১
দৈনন্দিন সহীহ দু‘আ ও কুরআন-সুন্নার চিকিৎসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৬
দু‘আ কুনূত
(১) اَللّٰهُمَّ اهْدِنِيْ فِيْمَنْ هَدَيْتَ ‐ وَعَافِنِيْ فِيْمَنْ عَافَيْتَ ‐ وَتَوَلَّنِيْ فِيْمَنْ تَوَلَّيْتَ ‐ وَبَارِكْ لِيْ فِيْمَا أعْطَيْتَ ‐ وَقِنِيْ شَرَّ مَا قَضَيْتَ ‐ إنَّكَ تَقْضِيْ وَلَا يُقْضٰى عَلَيْكَ ‐ وَإنَّه لَا يَذِلُّ مَنْ وَّالَيْتَ ‐ وَلَا يَعِزُّ مَنْ عَادَيْتَ ‐ تَبَارَكْتَ رَبَّنَا وَتَعَالَيْتَ ‐ نَسْتَغْفِرُكَ وَ نَتُوْبُ اِلَيْكَ ‐ وَ صَلَّى اللهُ عَلَى النَّبِىِّ
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাহ্দিনী ফীমান হাদাইত, ওয়া ‘আফিনী ফীমান্ ‘আ-ফাইত, ওয়া তাওয়াল্লানী ফীমান তাওয়াল্লাইত, ওয়া বা-রিক্লী ফীমা আ‘ত্বাইত, ওয়াক্বিনী শার্রা মা ক্বাযাইত, ইন্নাকা তাক্যী ওয়ালা ইয়ুক্যা ‘আলাইক, ওয়া ইন্নাহূ লা ইয়াযিল্লু মাও ওয়া-লাইত, ওয়ালা ইয়া‘ইয্যু মান ‘আ-দাইত, তাবা-রাকতা রাববানা ওয়া তা‘আ-লাইত, নাসতাগফিরুকা ওয়ানাতূবু ইলাইক, ওয়া সাল্লাল্লা-হু ‘আলান নাবিয়্যি।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়াত দান করুন, যাদেরকে হেদায়াত দান করেছেন তাদের সাথে মিলিয়ে। আমাকে নিরাপত্তা দিন, যাদেরকে নিরাপত্তা দিয়েছেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করে। আর আমাকে সাহায্য করুন, যাদেরকে সাহায্য করেছেন তাদের সাথে মিলিয়ে। আমাকে যা কিছু দান করেছেন তার মধ্যে বরকত দিন। আর আমাকে রক্ষা করুন আপনার ফায়সালাকৃত অমঙ্গল থেকে। নিশ্চয় আপনার আইনই চূড়ান্ত, আপনার উপর কারো নির্দেশ কর্যকর হয় না। আপনি যার সহায় সে কখনো অপমানিত হয় না। আর আপনি যাকে ত্যাগ করেন সে কখনো সম্মান পায় না। হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি বরকতময়, আপনি মহান, আমরা আপনার কাছেই ক্ষমা চাই। আর আমরা আপনার দিকেই ফিরে আসি, আল্লাহ নবীর প্রতি রহমত নাযিল করুন। [হাসান ইবনে আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে এ কয়েকটি বাক্য শিখিয়েছেন- যা আমি বিতরের কুনূতে পাঠ করি। (আবু দাঊদ, হা/১৪২৭; নাসাঈ, হা/১৭৪৫; ইবনে মাজাহ, হা/১১৭৮)]
(২) اَللّٰهُمَّ إنَّا نَسْتَعِيْنُكَ وَ نَسْتَغْفِرُكَ وَ نُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِىْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلَانَكْفُرُكَ وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَّفْجُرُكَ- اَللّٰهُمَّ إيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّىْ وَنَسْجُدُ وَإلَيْكَ نَسْعٰى وَنَحْفِدُ وَنَرْجُوْا رَحْمَتَكَ وَنَخْشٰى عَذَابَكَ إنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্না নাস্তা‘ইনুকা, ওয়া নাস্তাগ্ফিরুকা, ওয়া নু’মিনু বিকা, ওয়া নাতা ওয়াক্কালু ‘আলাইকা, ওয়া নুছ্নী ‘আলাইকাল খাইর, ওয়া নাশকুরুকা, ওয়ালা নাক্ফুরুকা, ওয়া নাখলাউ ওয়া নাত্রুকু মাইয়াফজুরুকা, আল্লা-হুম্মা ইয়্যাকা না‘বুদু ওয়ালাকা নুসাল্লী, ওয়ানাস্জুদু ওয়া ইলাইকা নাস্‘আ, ওয়া নাহ্ফিদু ওয়া নার্জূ রাহমাতাকা ওয়া নাখ্শা ‘আযা-বাকা, ইন্না ‘আযা-বাকা বিল্কুফ্ফা-রি মুলহিক্ব।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমরা আপনার সাহায্য চাই, আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর আপনার প্রতি ঈমান রাখি, আপনার উপর ভরসা করি, আর আপনার উত্তম গুণগান বর্ণনা করি, আপনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি এবং আপনার অকৃজ্ঞতা প্রকাশ করি না। যে আপনার নাফরমানী করে (গোনাহের কাজ করে) আমরা তাকে ত্যাগ করি ও বর্জন করে চলি। হে আল্লাহ! আমরা কেবল আপনারই ইবাদাত করি, আপনার জন্যই সালাত পড়ি, আপনাকেই সিজদা করি এবং আপনার সন্তুষ্টি তালাশের জন্য দ্রুত অগ্রসর হই। আর আমরা আপনার রহমতের আশা রাখি এবং আপনার আযাবকে ভয় করি, নিশ্চয় আপনার আযাব কাফিরদের জন্য অবধারিত। [মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হা/৪৯৭০; তাহযীবুল আছার, হা/২৬৪৯; বায়হাকী, হা/২৯৬১; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হা/৭১০০; শারহু মা‘আনিল আছার, হা/১৪৭৫; ।]
