১
দৈনন্দিন সহীহ দু‘আ ও কুরআন-সুন্নার চিকিৎসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২১১
বৃষ্টির পানি দ্বারা চিকিৎসা
বৃষ্টির পানি আল্লাহর রহমতের পানি। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে,
﴿وَنَزَّلْنَا مِنَ السَّمَآءِ مَآءً مُّبَارَكًا﴾
আর আমি আসমান থেকে বরকতময় পানি নাযিল করেছি। (সূরা ক্বাফ- ৯)
এ আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বৃষ্টির পানিকে একটি অনুগ্রহ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এজন্য রাসূলুল্লাহ ﷺ বৃষ্টির পানি শরীরে মাখতেন। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে,
عَنْ أَنَسٍ قَالَ : قَالَ أَنَسٌ أَصَابَنَا وَنَحْنُ مَعَ رَسُوْلِ اللهِ - - مَطَرٌ قَالَ فَحَسَرَ رَسُوْلُ اللهِ - - ثَوْبَه حَتّٰى أَصَابَه مِنَ الْمَطَرِ . فَقُلْنَا يَا رَسُوْلَ اللهِ لِمَ صَنَعْتَ هٰذَا قَالَ : لِاَنَّه حَدِيْثُ عَهْدٍ بِرَبِّه تَعَالٰى
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সঙ্গে ছিলাম। হঠাৎ আমাদের গায়ে বৃষ্টির পানি পড়তে লাগল। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ হাত থেকে কাপড় গুটিয়ে ফেললেন, যাতে বৃষ্টির পানি গায়ে লাগে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এই কাজটি কেন করলেন? রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, যেহেতু এটি আমার রবের কাছ থেকে সদ্য আগমন করেছে। [সহীহ মুসলিম, হা/২১২০; আবু দাঊদ, হা/৫১০২; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২৩৮৮, ১৩৮৪৭, ৬১৩৫; মুসত্মাদরাকে হাকেম, হা/৭৭৬৮; মিশকাত, হা/১৫০১।]
স্বাস্থ্য রক্ষার ব্যাপারে আহারের পরেই পানীয়ের স্থান গুরুত্বপূর্ণ। মানব দেহের ওজনের ৭২% পানি। ২০% হাড় এবং মাংসপেশী। বাকি ৮% নানা রকম ভিটামিন এবং মিনারেল। শরীরে পানির প্রভাব অপরিসীম। পানি যেমন রোগ বহন করতে পারে, তেমনি রোগ তাড়িয়েও দিতে পারে। তাই বলা হয় পানির আরেক নাম জীবন।
রক্তে যখন পানির পরিমাণ কম হয়ে যায়, তখন তা স্বংক্রিয়ভাবে শরীরের অন্যান্য অর্গান থেকে পানি শুষে নিয়ে তার স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু রাখে। এটা যখন ঘটে তখন অন্য অর্গানগুলোতে পানি স্বল্পতা দেখা দেয় এবং সেগুলোর নিজস্ব কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। পক্ষামত্মরে বেশি বেশি পানি পান করলে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
দিন রাত ২৪ ঘণ্টায় শরীর থেকে ২.২৫ লিটার পানি মলমূত্র, ঘাম এবং নিঃশ্বাসের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। অতএব শরীরের কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনার জন্য প্রতিটি মানুষের বেশি বেশি পানি পান করা উচিত।
শরীরে পানির পরিমাণ স্বাভাবিক লেভেল থেকে কমে গেলে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নির্ধারিত লেভেল থেকে শতকরা ৫ ভাগ পানি শরীর থেকে কমে গেলে, বেশির ভাগ মানুষই শরীরের শতকরা ৩০ ভাগ কর্মশক্তি হারায়। শরীরে পানি স্বল্পতা দেখা দিলে কয়েকটি চিহ্নের মাধ্যমে তা বুঝা যায়। যেমন- পিপাসা লাগা, মুখ ও জিহবা শুকিয়ে যাওয়া, প্রস্রাবের রং হলুদ অথবা লাল হয়ে যাওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, চামড়া শুষ্ক ও ঢিলেঢালা হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
বেশির ভাগ মানুষ প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি পান করে না। ফলে পানি স্বল্পতার কারণে শরীরের আভ্যমত্মরীণ স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে। এই ধরনের পানি শূন্যতা ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকলে অনেক রোগ সৃষ্টি হতে পারে।
