১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪৭
ঈদের দিনের আমলসমূহ সম্পর্কে সতর্কতা:
১- ঈদের দিনের কাজসমূহ নিম্নোক্ত ধারাবাহিকতায় সম্পন্ন করবে:
ক- জামরা আকাবায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবে।
খ- হাদী ওয়াজিব হলে হাদী যবেহ করবে।
গ- মাথা মুণ্ডাবে বা চুল ছোট করবে।
ঘ- তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করবে। আর তামাত্তু হজকারী সা‘ঈ করবে। অন্য হজ আদায়কারী যদি পূর্বে ও সা‘ঈ না করে থাকে তবে সা‘ঈ করবে। এ তারতীবে করতে পারলে উত্তম। কিন্তু কেউ তারতীব ভঙ্গ করে একটির আগে অন্যটি করাও জায়েয। এতে কোনো অসুবিধে নেই। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সেদিনের কাজ আগে পরে করার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেছিলেন,
«افْعَلْ وَلاَ حَرَجَ»
“করো, কোনো ক্ষতি নেই”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৮৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩০৬।]
২- প্রাথমিক হালাল তথা নিষেধাজ্ঞা মুক্ত হওয়া, যা করলে মুহরিমের উপর থেকে ইহরামের কারণে আপতিত স্ত্রী সহবাস ব্যতীত যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে, তা নিম্নোক্ত তিন কাজের যে কোনো দু’টি কাজ করার মাধ্যমে অর্জিত হয়, জামরায়ে ‘আকাবায় কঙ্কর নিক্ষেপ, মাথার চুল মুণ্ডানো অথবা ছোট করা, তাওয়াফুল ইফাদা ও সা‘ঈ করা (যার উপর সা‘ঈ বাকী আছে), আর যদি তিনটি কাজই সম্পন্ন করে তবে সে দ্বিতীয় হালাল তথা চূড়ান্তভাবে নিষেধাজ্ঞামুক্ত হয়ে যাবে, তখন তার জন্য স্ত্রীসহ সবকিছু হালাল হয়ে যাবে।
৩- কুরবানীর জন্য যেসব পশু উপযোগী সেসব পশু দ্বারাই হাদী করা জায়েয। অর্থাৎ শরী‘আতসম্মত বয়স হওয়া। মেষশাবকের ছয়মাস, ছাগলের একবছর, গরুর দুবছর, উটের পাঁচবছর। এছাড়া পশুটি দোষত্রুটিমুক্ত হতে হবে, যেমন: অসুস্থ, অতিবয়স্ক, অতিদুর্বল, কানা, অন্ধ, খোড়া ও অঙ্গহীন না হওয়া।
৪- তামাত্তু‘ ও কারিন হাজীর ওপর হাদীর পরিমাণ হচ্ছে, কমপক্ষে একটি ছাগল বা উট অথবা গরুর সাত ভাগের একভাগ।
৫- কেউ হাদী যবেহ করতে না পারলে তাকে হজের দিনগুলোতে তিনদিন এবং বাড়ি ফিরে আসলে বাকী সাতদিন সাওম পালন করতে হবে। আইয়ামুশ তাশরিকের দিনেও (১১, ১২ ও ১৩ তারিখ) তিনটি সাওম পালন করা যাবে। কেননা ‘আয়িশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা ও ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তারা উভয়ে বলেন,
«لَمْ يُرَخَّصْ فِي أَيَّامِ التَّشْرِيقِ أَنْ يُصَمْنَ، إِلَّا لِمَنْ لَمْ يَجِدِ الهَدْيَ»
“যাঁর নিকট হাদীর পশু নেই তিনি ছাড়া অন্য কারও জন্য আইয়্যামে তাশরীকে সাওম পালন করার অনুমতি দেওয়া হয় নি”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯৯৭।]
উমরার ইহরামের পরেও সাওম পালন করতে পারে; তবে ঈদের দিন ও ‘আরাফার দিনে সাওম পালন করবে না। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদ ও ‘আরাফায় বসে ‘আরাফার দিনে সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। [সাওম অধ্যয়ে যেসব দিন সাওম পালন করা হারাম ও মাকরূহ সেখানে এ কথা দলীল পেশ করা হয়েছে।]
