১
দৈনন্দিন সহীহ দু‘আ ও কুরআন-সুন্নার চিকিৎসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫৯
কতিপয় আয়াতের জবাব :
(১) ইবনে আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী ﷺ যখন এ আয়াত পাঠ করতেন - ﴿سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْاَعْلٰى﴾ সাবিবহিসমা রাবিবকাল আ‘লা। ‘‘তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ করো।’’ তখন এ দু‘আটি পাঠ করতেন-
سُبْحَانَ رَبِّىَ الْاَعْلٰى
উচ্চারণ : সুবহা-না রাবিবইয়াল আ‘লা।
অর্থ : আমার মহান রবের পবিত্রতা বর্ণনা করছি। [আবু দাঊদ, হা/৮৮৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/২০৬৬; মিশকাত, হা/৮৫৯।]
(২) মূসা ইবনে আবু আয়েশা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি তার ঘরের ছাদের উপর সালাত আদায় করছিলেন। সে যখন এ আয়াত পাঠ করছিলেন, ﴿أَلَيْسَ ذٰلِكَ بِقَادِرٍ عَلٰۤى أَنْ يُّحْيِيَ الْمَوْتٰى﴾ (আলাইসা যা-লিকা বিক্বা-দিরিন ‘আলা আই ইউহ্য়িয়াল মাওতা) অর্থাৎ আল্লাহ কি মৃতকে জীবিত করতে সক্ষম নন? তখন এ দু‘আ পাঠ করছিলেন-
سُبْحَانَكَ فَبَلٰى
উচ্চারণ : সুবহা-নাকা ফাবালা।
অর্থ : আমি তোমার পবিত্রতা সহকারে বলছি, হ্যাঁ।
পরে লোকেরা তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, এটা আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে শুনেছি। [আবু দাঊদ, হা/৮৮৪; শারহুস সুন্নাহ, হা/৬২৪।]
(৩) জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ ﷺ (সালাত পড়ানোর জন্য) সাহাবীদের নিকট গেলেন। অতঃপর সূরা আর-রাহমান শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠ করলেন। তখন সাহাবীগণ নীরব ছিলেন। (সালাত শেষে) তিনি বললেন, যে রাত্রে আমার নিকট জিনের দল আসে, সে রাত্রে আমি উক্ত সূরা পাঠ করলে ওরা সুন্দর জবাব দিচ্ছিল। যখনই আমি পাঠ করছিলাম, ﴿فَبِأَيِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ﴾ ‘‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে’’? তখন তারাও এর জবাবে বলছিল,
لَا بِشَئٍ مِّنْ نِّعْمَةٍ رَبَّنَا نُكَذِّبُ، فَلَكَ الْحَمْدُ
উচ্চারণ : লা বিশায়ইম মিন নি‘মাতিন রাববানা নুকাযযিবু, ফালাকাল হামদ।
অর্থ : তোমার নিয়ামতসমূহের কোন কিছুকেই আমরা অস্বীকার করি না, হে আমাদের প্রতিপালক! অতএব সমসত্ম প্রশংসা আপনারই জন্য। [তিরমিযী, হা/৩২৯১; মুসনাদুল বাযযার, হা/৫৮৫৩; সিলসিলা সহীহাহ, হা/২১৫০; মিশকাত, হা/৮৬১।]
سُبْحَانَ رَبِّىَ الْاَعْلٰى
উচ্চারণ : সুবহা-না রাবিবইয়াল আ‘লা।
অর্থ : আমার মহান রবের পবিত্রতা বর্ণনা করছি। [আবু দাঊদ, হা/৮৮৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/২০৬৬; মিশকাত, হা/৮৫৯।]
(২) মূসা ইবনে আবু আয়েশা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি তার ঘরের ছাদের উপর সালাত আদায় করছিলেন। সে যখন এ আয়াত পাঠ করছিলেন, ﴿أَلَيْسَ ذٰلِكَ بِقَادِرٍ عَلٰۤى أَنْ يُّحْيِيَ الْمَوْتٰى﴾ (আলাইসা যা-লিকা বিক্বা-দিরিন ‘আলা আই ইউহ্য়িয়াল মাওতা) অর্থাৎ আল্লাহ কি মৃতকে জীবিত করতে সক্ষম নন? তখন এ দু‘আ পাঠ করছিলেন-
سُبْحَانَكَ فَبَلٰى
উচ্চারণ : সুবহা-নাকা ফাবালা।
অর্থ : আমি তোমার পবিত্রতা সহকারে বলছি, হ্যাঁ।
পরে লোকেরা তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, এটা আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে শুনেছি। [আবু দাঊদ, হা/৮৮৪; শারহুস সুন্নাহ, হা/৬২৪।]
(৩) জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ ﷺ (সালাত পড়ানোর জন্য) সাহাবীদের নিকট গেলেন। অতঃপর সূরা আর-রাহমান শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠ করলেন। তখন সাহাবীগণ নীরব ছিলেন। (সালাত শেষে) তিনি বললেন, যে রাত্রে আমার নিকট জিনের দল আসে, সে রাত্রে আমি উক্ত সূরা পাঠ করলে ওরা সুন্দর জবাব দিচ্ছিল। যখনই আমি পাঠ করছিলাম, ﴿فَبِأَيِّ اٰلَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ﴾ ‘‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবে’’? তখন তারাও এর জবাবে বলছিল,
لَا بِشَئٍ مِّنْ نِّعْمَةٍ رَبَّنَا نُكَذِّبُ، فَلَكَ الْحَمْدُ
উচ্চারণ : লা বিশায়ইম মিন নি‘মাতিন রাববানা নুকাযযিবু, ফালাকাল হামদ।
অর্থ : তোমার নিয়ামতসমূহের কোন কিছুকেই আমরা অস্বীকার করি না, হে আমাদের প্রতিপালক! অতএব সমসত্ম প্রশংসা আপনারই জন্য। [তিরমিযী, হা/৩২৯১; মুসনাদুল বাযযার, হা/৫৮৫৩; সিলসিলা সহীহাহ, হা/২১৫০; মিশকাত, হা/৮৬১।]