﴿وَنَزَّلْنَا مِنَ السَّمَآءِ مَآءً مُّبَارَكًا﴾
আর আমি আসমান থেকে বরকতময় পানি নাযিল করেছি। (সূরা ক্বাফ- ৯)
এ আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বৃষ্টির পানিকে একটি অনুগ্রহ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এজন্য রাসূলুল্লাহ ﷺ বৃষ্টির পানি শরীরে মাখতেন। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে,
عَنْ أَنَسٍ قَالَ : قَالَ أَنَسٌ أَصَابَنَا وَنَحْنُ مَعَ رَسُوْلِ اللهِ - - مَطَرٌ قَالَ فَحَسَرَ رَسُوْلُ اللهِ - - ثَوْبَه حَتّٰى أَصَابَه مِنَ الْمَطَرِ . فَقُلْنَا يَا رَسُوْلَ اللهِ لِمَ صَنَعْتَ هٰذَا قَالَ : لِاَنَّه حَدِيْثُ عَهْدٍ بِرَبِّه تَعَالٰى
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সঙ্গে ছিলাম। হঠাৎ আমাদের গায়ে বৃষ্টির পানি পড়তে লাগল। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ হাত থেকে কাপড় গুটিয়ে ফেললেন, যাতে বৃষ্টির পানি গায়ে লাগে। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এই কাজটি কেন করলেন? রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, যেহেতু এটি আমার রবের কাছ থেকে সদ্য আগমন করেছে। [সহীহ মুসলিম, হা/২১২০; আবু দাঊদ, হা/৫১০২; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২৩৮৮, ১৩৮৪৭, ৬১৩৫; মুসত্মাদরাকে হাকেম, হা/৭৭৬৮; মিশকাত, হা/১৫০১।]
স্বাস্থ্য রক্ষার ব্যাপারে আহারের পরেই পানীয়ের স্থান গুরুত্বপূর্ণ। মানব দেহের ওজনের ৭২% পানি। ২০% হাড় এবং মাংসপেশী। বাকি ৮% নানা রকম ভিটামিন এবং মিনারেল। শরীরে পানির প্রভাব অপরিসীম। পানি যেমন রোগ বহন করতে পারে, তেমনি রোগ তাড়িয়েও দিতে পারে। তাই বলা হয় পানির আরেক নাম জীবন।
রক্তে যখন পানির পরিমাণ কম হয়ে যায়, তখন তা স্বংক্রিয়ভাবে শরীরের অন্যান্য অর্গান থেকে পানি শুষে নিয়ে তার স্বাভাবিক কার্যক্রম চালু রাখে। এটা যখন ঘটে তখন অন্য অর্গানগুলোতে পানি স্বল্পতা দেখা দেয় এবং সেগুলোর নিজস্ব কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। পক্ষামত্মরে বেশি বেশি পানি পান করলে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
দিন রাত ২৪ ঘণ্টায় শরীর থেকে ২.২৫ লিটার পানি মলমূত্র, ঘাম এবং নিঃশ্বাসের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। অতএব শরীরের কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনার জন্য প্রতিটি মানুষের বেশি বেশি পানি পান করা উচিত।
শরীরে পানির পরিমাণ স্বাভাবিক লেভেল থেকে কমে গেলে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নির্ধারিত লেভেল থেকে শতকরা ৫ ভাগ পানি শরীর থেকে কমে গেলে, বেশির ভাগ মানুষই শরীরের শতকরা ৩০ ভাগ কর্মশক্তি হারায়। শরীরে পানি স্বল্পতা দেখা দিলে কয়েকটি চিহ্নের মাধ্যমে তা বুঝা যায়। যেমন- পিপাসা লাগা, মুখ ও জিহবা শুকিয়ে যাওয়া, প্রস্রাবের রং হলুদ অথবা লাল হয়ে যাওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, চামড়া শুষ্ক ও ঢিলেঢালা হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।
বেশির ভাগ মানুষ প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি পান করে না। ফলে পানি স্বল্পতার কারণে শরীরের আভ্যমত্মরীণ স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে। এই ধরনের পানি শূন্যতা ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকলে অনেক রোগ সৃষ্টি হতে পারে।