১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২৩
হজের ফযীলত:
শরী‘আত প্রণেতা হজ পালনে অনেক উৎসাহ দিয়েছেন এবং হজের অপরিসীম সাওয়াব ও মর্যাদা উল্লেখ করেছেন। নিম্নোক্ত হাদীসসমূহে হজের ফযীলত সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
১- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«مَنْ حَجَّ لِلَّهِ فَلَمْ يَرْفُثْ، وَلَمْ يَفْسُقْ، رَجَعَ كَيَوْمِ وَلَدَتْهُ أُمُّهُ»
“যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ করলো এবং অশালীন কথাবার্তা ও গুনাহ থেকে বিরত রইল, সে নবজাতক শিশু, যাকে তার মা এ মুহূর্তেই প্রসব করেছে, তার ন্যায় নিষ্পাপ হয়ে ফিরবে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৫২১’ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩৫০।]
২- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন,
«العُمْرَةُ إِلَى العُمْرَةِ كَفَّارَةٌ لِمَا بَيْنَهُمَا، وَالحَجُّ المَبْرُورُ لَيْسَ لَهُ جَزَاءٌ إِلَّا الجَنَّةُ»
“এক উমরার পর আর এক উমরা উভয়ের মধ্যবর্তী সময়ের (গুনাহের) জন্য কাফফারা। আর জান্নাতই হল হজ্জে মাবরূরের (কবুল হজের) প্রতিদান”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৭৭৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩৪৯।]
৩- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো,
«أَيُّ الأَعْمَالِ أَفْضَلُ؟ قَالَ : «إِيمَانٌ بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ» قِيلَ : ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ : «جِهَادٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ» قِيلَ : ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ : «حَجٌّ مَبْرُورٌ»
“সর্বোত্তম আমল কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনা। জিজ্ঞাসা করা হলো, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা। জিজ্ঞাসা করা হলো, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, হজে মাবরুর (মাকবুল হজ)”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৫১৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৮৩।]
৪- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজের ফযীলত সম্পর্কে আরো বলেছেন,
«تَابِعُوا بَيْنَ الحَجِّ وَالعُمْرَةِ، فَإِنَّهُمَا يَنْفِيَانِ الفَقْرَ وَالذُّنُوبَ كَمَا يَنْفِي الكِيرُ خَبَثَ الحَدِيدِ، وَالذَّهَبِ، وَالفِضَّةِ، وَلَيْسَ لِلْحَجَّةِ المَبْرُورَةِ ثَوَابٌ إِلَّا الجَنَّةُ»
“তোমরা ধারাবাহিক হজ ও উমরা আদায় করতে থাকো। এ দুটো আমল দারিদ্র ও গুনাহ দূর করে দেয়। যেমন ভাটার আগুনে লোহা ও সোনা-রুপার ময়লা-জং দূরিভূত হয়ে থাকে। একটি কবুল হজের প্রতিদান তো জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৮১০। ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান সহীহ গরীব বলেছেন। ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২৮৮৭। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
এছাড়াও হজের ফযীলত সম্পর্কে অনেক হাদীস বর্ণিত আছে। সবগুলো এখানে উল্লেখ করা সম্ভব নয়।
১- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«مَنْ حَجَّ لِلَّهِ فَلَمْ يَرْفُثْ، وَلَمْ يَفْسُقْ، رَجَعَ كَيَوْمِ وَلَدَتْهُ أُمُّهُ»
“যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ করলো এবং অশালীন কথাবার্তা ও গুনাহ থেকে বিরত রইল, সে নবজাতক শিশু, যাকে তার মা এ মুহূর্তেই প্রসব করেছে, তার ন্যায় নিষ্পাপ হয়ে ফিরবে”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৫২১’ সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩৫০।]
২- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন,
«العُمْرَةُ إِلَى العُمْرَةِ كَفَّارَةٌ لِمَا بَيْنَهُمَا، وَالحَجُّ المَبْرُورُ لَيْسَ لَهُ جَزَاءٌ إِلَّا الجَنَّةُ»
“এক উমরার পর আর এক উমরা উভয়ের মধ্যবর্তী সময়ের (গুনাহের) জন্য কাফফারা। আর জান্নাতই হল হজ্জে মাবরূরের (কবুল হজের) প্রতিদান”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৭৭৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩৪৯।]
৩- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো,
«أَيُّ الأَعْمَالِ أَفْضَلُ؟ قَالَ : «إِيمَانٌ بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ» قِيلَ : ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ : «جِهَادٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ» قِيلَ : ثُمَّ مَاذَا؟ قَالَ : «حَجٌّ مَبْرُورٌ»
“সর্বোত্তম আমল কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনা। জিজ্ঞাসা করা হলো, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, আল্লাহর পথে জিহাদ করা। জিজ্ঞাসা করা হলো, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, হজে মাবরুর (মাকবুল হজ)”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৫১৯; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৮৩।]
৪- রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজের ফযীলত সম্পর্কে আরো বলেছেন,
«تَابِعُوا بَيْنَ الحَجِّ وَالعُمْرَةِ، فَإِنَّهُمَا يَنْفِيَانِ الفَقْرَ وَالذُّنُوبَ كَمَا يَنْفِي الكِيرُ خَبَثَ الحَدِيدِ، وَالذَّهَبِ، وَالفِضَّةِ، وَلَيْسَ لِلْحَجَّةِ المَبْرُورَةِ ثَوَابٌ إِلَّا الجَنَّةُ»
“তোমরা ধারাবাহিক হজ ও উমরা আদায় করতে থাকো। এ দুটো আমল দারিদ্র ও গুনাহ দূর করে দেয়। যেমন ভাটার আগুনে লোহা ও সোনা-রুপার ময়লা-জং দূরিভূত হয়ে থাকে। একটি কবুল হজের প্রতিদান তো জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৮১০। ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান সহীহ গরীব বলেছেন। ইবন মাজাহ, হাদীস নং ২৮৮৭। আলবানী রহ. হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
এছাড়াও হজের ফযীলত সম্পর্কে অনেক হাদীস বর্ণিত আছে। সবগুলো এখানে উল্লেখ করা সম্ভব নয়।