১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬০
জুমু‘আর সালাত আদায়ের পদ্ধতি:
নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে জুমু‘আর সালাত আদায় করা হবে:
সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়লে (যোহরের সালাতের ওয়াক্ত হলেই) ইমাম জুমু‘আর সালাতের উদ্দেশ্যে বের হয়ে মিম্বরে আরোহণ করবেন। লোকদেরকে সালাম দিয়ে মিম্বরে বসলে মুয়াজ্জিন যোহরের আযানের মতো আযান দিবেন। আযান শেষে ইমাম দাঁড়িয়ে মানুষের উদ্দেশ্যে খুৎবা পেশ করবেন। আল্লাহর প্রশংসা ও তার বান্দা ও রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর দুরূদ ও সালাম পেশ করবেন। অতঃপর মানুষকে নসীহত করবেন। নসীহতের সময় কণ্ঠস্বর উঁচু করবেন। নসীহতে আল্লাহ ও তার রাসূলের আদেশসমূহ পালন ও নিষেধসমূহ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিবেন। ভালো কাজের প্রতি উৎসাহ দিবেন ও মন্দ কাজের খারাপ পরিণতির ভয় প্রদর্শন করবেন। আল্লাহর পুরস্কারের ওয়াদা ও আযাবের অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিবেন। এরপরে হালকা একটু বসবেন। আবার দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় খুৎবা শুরু করবেন। এতে শুরুতে আল্লাহর গুণাগুণ বর্ণনা করবেন। পূর্বের মতোই উচ্চস্বরে খুৎবা দিবেন, যেমনিভাবে সেনাপতি তার সৈন্যবাহিনীকে নির্দেশনা দেন। এ খুৎবা নাতিদীর্ঘ দিয়ে মিম্বর থেকে নামবেন। তখন মুয়াজ্জিন সালাতের ইকামত দিবেন। ইমাম মুসল্লীদেরকে নিয়ে উচ্চস্বরের কিরাতে দু রাকা‘আত সালাত আদায় করবেন। প্রথম রাকা‘আতে সূরা ফাতিহা পড়ে সূরা আল-আ‘লা ও দ্বিতীয় রাকা‘আতে সূরা ফাতিহার পরে সূরা আল-গাশিয়াহ বা প্রথম রাকা‘আতে সূরা আল-ফাতিহার পরে সূরা আল-জুমু‘আ ও দ্বিতীয় রাকা‘আতে সূরা আল-ফাতিহার পরে সূরা আল-মুনাফিকুন পড়া উত্তম। অন্য সূরা পড়লেও হবে।
সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়লে (যোহরের সালাতের ওয়াক্ত হলেই) ইমাম জুমু‘আর সালাতের উদ্দেশ্যে বের হয়ে মিম্বরে আরোহণ করবেন। লোকদেরকে সালাম দিয়ে মিম্বরে বসলে মুয়াজ্জিন যোহরের আযানের মতো আযান দিবেন। আযান শেষে ইমাম দাঁড়িয়ে মানুষের উদ্দেশ্যে খুৎবা পেশ করবেন। আল্লাহর প্রশংসা ও তার বান্দা ও রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর দুরূদ ও সালাম পেশ করবেন। অতঃপর মানুষকে নসীহত করবেন। নসীহতের সময় কণ্ঠস্বর উঁচু করবেন। নসীহতে আল্লাহ ও তার রাসূলের আদেশসমূহ পালন ও নিষেধসমূহ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিবেন। ভালো কাজের প্রতি উৎসাহ দিবেন ও মন্দ কাজের খারাপ পরিণতির ভয় প্রদর্শন করবেন। আল্লাহর পুরস্কারের ওয়াদা ও আযাবের অঙ্গীকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিবেন। এরপরে হালকা একটু বসবেন। আবার দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় খুৎবা শুরু করবেন। এতে শুরুতে আল্লাহর গুণাগুণ বর্ণনা করবেন। পূর্বের মতোই উচ্চস্বরে খুৎবা দিবেন, যেমনিভাবে সেনাপতি তার সৈন্যবাহিনীকে নির্দেশনা দেন। এ খুৎবা নাতিদীর্ঘ দিয়ে মিম্বর থেকে নামবেন। তখন মুয়াজ্জিন সালাতের ইকামত দিবেন। ইমাম মুসল্লীদেরকে নিয়ে উচ্চস্বরের কিরাতে দু রাকা‘আত সালাত আদায় করবেন। প্রথম রাকা‘আতে সূরা ফাতিহা পড়ে সূরা আল-আ‘লা ও দ্বিতীয় রাকা‘আতে সূরা ফাতিহার পরে সূরা আল-গাশিয়াহ বা প্রথম রাকা‘আতে সূরা আল-ফাতিহার পরে সূরা আল-জুমু‘আ ও দ্বিতীয় রাকা‘আতে সূরা আল-ফাতিহার পরে সূরা আল-মুনাফিকুন পড়া উত্তম। অন্য সূরা পড়লেও হবে।