১
দৈনন্দিন সহীহ দু‘আ ও কুরআন-সুন্নার চিকিৎসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
যাদের দু‘আ কবুল হয়
عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ -- : ثَلَاثَةٌ لَا تُرَدُّ دَعْوَتُهُمُ الصَّائِمُ حَتّٰى يُفْطِرَ وَالْإِمَامُ الْعَادِلُ وَدَعْوَةُ الْمَظْلُوْمِ يَرْفَعُهَا اللهُ فَوْقَ الْغَمَامِ وَيَفْتَحُ لَهَا أَبْوَابَ السَّمَاءِ وَيَقُوْلُ الرَّبُّ وَعِزَّتِى لَأَنْصُرَنَّكَ وَلَوْ بَعْدَ حِيْنٍ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, তিন শ্রেণির লোকের দু‘আ ফেরত দেয়া হয় না : ১. সিয়াম পালনকারী যতক্ষণ পর্যন্ত না সে ইফতার করে, ২. ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ, ৩. মযলুম ব্যক্তি।
এই তিন ব্যক্তির দু‘আ আল্লাহ তা‘আলা মেঘের উপর উঠিয়ে নেন এবং এর জন্য আকাশের দরজা খুলে দেন। আল্লাহ তা‘আলা তার ইজ্জতের কসম খেয়ে বলেন, আমি অবশ্যই তোমাকে সাহায্য করব- যদিও দেরিতে হয়। [তিরমিযী, হা/৩৯৪৭; ইবনে মাজাহ, হা/১৭৫২; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮০৩০; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৯০১; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৮৩৮৭।]
৮ তিরমিযী, হা/৩৯৪৭; ইবনে মাজাহ, হা/১৭৫২; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮০৩০; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৯০১; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৮৩৮৭।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
ثَلَاثُ دَعْوَاتٍ مُسْتَجَابَاتٌ لَا شَكَّ فِيْهِنَّ : دَعْوَةُ الْوَالِدِ وَدَعْوَةُ الْمُسَافِرِ وَدَعْوَةُ الْمَظْلُوْمِ
তিনটি দু‘আ কবুল হয়ে থাকে, এতে কোন সন্দেহ নেই। সেগুলো হলো : ১. সন্তানের জন্য মাতাপিতার দু‘আ, ২. মুসাফিরের দু‘আ, ৩. মযলুম ব্যক্তির দু‘আ। [তিরমিযী, হা/১৯০৫; আবু দাঊদ, হা/১৫৩৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭৫০১; আদাবুল মুফরাদ, হা/৪৮১; সহীহ ইবনে হিববান, হা/২৬৯৯; জামেউস সগীর, হা/৫৩৪২; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৩১৩২; মিশকাত, হা/২২৫০।]
৯ তিরমিযী, হা/১৯০৫; আবু দাঊদ, হা/১৫৩৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭৫০১; আদাবুল মুফরাদ, হা/৪৮১; সহীহ ইবনে হিববান, হা/২৬৯৯; জামেউস সগীর, হা/৫৩৪২; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৩১৩২; মিশকাত, হা/২২৫০।
উপরোক্ত হাদীসদ্বয়ে মাধ্যমে সর্বমোট পাঁচ ধরনের ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যাদের দু‘আ আল্লাহ তা‘আলা কবুল করেন। সেগুলো হলো :
১. সিয়াম পালনকারী, যতক্ষণ পর্যমত্ম না সে ইফতার করে। অর্থাৎ কোন সিয়াম পালনকারী ব্যক্তি ইফতার করার পূর্ব পর্যমত্ম আল্লাহর নিকট দু‘আ করলে আল্লাহ তা‘আলা তার দু‘আ কবুল করেন।
২. ন্যায়পরায়ণ বাদশার দু‘আ কবুল হয়। যে ইমাম বা নেতা ইসলামের নির্দেশ অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করবেন আল্লাহ তা‘আলা তার দু‘আ কবুল করেন এবং হাশরের ময়দানে যে সাত দল ব্যক্তিকে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ছায়ায় স্থান দেবেন তাদের মধ্যে প্রথম সারিতেই তিনি অন্তর্ভুক্ত হবেন।
৩. মযলুম ব্যক্তি। কেননা যে নির্যাতিত-নিপীড়িত, তার ফরিয়াদ সরাসরি আল্লাহর নিকট পৌঁছে যায়।
৪. সমত্মানের জন্য পিতামাতার দু‘আ। মাতাপিতা সন্তানের সবচেয়ে বড় হিতাকাঙ্ক্ষী। পিতামাতা সন্তানের জন্য যে দু‘আ করেন, আল্লাহ তা‘আলা তা কবুল করেন।
৫. মুসাফিরের দু‘আ। কেননা সে যখন সফরে থাকে তখন সে এক ধরনের অসহায়ত্ব বোধ করে, তখন সে আল্লাহর রহমতের মুখাপেক্ষী হয়, তাই আল্লাহ তার ডাক শোনেন।
