১
দৈনন্দিন সহীহ দু‘আ ও কুরআন-সুন্নার চিকিৎসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭
সালাত সংক্রান্ত দু‘আসমূহ তাকবীরে তাহরীমা বা সালাত শুরুর তাকবীর :
اَللهُ اَكْبَرُ
উচ্চারণ : আল্লা-হু আকবার।
অর্থ : আল্লাহ সবচেয়ে বড়। [আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, সালাতের চাবি হলো পবিত্রতা, এর তাকবীর পার্থিব যাবতীয় কাজকে হারাম করে এবং সালাম যাবতীয় কর্মকে হালাল করে দেয়। (আবু দাঊদ, হা/৬১; তিরমিযী, হা/৩; ইবনে মাজাহ, হা/২৭৫; মিশকাত, হা/৩১২)]
সানা :
(১) اَللّٰهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِيْ وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَّ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ ‐ اَللّٰهُمَّ نَقِّنِيْ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْاَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ ‐ اَللّٰهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَايَ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা বা-‘ইদ বাইনী ওয়া বাইনা খাত্বা-ইয়া-ইয়া কামা বা-‘আত্তা বাইনাল মাশরিক্বি ওয়াল মাগরিব। আল্লা-হুম্মা নাক্বক্বিনী মিনাল খাত্বা-ইয়া কামা ইয়ুনাক্বক্বাছ ছাওবুল আব্ইয়াযু মিনাদ দানাস। আল্লা-হুম্মাগ্সিল খাত্বা-ইয়া-ইয়া বিলমা-ই ওয়াছ্ছালজি ওয়াল বারাদ।
অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি আমার এবং আমার গোনাহগুলোর মধ্যে এমন ব্যবধান সৃষ্টি করে দিন, যেরূপ ব্যবধান সৃষ্টি করেছেন পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে এমনভাবে পাপমুক্ত করুন, যেভাবে সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার করা হয়। হে আল্লাহ! আপনি আমার পাপসমূহ পানি, বরফ ও শিশির দ্বারা ধৌত করে দিন। [আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ সালাতে তাকবীরে তাহ্রীমা এবং কুরআন তিলাওয়াতের মধ্যখানে অল্প কিছুক্ষণ নীরব থাকতেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার প্রতি আমার মা-বাবা কুরবান হোক! তাকবীরে তাহ্রীমা এবং কুরআন তিলাওয়াতের মধ্যখানে কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থাকার সময় আপনি কী পড়েন? জবাবে তিনি বলেন, তখন আমি এ দু‘আটি পড়ে থাকি। (সহীহ বুখারী, হা/৭৪৪; সহীহ মুসলিম, হা/ ১৩৮২)]
(২) سُبْحَانَكَ اَللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالٰى جَدُّكَ وَلَا اِلٰهَ غَيْرُكَ
উচ্চারণ : সুবহা-নাকা আল্লা-হুম্মা ওয়াবিহামদিকা ওয়া তাবা-রাকাসমুকা, ওয়াতা‘আ-লা জাদ্দুকা ওয়ালা ইলা-হা গাইরুক।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমরা আপনার প্রশংসার সাথে আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। আপনার নাম বড়ই বরকতময়, আপনার মর্যাদা সকলের উপর। আপনি ছাড়া আর কোন মাবুদ নেই। [আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ সালাত শুরুর পর এই দু‘আটি পাঠ করতেন। (তিরমিযী, হা/২৪২-৪৩; আবু দাঊদ, হা/৭৭৫-৭৬; নাসাঈ, হা/৯০০; দার কুতনী, হা/১১৪০; মিশকাত, হা/৮১৫, ১২১৭)]
উচ্চারণ : আল্লা-হু আকবার।
অর্থ : আল্লাহ সবচেয়ে বড়। [আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, সালাতের চাবি হলো পবিত্রতা, এর তাকবীর পার্থিব যাবতীয় কাজকে হারাম করে এবং সালাম যাবতীয় কর্মকে হালাল করে দেয়। (আবু দাঊদ, হা/৬১; তিরমিযী, হা/৩; ইবনে মাজাহ, হা/২৭৫; মিশকাত, হা/৩১২)]
সানা :
(১) اَللّٰهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِيْ وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَّ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ ‐ اَللّٰهُمَّ نَقِّنِيْ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْاَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ ‐ اَللّٰهُمَّ اغْسِلْ خَطَايَايَ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা বা-‘ইদ বাইনী ওয়া বাইনা খাত্বা-ইয়া-ইয়া কামা বা-‘আত্তা বাইনাল মাশরিক্বি ওয়াল মাগরিব। আল্লা-হুম্মা নাক্বক্বিনী মিনাল খাত্বা-ইয়া কামা ইয়ুনাক্বক্বাছ ছাওবুল আব্ইয়াযু মিনাদ দানাস। আল্লা-হুম্মাগ্সিল খাত্বা-ইয়া-ইয়া বিলমা-ই ওয়াছ্ছালজি ওয়াল বারাদ।
অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি আমার এবং আমার গোনাহগুলোর মধ্যে এমন ব্যবধান সৃষ্টি করে দিন, যেরূপ ব্যবধান সৃষ্টি করেছেন পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে এমনভাবে পাপমুক্ত করুন, যেভাবে সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার করা হয়। হে আল্লাহ! আপনি আমার পাপসমূহ পানি, বরফ ও শিশির দ্বারা ধৌত করে দিন। [আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ সালাতে তাকবীরে তাহ্রীমা এবং কুরআন তিলাওয়াতের মধ্যখানে অল্প কিছুক্ষণ নীরব থাকতেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার প্রতি আমার মা-বাবা কুরবান হোক! তাকবীরে তাহ্রীমা এবং কুরআন তিলাওয়াতের মধ্যখানে কিছুক্ষণ নিশ্চুপ থাকার সময় আপনি কী পড়েন? জবাবে তিনি বলেন, তখন আমি এ দু‘আটি পড়ে থাকি। (সহীহ বুখারী, হা/৭৪৪; সহীহ মুসলিম, হা/ ১৩৮২)]
(২) سُبْحَانَكَ اَللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالٰى جَدُّكَ وَلَا اِلٰهَ غَيْرُكَ
উচ্চারণ : সুবহা-নাকা আল্লা-হুম্মা ওয়াবিহামদিকা ওয়া তাবা-রাকাসমুকা, ওয়াতা‘আ-লা জাদ্দুকা ওয়ালা ইলা-হা গাইরুক।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমরা আপনার প্রশংসার সাথে আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। আপনার নাম বড়ই বরকতময়, আপনার মর্যাদা সকলের উপর। আপনি ছাড়া আর কোন মাবুদ নেই। [আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ সালাত শুরুর পর এই দু‘আটি পাঠ করতেন। (তিরমিযী, হা/২৪২-৪৩; আবু দাঊদ, হা/৭৭৫-৭৬; নাসাঈ, হা/৯০০; দার কুতনী, হা/১১৪০; মিশকাত, হা/৮১৫, ১২১৭)]