১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
অযু অযু ফরয হওয়ার দলীল:
কুরআন, সুন্নাহ ও ইজমার দ্বারা অযু ফরয হওয়া সাব্যস্ত হয়েছে:
প্রথম দলীল: কুরআনুল কারীম: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا قُمۡتُمۡ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ فَٱغۡسِلُواْ وُجُوهَكُمۡ وَأَيۡدِيَكُمۡ إِلَى ٱلۡمَرَافِقِ وَٱمۡسَحُواْ بِرُءُوسِكُمۡ وَأَرۡجُلَكُمۡ إِلَى ٱلۡكَعۡبَيۡنِۚ﴾ [ المائدة : ٦ ]
“হে মুমিনগণ, যখন তোমরা সালাতে দণ্ডায়মান হতে চাও, তখন তোমাদের মুখ ও কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত কর, মাথা মাসাহ মাসাহ কর এবং টাখনু পর্যন্ত পা (ধৌত কর)।”। [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৬]
দ্বিতীয় দলীল: রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস: রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لاَ تُقْبَلُ صَلاَةُ مَنْ أَحْدَثَ حَتَّى يَتَوَضَّأَ»
“যে ব্যক্তির হাদস (অপবিত্র) হয় তাঁর সালাত কবুল হবে না, যতক্ষণ না সে অযু করে।”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৩৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২২৫।]
তৃতীয় দলীল: ইজমা: রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ থেকে এ পর্যন্ত সব মুসলিম অযু শরী‘আতের বিধানবদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। তাই এ বিধানটি দীনের মধ্যে সকলের কাছে অত্যাবশ্যকীয় জ্ঞাত বিষয় বলে বিবেচিত।
প্রথম দলীল: কুরআনুল কারীম: আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا قُمۡتُمۡ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ فَٱغۡسِلُواْ وُجُوهَكُمۡ وَأَيۡدِيَكُمۡ إِلَى ٱلۡمَرَافِقِ وَٱمۡسَحُواْ بِرُءُوسِكُمۡ وَأَرۡجُلَكُمۡ إِلَى ٱلۡكَعۡبَيۡنِۚ﴾ [ المائدة : ٦ ]
“হে মুমিনগণ, যখন তোমরা সালাতে দণ্ডায়মান হতে চাও, তখন তোমাদের মুখ ও কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত কর, মাথা মাসাহ মাসাহ কর এবং টাখনু পর্যন্ত পা (ধৌত কর)।”। [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৬]
দ্বিতীয় দলীল: রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস: রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«لاَ تُقْبَلُ صَلاَةُ مَنْ أَحْدَثَ حَتَّى يَتَوَضَّأَ»
“যে ব্যক্তির হাদস (অপবিত্র) হয় তাঁর সালাত কবুল হবে না, যতক্ষণ না সে অযু করে।”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৩৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ২২৫।]
তৃতীয় দলীল: ইজমা: রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ থেকে এ পর্যন্ত সব মুসলিম অযু শরী‘আতের বিধানবদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। তাই এ বিধানটি দীনের মধ্যে সকলের কাছে অত্যাবশ্যকীয় জ্ঞাত বিষয় বলে বিবেচিত।