১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০৫
সাওমের ফযীলত:
সাওমের ফযীলত সম্পর্কে অসংখ্য হাদীস রয়েছে। তন্মধ্যে কিছু নিম্নরূপ:
১- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«مَنْ صَامَ يَوْمًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ، بَعَّدَ اللَّهُ وَجْهَهُ عَنِ النَّارِ سَبْعِينَ خَرِيفًا»
“যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় এক দিন সাওম পালন করে, আল্লাহ ঐ দিনের বিনিময়ে জাহান্নামকে তার মুখমণ্ডল থেকে সত্তর বছরের দূরত্বে সরিয়ে দেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৮৪০; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৫৩।]
২- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন,
«إِنَّ فِي الجَنَّةِ بَابًا يُقَالُ لَهُ الرَّيَّانُ، يَدْخُلُ مِنْهُ الصَّائِمُونَ يَوْمَ القِيَامَةِ، لاَ يَدْخُلُ مِنْهُ أَحَدٌ غَيْرُهُمْ، يُقَالُ : أَيْنَ الصَّائِمُونَ؟ فَيَقُومُونَ لاَ يَدْخُلُ مِنْهُ أَحَدٌ غَيْرُهُمْ، فَإِذَا دَخَلُوا أُغْلِقَ فَلَمْ يَدْخُلْ مِنْهُ أَحَدٌ»
“জান্নাতে রাইয়ান নামক একটি দরজা আছে। এ দরজা দিয়ে কিয়ামতের দিন সাওম পালনকারীরাই প্রবেশ করবে। তাদের ছাড়া আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। ঘোষণা দেওয়া হবে, সাওম পালনকারীরা কোথায়? তখন তারা দাঁড়াবে। তারা ছাড়া আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে না। তাদের প্রবেশের পরই দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে। যাতে এ দরজা দিয়ে আর কেউ প্রবেশ না করে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৮৯৬; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৫২।]
৩- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«الصِّيَامُ جُنَّةٌ [রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাণী: جُنَّةٌ مِنَ النَّارِ অর্থাৎ জাহান্নামে প্রবেশের বাধা।] مِنَ النَّارِ، كَجُنَّةِ أَحَدِكُمْ مِنَ الْقِتَالِ»
“যুদ্ধের মাঠে ঢাল যেমন তোমাদের রক্ষাকারী, সাওমও তদ্রূপ জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাওয়ার ঢাল”। [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ১৬৩৯। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
১- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«مَنْ صَامَ يَوْمًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ، بَعَّدَ اللَّهُ وَجْهَهُ عَنِ النَّارِ سَبْعِينَ خَرِيفًا»
“যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় এক দিন সাওম পালন করে, আল্লাহ ঐ দিনের বিনিময়ে জাহান্নামকে তার মুখমণ্ডল থেকে সত্তর বছরের দূরত্বে সরিয়ে দেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৮৪০; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৫৩।]
২- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন,
«إِنَّ فِي الجَنَّةِ بَابًا يُقَالُ لَهُ الرَّيَّانُ، يَدْخُلُ مِنْهُ الصَّائِمُونَ يَوْمَ القِيَامَةِ، لاَ يَدْخُلُ مِنْهُ أَحَدٌ غَيْرُهُمْ، يُقَالُ : أَيْنَ الصَّائِمُونَ؟ فَيَقُومُونَ لاَ يَدْخُلُ مِنْهُ أَحَدٌ غَيْرُهُمْ، فَإِذَا دَخَلُوا أُغْلِقَ فَلَمْ يَدْخُلْ مِنْهُ أَحَدٌ»
“জান্নাতে রাইয়ান নামক একটি দরজা আছে। এ দরজা দিয়ে কিয়ামতের দিন সাওম পালনকারীরাই প্রবেশ করবে। তাদের ছাড়া আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। ঘোষণা দেওয়া হবে, সাওম পালনকারীরা কোথায়? তখন তারা দাঁড়াবে। তারা ছাড়া আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে না। তাদের প্রবেশের পরই দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে। যাতে এ দরজা দিয়ে আর কেউ প্রবেশ না করে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৮৯৬; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৫২।]
৩- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«الصِّيَامُ جُنَّةٌ [রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাণী: جُنَّةٌ مِنَ النَّارِ অর্থাৎ জাহান্নামে প্রবেশের বাধা।] مِنَ النَّارِ، كَجُنَّةِ أَحَدِكُمْ مِنَ الْقِتَالِ»
“যুদ্ধের মাঠে ঢাল যেমন তোমাদের রক্ষাকারী, সাওমও তদ্রূপ জাহান্নাম থেকে রক্ষা পাওয়ার ঢাল”। [ইবন মাজাহ, হাদীস নং ১৬৩৯। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]