১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
কীভাবে পবিত্রতা অর্জিত হবে?
পবিত্রতা দু পদ্ধতিতে অর্জন করা যায়:
১- মুতলাক বা স্বাভাবিক পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন। স্বাভাবিক পানি বলতে এমন পানি যা তার সৃষ্টিগত চরিত্র ধারণ করে আছে। কোনো কিছু তার সাথে মিলিত হয়ে তার স্বাদ, গন্ধ বা রঙ পরিবর্তন করে নি। হোক তা আকাশ থেকে বর্ষিত যেমন, বৃষ্টি কিংবা বরফ বা শিলা। অথবা জমিনে প্রবাহমান পানি যেমন সাগরের পানি, নদীর পানি, বৃষ্টির পানি, কূপের পানি। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَأَنزَلۡنَا مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءٗ طَهُورٗا ٤٨﴾ [ الفرقان : ٤٨ ]
“এবং আমরা আকাশ থেকে পবিত্র পানি বর্ষণ করেছি”। [সূরা আল-ফুরকান, আয়াত: ৪৮]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«الْمَاءُ طَهُورٌ، لَا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ»
“পানি স্বাভাবিকভাবে পবিত্র, কোনো কিছু একে অপবিত্র করতে পারে না”। [মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ১১২৫৭ শু‘আইব আরনাউত বলেছেন, হাদীসটি বিভিন্ন শাহেদের ভিত্তিতে সহীহ।]
২- পবিত্র মাটি, বালু, পাথর, শিলা ইত্যাদি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করা। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«وَجُعِلَتْ لِيَ الْأَرْضُ طَهُورًا وَمَسْجِدًا»
“আমার জন্য জমিনকে পবিত্র ও মসজিদ (সালাতের স্থান) করা হয়েছে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫২৩।]
পানি পাওয়া না গেলে বা অসুস্থতা ও অন্য কোনো কারণে পানি ব্যবহারে অক্ষম হলে পবিত্র মাটি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿فَلَمۡ تَجِدُواْ مَآءٗ فَتَيَمَّمُواْ صَعِيدٗا طَيِّبٗا﴾ [ النساء : ٤٣ ]
“আর যদি পানি না পাও তাহলে পবিত্র মাটিতে তায়াম্মুম কর।”। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৪৩]
অনুরূপ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِنَّ الصَّعِيدَ الطَّيِّبَ طَهُورُ المُسْلِمِ، وَإِنْ لَمْ يَجِدِ المَاءَ عَشْرَ سِنِينَ، فَإِذَا وَجَدَ المَاءَ فَلْيُمِسَّهُ بَشَرَتَهُ»
“পবিত্র মাটি মুসলিমদের জন্য পবিত্রতাকারী বস্তু, যদিও সে দশ বছর ধরে পানি না পায়। যখন সে পানি পাবে তখন নিজের শরীরে যেন পানি পৌঁছায় (গোসল করে)”। [তিরমিযী, হাদীস নং ১২৪। ইমাম তিরমিযী রহ. হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।]
১- মুতলাক বা স্বাভাবিক পানি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন। স্বাভাবিক পানি বলতে এমন পানি যা তার সৃষ্টিগত চরিত্র ধারণ করে আছে। কোনো কিছু তার সাথে মিলিত হয়ে তার স্বাদ, গন্ধ বা রঙ পরিবর্তন করে নি। হোক তা আকাশ থেকে বর্ষিত যেমন, বৃষ্টি কিংবা বরফ বা শিলা। অথবা জমিনে প্রবাহমান পানি যেমন সাগরের পানি, নদীর পানি, বৃষ্টির পানি, কূপের পানি। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿وَأَنزَلۡنَا مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءٗ طَهُورٗا ٤٨﴾ [ الفرقان : ٤٨ ]
“এবং আমরা আকাশ থেকে পবিত্র পানি বর্ষণ করেছি”। [সূরা আল-ফুরকান, আয়াত: ৪৮]
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«الْمَاءُ طَهُورٌ، لَا يُنَجِّسُهُ شَيْءٌ»
“পানি স্বাভাবিকভাবে পবিত্র, কোনো কিছু একে অপবিত্র করতে পারে না”। [মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ১১২৫৭ শু‘আইব আরনাউত বলেছেন, হাদীসটি বিভিন্ন শাহেদের ভিত্তিতে সহীহ।]
২- পবিত্র মাটি, বালু, পাথর, শিলা ইত্যাদি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করা। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«وَجُعِلَتْ لِيَ الْأَرْضُ طَهُورًا وَمَسْجِدًا»
“আমার জন্য জমিনকে পবিত্র ও মসজিদ (সালাতের স্থান) করা হয়েছে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৫২৩।]
পানি পাওয়া না গেলে বা অসুস্থতা ও অন্য কোনো কারণে পানি ব্যবহারে অক্ষম হলে পবিত্র মাটি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করতে হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿فَلَمۡ تَجِدُواْ مَآءٗ فَتَيَمَّمُواْ صَعِيدٗا طَيِّبٗا﴾ [ النساء : ٤٣ ]
“আর যদি পানি না পাও তাহলে পবিত্র মাটিতে তায়াম্মুম কর।”। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৪৩]
অনুরূপ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إِنَّ الصَّعِيدَ الطَّيِّبَ طَهُورُ المُسْلِمِ، وَإِنْ لَمْ يَجِدِ المَاءَ عَشْرَ سِنِينَ، فَإِذَا وَجَدَ المَاءَ فَلْيُمِسَّهُ بَشَرَتَهُ»
“পবিত্র মাটি মুসলিমদের জন্য পবিত্রতাকারী বস্তু, যদিও সে দশ বছর ধরে পানি না পায়। যখন সে পানি পাবে তখন নিজের শরীরে যেন পানি পৌঁছায় (গোসল করে)”। [তিরমিযী, হাদীস নং ১২৪। ইমাম তিরমিযী রহ. হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।]