১
দৈনন্দিন সহীহ দু‘আ ও কুরআন-সুন্নার চিকিৎসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪৭
কুরবানীর দু‘আ :
إِنِّيْ وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِيْ فَطَرَ السَّمٰوَاتِ وَالْاَرْضَ حَنِيْفًا وَمَا أَنَا مِنْ الْمُشْرِكِيْنَ إِنَّ صَلَاتِيْ وَ نُسُكِيْ وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِيْ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ لَا شَرِيْكَ لَه وَبِذٰ لِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِيْنَ بِسْمِ اللهِ اَللهُ أَكْبَرُ اَللّٰهُمَّ مِنْكَ وَلَكَ
উচ্চারণ : ইন্নী ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া লিল্লাযী ফাত্বারাস্সামা-ওয়া-তি ওয়ালআরযা হানীফাও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকীন। ইন্না সালা-তী ওয়া নুসুকী ওয়া মাহ্ইয়া-ইয়া ও মামা-তী লিল্লা-হি রাবিবল ‘আলামীন। লা শারীকা লাহূ ওয়াবিযা-লিকা উমিরতু ওয়াআনা আওওয়ালুল মুসলিমীন। বিসমিল্লা-হি আল্লা-হু আকবার আল্লা-হুম্মা মিনকা ওয়ালাক।
অর্থ : আমি মুসলিম অবস্থায় একনিষ্ঠ হয়ে ঐ সত্তার দিকে আমার মুখ ফিরালাম, যিনি আকাশমন্ডলী এবং পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন। আর আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই। নিশ্চয় আমার সালাত, আমার যাবতীয় কুরবানী, আমার জীবন, আমার মরণ (সবকিছুই) বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্যই (নিবেদিত)। তাঁর কোন শরীক নেই, আমাকে এরই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর আমিই সর্বপ্রথম আত্মসমর্পণকারী। আল্লাহর নামে শুরু করলাম, আল্লাহ মহান, হে আল্লাহ! আপনার পক্ষ থেকে (এ পশু) এবং আপনার জন্য (তা কুরবানী করলাম)। [জাবির ইবনে আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ ﷺ ঈদের দিন দুটি বকরী জবেহ করলেন। যখন তিনি সেগুলোকে জবেহ করার জন্য সামনে গেলেন, তখন এ দু‘আটি পাঠ করলেন। (মুসনাদে আহমাদ, হা/১৫০৬৪; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/২৮৯৯; মুসত্মাদরাকে হাকেম, হা/১৭১৬)]
তওবা ও ইসিত্মগফার
তওবা করার জন্য কিছু শর্ত অনুসরণ করতে হবে। সেগুলো হলো :
১. বর্তমানে যে গোনাহে লিপ্ত রয়েছে, তা অবিলম্বে বর্জন করতে হবে।
২. অতীতে কৃত গোনাহের জন্য আল্লাহর শাস্তিকে ভয় করে অনুতপ্ত হতে হবে।
৩. ভবিষ্যতে আর কখনো উক্ত পাপকাজ না করার সুদৃঢ় অঙ্গীকার করতে হবে।
৪. যেসব ফরজ ও ওয়াজিবের কাযা আদায় করা ওয়াজিব সেগুলোর কাযা আদায় করতে হবে।
৫. তওবাকারীর গোনাহের সাথে যদি বান্দার হক সম্পৃক্ত থাকে, তবে তার মীমাংসা করতে হবে। প্রাপক জীবিত থাকলে তাকে তার হক ফেরত দিতে হবে অথবা মাফ চেয়ে নিতে হবে। প্রাপক জীবিত না থাকলে তার ওয়ারিসদেরকে তা ফেরত দিতে হবে।
৬. কাউকে হাত বা মুখ দিয়ে কষ্ট দিয়ে থাকলে বা গালি দিয়ে থাকলে বা কারো গীবত করে থাকলে যেভাবে সম্ভব তাকে সন্তুষ্ট করে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে।
৭. এসব শর্ত ছাড়াও আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে। আর তা হলো, শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য পাপকাজ ছেড়ে দিতে হবে এবং তাঁর জন্যই তওবা করতে হবে, অন্য কোন উদ্দেশ্যে নয়।
উচ্চারণ : ইন্নী ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া লিল্লাযী ফাত্বারাস্সামা-ওয়া-তি ওয়ালআরযা হানীফাও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকীন। ইন্না সালা-তী ওয়া নুসুকী ওয়া মাহ্ইয়া-ইয়া ও মামা-তী লিল্লা-হি রাবিবল ‘আলামীন। লা শারীকা লাহূ ওয়াবিযা-লিকা উমিরতু ওয়াআনা আওওয়ালুল মুসলিমীন। বিসমিল্লা-হি আল্লা-হু আকবার আল্লা-হুম্মা মিনকা ওয়ালাক।
অর্থ : আমি মুসলিম অবস্থায় একনিষ্ঠ হয়ে ঐ সত্তার দিকে আমার মুখ ফিরালাম, যিনি আকাশমন্ডলী এবং পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন। আর আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই। নিশ্চয় আমার সালাত, আমার যাবতীয় কুরবানী, আমার জীবন, আমার মরণ (সবকিছুই) বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্যই (নিবেদিত)। তাঁর কোন শরীক নেই, আমাকে এরই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর আমিই সর্বপ্রথম আত্মসমর্পণকারী। আল্লাহর নামে শুরু করলাম, আল্লাহ মহান, হে আল্লাহ! আপনার পক্ষ থেকে (এ পশু) এবং আপনার জন্য (তা কুরবানী করলাম)। [জাবির ইবনে আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ ﷺ ঈদের দিন দুটি বকরী জবেহ করলেন। যখন তিনি সেগুলোকে জবেহ করার জন্য সামনে গেলেন, তখন এ দু‘আটি পাঠ করলেন। (মুসনাদে আহমাদ, হা/১৫০৬৪; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/২৮৯৯; মুসত্মাদরাকে হাকেম, হা/১৭১৬)]
তওবা ও ইসিত্মগফার
তওবা করার জন্য কিছু শর্ত অনুসরণ করতে হবে। সেগুলো হলো :
১. বর্তমানে যে গোনাহে লিপ্ত রয়েছে, তা অবিলম্বে বর্জন করতে হবে।
২. অতীতে কৃত গোনাহের জন্য আল্লাহর শাস্তিকে ভয় করে অনুতপ্ত হতে হবে।
৩. ভবিষ্যতে আর কখনো উক্ত পাপকাজ না করার সুদৃঢ় অঙ্গীকার করতে হবে।
৪. যেসব ফরজ ও ওয়াজিবের কাযা আদায় করা ওয়াজিব সেগুলোর কাযা আদায় করতে হবে।
৫. তওবাকারীর গোনাহের সাথে যদি বান্দার হক সম্পৃক্ত থাকে, তবে তার মীমাংসা করতে হবে। প্রাপক জীবিত থাকলে তাকে তার হক ফেরত দিতে হবে অথবা মাফ চেয়ে নিতে হবে। প্রাপক জীবিত না থাকলে তার ওয়ারিসদেরকে তা ফেরত দিতে হবে।
৬. কাউকে হাত বা মুখ দিয়ে কষ্ট দিয়ে থাকলে বা গালি দিয়ে থাকলে বা কারো গীবত করে থাকলে যেভাবে সম্ভব তাকে সন্তুষ্ট করে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে।
৭. এসব শর্ত ছাড়াও আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে। আর তা হলো, শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য পাপকাজ ছেড়ে দিতে হবে এবং তাঁর জন্যই তওবা করতে হবে, অন্য কোন উদ্দেশ্যে নয়।