১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪৮
৫- আইয়ামুশ তাশরিকের দিনে করণীয়:
আইয়ামুশ তাশরিক বলতে যিলহজ মাসের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখ। এ দিনগুলোতে করণীয় কাজ হলো দু’টি:
১- এ দিনগুলোতে মিনায় রাত যাপন করবে। মিনায় আইয়ামুশ তাশরিকের রাত যাপন করা হজের অন্যতম একটি ওয়াজিব। কেউ ওযর ব্যতীত মিনায় রাত যাপন না করলে তাকে দম দিতে হবে। রাত যাপনের সর্বনিম্ন পরিমাণ হলো সাধ্যানুযায়ী রাতের অধিকাংশ সময় মিনায় অবস্থান করা; চাই তা রাতের প্রথমভাগে হোক বা শেষভাগে। যেমন কেউ রাতের প্রথম ভাগে মক্কায় গেল, অতঃপর রাতের মধ্যভাগের আগেই ফিরে আসল অথবা মধ্যরাতের পরে মিনা ত্যাগ করল, তাহলে কোনো অসুবিধে হবে না। কেননা সে তার ওপর অর্পিত ওয়াজিব আদায় করেছে।
২- এ তিন দিনে তিন জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করা। আর এ দিনগুলোতে কঙ্কর নিক্ষেপের সময় হচ্ছে সূর্য হেলে যাওয়া।
সুতরাং (সূর্য হেলে যাওয়ার পর) প্রথমে ছোট জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। যে জামরাটি মক্কা থেকে দূরে আর মাসজিদে খাইফের সন্নিকটে। প্রতি জামরায় সাতটি কঙ্কর বিরামহীনভাবে মারবে এবং প্রতি কঙ্করের সাথে তাকবির দেবে। অতঃপর সামান্য সামনে এগিয়ে গিয়ে সাধ্যমত দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ চেয়ে দো‘আ করবে।
এরপরে মধ্য জমরায় পরপর সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। প্রতি কঙ্করের সাথে তাকবীর দিবে, তারপর বাম দিকে এগিয়ে যাবে এবং কিবলামুখী হয়ে দো‘আ করবে।
অতঃপর বড় জামরায় গিয়ে একইভাবে পরপর প্রতিটি কঙ্করের সাথে তাকবীরসহ সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। এরপরে ফিরে আসবে কিন্তু দো‘আ করবে না। প্রতি জামরায় তারতীব বজায় রাখা ওয়াজিব। প্রথমে ছোট জমরায়, অতঃপর মধ্য জামরায় এরপর বড় জমরায়। এ দিনগুলোতে প্রতি ওয়াক্ত সালাত স্বাভাবিক নিয়মে আদায় করবে। জমা ও কসর করবে না।
১২ ও ১৩ তারিখ পূর্বের দিন যেভাবে কঙ্কর মেরেছে ঠিক সেভাবেই তিন জামরায় কঙ্কর মারবে। যদি দ্রুত মিনা ত্যাগ অর্থাৎ বারো তারিখেই মিনা ত্যাগের ইচ্ছা থাকে তাহলে সেদিন সূর্যাস্তের পূর্বে মিনা থেকে বের হয়ে যেতে হবে। আর যদি তেরো তারিখেও কঙ্কর মারার ইচ্ছা থাকে তবে বারো তারিখ দিবাগত রাত মিনাতেই যাপন করতে হবে। তাড়াহুড়া না করে মিনায় তিনদিন অবস্থান করা উত্তম। স্বাভাবিকভাবে হাজী সাহেবের জন্য এ দু’টি কাজের মধ্যে যে কোনো একটি গ্রহণ করার সুযোগ রয়েছে। তবে যদি মিনায় থাকা অবস্থায় বারো তারিখের সূর্য ডুবে যায় তবে তার ওপর তখন সেখানে অবস্থান করা ওয়াজিব হয়ে যাবে।
১- এ দিনগুলোতে মিনায় রাত যাপন করবে। মিনায় আইয়ামুশ তাশরিকের রাত যাপন করা হজের অন্যতম একটি ওয়াজিব। কেউ ওযর ব্যতীত মিনায় রাত যাপন না করলে তাকে দম দিতে হবে। রাত যাপনের সর্বনিম্ন পরিমাণ হলো সাধ্যানুযায়ী রাতের অধিকাংশ সময় মিনায় অবস্থান করা; চাই তা রাতের প্রথমভাগে হোক বা শেষভাগে। যেমন কেউ রাতের প্রথম ভাগে মক্কায় গেল, অতঃপর রাতের মধ্যভাগের আগেই ফিরে আসল অথবা মধ্যরাতের পরে মিনা ত্যাগ করল, তাহলে কোনো অসুবিধে হবে না। কেননা সে তার ওপর অর্পিত ওয়াজিব আদায় করেছে।
২- এ তিন দিনে তিন জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করা। আর এ দিনগুলোতে কঙ্কর নিক্ষেপের সময় হচ্ছে সূর্য হেলে যাওয়া।
সুতরাং (সূর্য হেলে যাওয়ার পর) প্রথমে ছোট জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। যে জামরাটি মক্কা থেকে দূরে আর মাসজিদে খাইফের সন্নিকটে। প্রতি জামরায় সাতটি কঙ্কর বিরামহীনভাবে মারবে এবং প্রতি কঙ্করের সাথে তাকবির দেবে। অতঃপর সামান্য সামনে এগিয়ে গিয়ে সাধ্যমত দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ চেয়ে দো‘আ করবে।
এরপরে মধ্য জমরায় পরপর সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। প্রতি কঙ্করের সাথে তাকবীর দিবে, তারপর বাম দিকে এগিয়ে যাবে এবং কিবলামুখী হয়ে দো‘আ করবে।
অতঃপর বড় জামরায় গিয়ে একইভাবে পরপর প্রতিটি কঙ্করের সাথে তাকবীরসহ সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। এরপরে ফিরে আসবে কিন্তু দো‘আ করবে না। প্রতি জামরায় তারতীব বজায় রাখা ওয়াজিব। প্রথমে ছোট জমরায়, অতঃপর মধ্য জামরায় এরপর বড় জমরায়। এ দিনগুলোতে প্রতি ওয়াক্ত সালাত স্বাভাবিক নিয়মে আদায় করবে। জমা ও কসর করবে না।
১২ ও ১৩ তারিখ পূর্বের দিন যেভাবে কঙ্কর মেরেছে ঠিক সেভাবেই তিন জামরায় কঙ্কর মারবে। যদি দ্রুত মিনা ত্যাগ অর্থাৎ বারো তারিখেই মিনা ত্যাগের ইচ্ছা থাকে তাহলে সেদিন সূর্যাস্তের পূর্বে মিনা থেকে বের হয়ে যেতে হবে। আর যদি তেরো তারিখেও কঙ্কর মারার ইচ্ছা থাকে তবে বারো তারিখ দিবাগত রাত মিনাতেই যাপন করতে হবে। তাড়াহুড়া না করে মিনায় তিনদিন অবস্থান করা উত্তম। স্বাভাবিকভাবে হাজী সাহেবের জন্য এ দু’টি কাজের মধ্যে যে কোনো একটি গ্রহণ করার সুযোগ রয়েছে। তবে যদি মিনায় থাকা অবস্থায় বারো তারিখের সূর্য ডুবে যায় তবে তার ওপর তখন সেখানে অবস্থান করা ওয়াজিব হয়ে যাবে।