১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪৩
কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফায়েদা: ১- তারবিয়ার দিনে করণীয়:
যখন তারবিয়ার দিন আসবে, আর তা হচ্ছে যিল-হজের ৮ম তারিখ, তখন তামাত্তু হজ পালনকারী হাজী, যিনি তাঁর উমরা থেকে হালাল হয়েছিলেন, তিনি যে স্থানে অবস্থান করছেন সে স্থান থেকেই চাশতের সময় ইহরাম বাঁধবেন, অতঃপর উমরার ইহরামের সময় যেসব কাজ করেছেন এখনও সেসব কাজ করবেন, অর্থাৎ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন হবেন, গোসল করবেন, আতর লাগাবেন, ইহরামের কাপড় চাদর ও লুঙ্গি পরিধান করবেন এবং হজের ইহরামের নিয়ত করে বলবেন,
«لبيك اللهم حجاً» [তামাত্তুকারী ইতোপূর্বে উমরার সময় বলেছিল, «لبيك اللهم عمرة أو عمرة متمعا بها إلى الحج» অর্থাৎ তিনি তখন বলেছিলেন, হে আল্লাহ আমি উমরার জন্য হাযির, অথবা হে আল্লাহ আমি উমরার জন্য হাযির যে উমরার সুযোগ নিয়ে আমি হজ করব।]
“হে আল্লাহ, হজ আদায়ের জন্য আমি হাযির”।
ইহরাম বাঁধার সময় শর্ত করে নিবে যে, অসুস্থতা বা ভয়ভীতি কারণে যদি কোনো পারিপার্শ্বিক সমস্যা দেখা দেয় তাহলে সে ইহরাম ভঙ্গ করতে পারবে। [শর্ত করে নিয়ে বাঁধাগ্রস্ত বা অসুস্থ হলে ইহরাম ভেঙ্গে ফেলা জায়েয এবং এর বিনিময়ে তাকে কিছুই দিতে হবে না। আর যদি শর্ত না করে এমতাবস্থায় ইহরাম ভঙ্গ করতে বাধ্য হলে তাকে দম দিতে হবে এবং পরের বছর হজ কাযা করতে হবে।] অতঃপর তালবিয়াহ পাঠ করবে। [উমরার ক্ষেত্রে ইহরাম থেকে শুরু করে তাওয়াফ পর্যন্ত তালবিয়া পাঠ করবে। আর হজের ক্ষেত্রে ইহরাম থেকে শুরু করে ঈদের দিন বড় জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করা পর্যন্ত তালবিয়া অব্যাহত রাখবে।] তামাত্তুকারী যেখানে আছে সেখানে বসেই ইহরাম বাঁধবে, এমনকি মক্কাবাসীরাও মক্কার বাসা থেকেই ইহরাম বাঁধবে। আর কারিন বা মুফরিদ হজকারী হলে সে মিকাত থেকে যে ইহরাম বেঁধেছে সে ইহরাম অবস্থাতেই থাকবে।
২- এরপর সব হাজীরা মিনার উদ্দেশে রওয়ানা হবে। সেখানে গিয়ে যোহর, আসর, মাগরিব, ‘ইশা ও পরেরদিন ফজরের সালাত আদায় করবে। প্রতি সালাত তার সুনির্দিষ্ট সময়েই আদায় করবে। চার রাকা‘আতবিশিষ্ট সালাতগুলো কসর করে পড়বে। যিলহজের নয় তারিখ সূর্যোদয় হওয়ার আগ পর্যন্ত মিনাতেই অবস্থান করবে। মিনাতে রাত যাপন করা সুন্নত। কোনো হাজী সেখানে রাত যাপন করতে না পারে তবে তাকে কোনো কিছু দিতে হবে না।
«لبيك اللهم حجاً» [তামাত্তুকারী ইতোপূর্বে উমরার সময় বলেছিল, «لبيك اللهم عمرة أو عمرة متمعا بها إلى الحج» অর্থাৎ তিনি তখন বলেছিলেন, হে আল্লাহ আমি উমরার জন্য হাযির, অথবা হে আল্লাহ আমি উমরার জন্য হাযির যে উমরার সুযোগ নিয়ে আমি হজ করব।]
“হে আল্লাহ, হজ আদায়ের জন্য আমি হাযির”।
ইহরাম বাঁধার সময় শর্ত করে নিবে যে, অসুস্থতা বা ভয়ভীতি কারণে যদি কোনো পারিপার্শ্বিক সমস্যা দেখা দেয় তাহলে সে ইহরাম ভঙ্গ করতে পারবে। [শর্ত করে নিয়ে বাঁধাগ্রস্ত বা অসুস্থ হলে ইহরাম ভেঙ্গে ফেলা জায়েয এবং এর বিনিময়ে তাকে কিছুই দিতে হবে না। আর যদি শর্ত না করে এমতাবস্থায় ইহরাম ভঙ্গ করতে বাধ্য হলে তাকে দম দিতে হবে এবং পরের বছর হজ কাযা করতে হবে।] অতঃপর তালবিয়াহ পাঠ করবে। [উমরার ক্ষেত্রে ইহরাম থেকে শুরু করে তাওয়াফ পর্যন্ত তালবিয়া পাঠ করবে। আর হজের ক্ষেত্রে ইহরাম থেকে শুরু করে ঈদের দিন বড় জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করা পর্যন্ত তালবিয়া অব্যাহত রাখবে।] তামাত্তুকারী যেখানে আছে সেখানে বসেই ইহরাম বাঁধবে, এমনকি মক্কাবাসীরাও মক্কার বাসা থেকেই ইহরাম বাঁধবে। আর কারিন বা মুফরিদ হজকারী হলে সে মিকাত থেকে যে ইহরাম বেঁধেছে সে ইহরাম অবস্থাতেই থাকবে।
২- এরপর সব হাজীরা মিনার উদ্দেশে রওয়ানা হবে। সেখানে গিয়ে যোহর, আসর, মাগরিব, ‘ইশা ও পরেরদিন ফজরের সালাত আদায় করবে। প্রতি সালাত তার সুনির্দিষ্ট সময়েই আদায় করবে। চার রাকা‘আতবিশিষ্ট সালাতগুলো কসর করে পড়বে। যিলহজের নয় তারিখ সূর্যোদয় হওয়ার আগ পর্যন্ত মিনাতেই অবস্থান করবে। মিনাতে রাত যাপন করা সুন্নত। কোনো হাজী সেখানে রাত যাপন করতে না পারে তবে তাকে কোনো কিছু দিতে হবে না।