১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১২
যেসব ওযরগ্রস্ত ব্যক্তির সাওম ভঙ্গ করা জায়েয ও শুধু ফিদিয়া আদায় ওয়াজিব:
অতিবৃদ্ধ নারী-পুরুষ, এমন অসুস্থ যার সুস্থ হওয়ার আশা নেই এবং যারা এধরণের লোকদের হুকুমের অন্তর্ভুক্ত অর্থাৎ যেসব লোকদের জন্য বছরের সব সময়-ই সাওম পালন করা অতিকষ্টকর তারা সাওম ভঙ্গ করবে এবং প্রতিটি সাওমের পরিবর্তে ফিদিয়া তথা একজন মিসকীনকে এক মুদ্দ পরিমাণ খাদ্যদান করবে। এদের কোনো কাযা নেই। কেননা ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত,
«رُخِّصَ لِلشَّيْخِ الْكَبِيرِ أَنْ يُفْطِرَ، وَيُطْعِمَ عَلَى كُلِّ يَوْمٍ مِسْكِينًا وَلَا قَضَاءَ عَلَيْهِ»
“অতিবয়স্ক লোকের জন্য সাওম ভঙ্গ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তারা প্রতিদিনের সাওমের পরিবর্তে একজন মিসকীনকে খাদ্যদান করবে এবং তার ক্বাযা নেই”। [মুসতাদরাকে হাকিম, হাদীস নং ১৬০৭, ইমাম হাকিম রহ. বলেন, হাদীসটি বুখারীর শর্তে; তবে তিনি বর্ণনা করেন নি। সুনান দারা কুত্বনী, হাদীস নং ২৩৮০। তিনি হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]
«رُخِّصَ لِلشَّيْخِ الْكَبِيرِ أَنْ يُفْطِرَ، وَيُطْعِمَ عَلَى كُلِّ يَوْمٍ مِسْكِينًا وَلَا قَضَاءَ عَلَيْهِ»
“অতিবয়স্ক লোকের জন্য সাওম ভঙ্গ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তারা প্রতিদিনের সাওমের পরিবর্তে একজন মিসকীনকে খাদ্যদান করবে এবং তার ক্বাযা নেই”। [মুসতাদরাকে হাকিম, হাদীস নং ১৬০৭, ইমাম হাকিম রহ. বলেন, হাদীসটি বুখারীর শর্তে; তবে তিনি বর্ণনা করেন নি। সুনান দারা কুত্বনী, হাদীস নং ২৩৮০। তিনি হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।]