ক- জামরা আকাবায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবে।
খ- হাদী ওয়াজিব হলে হাদী যবেহ করবে।
গ- মাথা মুণ্ডাবে বা চুল ছোট করবে।
ঘ- তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করবে। আর তামাত্তু হজকারী সা‘ঈ করবে। অন্য হজ আদায়কারী যদি পূর্বে ও সা‘ঈ না করে থাকে তবে সা‘ঈ করবে। এ তারতীবে করতে পারলে উত্তম। কিন্তু কেউ তারতীব ভঙ্গ করে একটির আগে অন্যটি করাও জায়েয। এতে কোনো অসুবিধে নেই। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সেদিনের কাজ আগে পরে করার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেছিলেন,
«افْعَلْ وَلاَ حَرَجَ»
“করো, কোনো ক্ষতি নেই”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৮৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩০৬।]
২- প্রাথমিক হালাল তথা নিষেধাজ্ঞা মুক্ত হওয়া, যা করলে মুহরিমের উপর থেকে ইহরামের কারণে আপতিত স্ত্রী সহবাস ব্যতীত যাবতীয় নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে, তা নিম্নোক্ত তিন কাজের যে কোনো দু’টি কাজ করার মাধ্যমে অর্জিত হয়, জামরায়ে ‘আকাবায় কঙ্কর নিক্ষেপ, মাথার চুল মুণ্ডানো অথবা ছোট করা, তাওয়াফুল ইফাদা ও সা‘ঈ করা (যার উপর সা‘ঈ বাকী আছে), আর যদি তিনটি কাজই সম্পন্ন করে তবে সে দ্বিতীয় হালাল তথা চূড়ান্তভাবে নিষেধাজ্ঞামুক্ত হয়ে যাবে, তখন তার জন্য স্ত্রীসহ সবকিছু হালাল হয়ে যাবে।
৩- কুরবানীর জন্য যেসব পশু উপযোগী সেসব পশু দ্বারাই হাদী করা জায়েয। অর্থাৎ শরী‘আতসম্মত বয়স হওয়া। মেষশাবকের ছয়মাস, ছাগলের একবছর, গরুর দুবছর, উটের পাঁচবছর। এছাড়া পশুটি দোষত্রুটিমুক্ত হতে হবে, যেমন: অসুস্থ, অতিবয়স্ক, অতিদুর্বল, কানা, অন্ধ, খোড়া ও অঙ্গহীন না হওয়া।
৪- তামাত্তু‘ ও কারিন হাজীর ওপর হাদীর পরিমাণ হচ্ছে, কমপক্ষে একটি ছাগল বা উট অথবা গরুর সাত ভাগের একভাগ।
৫- কেউ হাদী যবেহ করতে না পারলে তাকে হজের দিনগুলোতে তিনদিন এবং বাড়ি ফিরে আসলে বাকী সাতদিন সাওম পালন করতে হবে। আইয়ামুশ তাশরিকের দিনেও (১১, ১২ ও ১৩ তারিখ) তিনটি সাওম পালন করা যাবে। কেননা ‘আয়িশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা ও ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তারা উভয়ে বলেন,
«لَمْ يُرَخَّصْ فِي أَيَّامِ التَّشْرِيقِ أَنْ يُصَمْنَ، إِلَّا لِمَنْ لَمْ يَجِدِ الهَدْيَ»
“যাঁর নিকট হাদীর পশু নেই তিনি ছাড়া অন্য কারও জন্য আইয়্যামে তাশরীকে সাওম পালন করার অনুমতি দেওয়া হয় নি”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৯৯৭।]
উমরার ইহরামের পরেও সাওম পালন করতে পারে; তবে ঈদের দিন ও ‘আরাফার দিনে সাওম পালন করবে না। কেননা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদ ও ‘আরাফায় বসে ‘আরাফার দিনে সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। [সাওম অধ্যয়ে যেসব দিন সাওম পালন করা হারাম ও মাকরূহ সেখানে এ কথা দলীল পেশ করা হয়েছে।]