিছাতে হবে। আর যদি এসব কিছুই করা সম্ভব না হয় তবে যে অবস্থায় আছে সে অবস্থায়ই সালাত আদায় করবে। তার সালাত শুদ্ধ হবে এবং পুনরায় আদায় করতে হবে না।
২- অক্ষমতা বা রোগ বৃদ্ধির আশঙ্কা বা রোগমুক্তিতে বিলম্বের আশঙ্কা থাকলে তায়াম্মুম করে পবিত্র হবে।
৩- তায়াম্মুমের পদ্ধতি হলো:
পবিত্র মাটিতে একবার উভয় হাত একবার মারবে, এরপর দু’হাত দিয়ে চেহারা ও দু হাতের কব্জি পরস্পর মাসাহ করবে। কেউ তায়াম্মুম করতে অক্ষম হলে অন্যব্যক্তি তাকে তায়াম্মুম করিয়ে দিবে। সে তার উভয় হাত মাটিতে মারবে এবং অসুস্থব্যক্তির চেহারা ও হাতের কব্জি মাসাহ করিয়ে দিবে। কেউ অযু করতে অক্ষম হলে যেমন অন্য ব্যক্তি অযু করিয়ে দেয় তেমনি তায়াম্মুম করতে অক্ষম হলেও অন্য ব্যক্তি তাকে সাহায্য করবে এবং তায়াম্মুম করিয়ে দিবে।
৪- দেওয়াল বা এমন জিনিস যাতে ধুলা আছে সেসব জিনিস দিয়ে তায়াম্মুম করা জায়েয। দেওয়াল যদি মসৃণ হয়, যেমন এতে পেইন্টিং বা অন্য কোনো মসৃণ কিছু থাকে তবে ধুলা না থাকলে তা দ্বারা তায়াম্মুম করা জায়েয নয়। অবশ্য যদি তাতে ধুলা থাকে তবে এমন দেওয়াল দ্বারা তায়াম্মুম করা জায়েয।
৫- দেওয়াল বা ধুলা মিশ্রিত এমন কিছু পাওয়া না গেলে রুমাল বা পাত্রে মাটি রেখে তা দ্বারা তায়াম্মুম করা যাবে।
৬- একবার তায়াম্মুম করে সালাত আদায় করলে অন্য সালাতের সময় হলে উক্ত তায়াম্মুম দ্বারাই আবার সালাত আদায় করা যাবে; কেননা অযু ভঙ্গকারী এমন কিছু ঘটেনি যাতে নতুন করে তায়াম্মুম করতে হবে। তবে প্রত্যেক সালাতের জন্য নতুন করে তায়াম্মুম করা মুস্তাহাব।
৭- অসুস্থ ব্যক্তিকে তার শরীরে বিদ্যমান নাজাসাত তথা অপবিত্রতা দূর করতে হবে। তবে এ অপবিত্রতা যদি দূর করা সম্ভব না হয়, তাহলে সে অবস্থায়ই সালাত আদায় করবে। তার সালাত শুদ্ধ হবে এবং পুনরায় আদায় করতে হবে না।
৮- অসুস্থ ব্যক্তির কাপড় পবিত্র করতে হবে বা খুলে পবিত্র কাপড় পরিধান করতে হবে। যদি কাপড় পরিবর্তন করা সম্ভব না হয় তাহলে সে অবস্থায়ই সালাত আদায় করবে এবং পুনরায় তা আর আদায় করতে হবে না।
৯- অসুস্থ ব্যক্তিকে পবিত্র জায়গায় সালাত আদায় করতে হবে। বিছানা নাপাক হলে ধুয়ে ফেলতে হবে বা পবিত্র বিছানা বিছিয়ে পরিবর্তন করে ফেলতে হবে বা এর উপরে পবিত্র আরেকটি বিছানা বিছাতে হবে। আর যদি এসব কিছুই করা সম্ভব না হয় তবে যে অবস্থায় আছে সে অবস্থায়ই সালাত আদায় করবে। তার সালাত শুদ্ধ হবে এবং পুনরায় আদায় করতে হবে না।