১
ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
লেখকঃ কতিপয় ছাত্র • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
গোসলের সুন্নতসমূহ:
১- গোসলের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা। কেননা প্রত্যেক ভালো কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ বলতে হয়।
২- শুরুতে তিনবার করে দু হাত কব্জি পর্যন্ত ধৌত করা।
৩- প্রথমেই লজ্জাস্থান ও এর আশেপাশের অপবিত্রতা ধুয়ে ফেলা।
৪- সালাতের অযুর ন্যায় গোসলের শুরুতে পূর্ণ অযু করা। তবে গোসলকারীর জন্য সুযোগ রয়েছে গোসল শেষ হওয়া পর্যন্ত দু পা দেরী করে ধৌত করার। ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বর্ণিত হাদীসে এসব সুন্নত উল্লেখ আছে। তিনি বলেন,
«كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا اغْتَسَلَ مِنَ الْجَنَابَةِ يَبْدَأُ فَيَغْسِلُ يَدَيْهِ . ثُمَّ يُفْرِغُ بِيَمِينِهِ عَلَى شِمَالِهِ فَيَغْسِلُ فَرْجَهُ . ثُمَّ يَتَوَضَّأُ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ» .
“রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানাবাতের গোসল করতেন, তখন প্রথমে তাঁর দু’হাত ধুয়ে নিতেন। তারপর ডান হাত দিয়ে বাম হাতে পানি ঢেলে লজ্জাস্থান ধৌত করতেন। তারপর সালাতের অযুর মতো অযু করতেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৪৮, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩১৬।]
২- শুরুতে তিনবার করে দু হাত কব্জি পর্যন্ত ধৌত করা।
৩- প্রথমেই লজ্জাস্থান ও এর আশেপাশের অপবিত্রতা ধুয়ে ফেলা।
৪- সালাতের অযুর ন্যায় গোসলের শুরুতে পূর্ণ অযু করা। তবে গোসলকারীর জন্য সুযোগ রয়েছে গোসল শেষ হওয়া পর্যন্ত দু পা দেরী করে ধৌত করার। ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বর্ণিত হাদীসে এসব সুন্নত উল্লেখ আছে। তিনি বলেন,
«كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا اغْتَسَلَ مِنَ الْجَنَابَةِ يَبْدَأُ فَيَغْسِلُ يَدَيْهِ . ثُمَّ يُفْرِغُ بِيَمِينِهِ عَلَى شِمَالِهِ فَيَغْسِلُ فَرْجَهُ . ثُمَّ يَتَوَضَّأُ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ» .
“রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানাবাতের গোসল করতেন, তখন প্রথমে তাঁর দু’হাত ধুয়ে নিতেন। তারপর ডান হাত দিয়ে বাম হাতে পানি ঢেলে লজ্জাস্থান ধৌত করতেন। তারপর সালাতের অযুর মতো অযু করতেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ২৪৮, সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩১৬।]