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাহ্দিনী ফীমান হাদাইত, ওয়া ‘আফিনী ফীমান্ ‘আ-ফাইত, ওয়া তাওয়াল্লানী ফীমান তাওয়াল্লাইত, ওয়া বা-রিক্লী ফীমা আ‘ত্বাইত, ওয়াক্বিনী শার্রা মা ক্বাযাইত, ইন্নাকা তাক্যী ওয়ালা ইয়ুক্যা ‘আলাইক, ওয়া ইন্নাহূ লা ইয়াযিল্লু মাও ওয়া-লাইত, ওয়ালা ইয়া‘ইয্যু মান ‘আ-দাইত, তাবা-রাকতা রাববানা ওয়া তা‘আ-লাইত, নাসতাগফিরুকা ওয়ানাতূবু ইলাইক, ওয়া সাল্লাল্লা-হু ‘আলান নাবিয়্যি।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমাকে হেদায়াত দান করুন, যাদেরকে হেদায়াত দান করেছেন তাদের সাথে মিলিয়ে। আমাকে নিরাপত্তা দিন, যাদেরকে নিরাপত্তা দিয়েছেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করে। আর আমাকে সাহায্য করুন, যাদেরকে সাহায্য করেছেন তাদের সাথে মিলিয়ে। আমাকে যা কিছু দান করেছেন তার মধ্যে বরকত দিন। আর আমাকে রক্ষা করুন আপনার ফায়সালাকৃত অমঙ্গল থেকে। নিশ্চয় আপনার আইনই চূড়ান্ত, আপনার উপর কারো নির্দেশ কর্যকর হয় না। আপনি যার সহায় সে কখনো অপমানিত হয় না। আর আপনি যাকে ত্যাগ করেন সে কখনো সম্মান পায় না। হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি বরকতময়, আপনি মহান, আমরা আপনার কাছেই ক্ষমা চাই। আর আমরা আপনার দিকেই ফিরে আসি, আল্লাহ নবীর প্রতি রহমত নাযিল করুন। [হাসান ইবনে আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাকে এ কয়েকটি বাক্য শিখিয়েছেন- যা আমি বিতরের কুনূতে পাঠ করি। (আবু দাঊদ, হা/১৪২৭; নাসাঈ, হা/১৭৪৫; ইবনে মাজাহ, হা/১১৭৮)]
(২) اَللّٰهُمَّ إنَّا نَسْتَعِيْنُكَ وَ نَسْتَغْفِرُكَ وَ نُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِىْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلَانَكْفُرُكَ وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَّفْجُرُكَ- اَللّٰهُمَّ إيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّىْ وَنَسْجُدُ وَإلَيْكَ نَسْعٰى وَنَحْفِدُ وَنَرْجُوْا رَحْمَتَكَ وَنَخْشٰى عَذَابَكَ إنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্না নাস্তা‘ইনুকা, ওয়া নাস্তাগ্ফিরুকা, ওয়া নু’মিনু বিকা, ওয়া নাতা ওয়াক্কালু ‘আলাইকা, ওয়া নুছ্নী ‘আলাইকাল খাইর, ওয়া নাশকুরুকা, ওয়ালা নাক্ফুরুকা, ওয়া নাখলাউ ওয়া নাত্রুকু মাইয়াফজুরুকা, আল্লা-হুম্মা ইয়্যাকা না‘বুদু ওয়ালাকা নুসাল্লী, ওয়ানাস্জুদু ওয়া ইলাইকা নাস্‘আ, ওয়া নাহ্ফিদু ওয়া নার্জূ রাহমাতাকা ওয়া নাখ্শা ‘আযা-বাকা, ইন্না ‘আযা-বাকা বিল্কুফ্ফা-রি মুলহিক্ব।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমরা আপনার সাহায্য চাই, আপনার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর আপনার প্রতি ঈমান রাখি, আপনার উপর ভরসা করি, আর আপনার উত্তম গুণগান বর্ণনা করি, আপনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি এবং আপনার অকৃজ্ঞতা প্রকাশ করি না। যে আপনার নাফরমানী করে (গোনাহের কাজ করে) আমরা তাকে ত্যাগ করি ও বর্জন করে চলি। হে আল্লাহ! আমরা কেবল আপনারই ইবাদাত করি, আপনার জন্যই সালাত পড়ি, আপনাকেই সিজদা করি এবং আপনার সন্তুষ্টি তালাশের জন্য দ্রুত অগ্রসর হই। আর আমরা আপনার রহমতের আশা রাখি এবং আপনার আযাবকে ভয় করি, নিশ্চয় আপনার আযাব কাফিরদের জন্য অবধারিত। [মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হা/৪৯৭০; তাহযীবুল আছার, হা/২৬৪৯; বায়হাকী, হা/২৯৬১; মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হা/৭১০০; শারহু মা‘আনিল আছার, হা/১৪৭৫; ।]