৬. মা-বাবার ক্ষেত্রে সন্তানের দু‘আও আল্লাহ তা‘আলা কবুল করেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
إِذَا مَاتَ الْاِنْسَانُ اِنْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُه إِلَّا مِنْ ثَلَاثَةٍ إِلَّا مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِه أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَه
মানুষ যখন মারা যায় তখন তার আমলের দরজাও বন্ধ হয়ে যায়। তবে তিনটি আমল জারি থাকে, ১. সাদাকায়ে জারিয়া, ২. উপকারী ইলম, যা সে রেখে যায়, ৩. নেক সন্তান, যে তার জন্য দু‘আ করে। [সহীহ মুসলিম, হা/৪৩১০; আবু দাঊদ, হা/২৮৮২; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৮৩১।]
১০ সহীহ মুসলিম, হা/৪৩১০; আবু দাঊদ, হা/২৮৮২; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৮৩১।
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, তিন শ্রেণির লোকের দু‘আ ফেরত দেয়া হয় না : ১. সিয়াম পালনকারী যতক্ষণ পর্যন্ত না সে ইফতার করে, ২. ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ, ৩. মযলুম ব্যক্তি।
এই তিন ব্যক্তির দু‘আ আল্লাহ তা‘আলা মেঘের উপর উঠিয়ে নেন এবং এর জন্য আকাশের দরজা খুলে দেন। আল্লাহ তা‘আলা তার ইজ্জতের কসম খেয়ে বলেন, আমি অবশ্যই তোমাকে সাহায্য করব- যদিও দেরিতে হয়। [তিরমিযী, হা/৩৯৪৭; ইবনে মাজাহ, হা/১৭৫২; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮০৩০; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৯০১; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৮৩৮৭।]
৮ তিরমিযী, হা/৩৯৪৭; ইবনে মাজাহ, হা/১৭৫২; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮০৩০; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/১৯০১; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৮৩৮৭।
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
ثَلَاثُ دَعْوَاتٍ مُسْتَجَابَاتٌ لَا شَكَّ فِيْهِنَّ : دَعْوَةُ الْوَالِدِ وَدَعْوَةُ الْمُسَافِرِ وَدَعْوَةُ الْمَظْلُوْمِ
তিনটি দু‘আ কবুল হয়ে থাকে, এতে কোন সন্দেহ নেই। সেগুলো হলো : ১. সন্তানের জন্য মাতাপিতার দু‘আ, ২. মুসাফিরের দু‘আ, ৩. মযলুম ব্যক্তির দু‘আ। [তিরমিযী, হা/১৯০৫; আবু দাঊদ, হা/১৫৩৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭৫০১; আদাবুল মুফরাদ, হা/৪৮১; সহীহ ইবনে হিববান, হা/২৬৯৯; জামেউস সগীর, হা/৫৩৪২; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৩১৩২; মিশকাত, হা/২২৫০।]
৯ তিরমিযী, হা/১৯০৫; আবু দাঊদ, হা/১৫৩৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/৭৫০১; আদাবুল মুফরাদ, হা/৪৮১; সহীহ ইবনে হিববান, হা/২৬৯৯; জামেউস সগীর, হা/৫৩৪২; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/৩১৩২; মিশকাত, হা/২২৫০।
উপরোক্ত হাদীসদ্বয়ে মাধ্যমে সর্বমোট পাঁচ ধরনের ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যাদের দু‘আ আল্লাহ তা‘আলা কবুল করেন। সেগুলো হলো :
১. সিয়াম পালনকারী, যতক্ষণ পর্যমত্ম না সে ইফতার করে। অর্থাৎ কোন সিয়াম পালনকারী ব্যক্তি ইফতার করার পূর্ব পর্যমত্ম আল্লাহর নিকট দু‘আ করলে আল্লাহ তা‘আলা তার দু‘আ কবুল করেন।
২. ন্যায়পরায়ণ বাদশার দু‘আ কবুল হয়। যে ইমাম বা নেতা ইসলামের নির্দেশ অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করবেন আল্লাহ তা‘আলা তার দু‘আ কবুল করেন এবং হাশরের ময়দানে যে সাত দল ব্যক্তিকে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ছায়ায় স্থান দেবেন তাদের মধ্যে প্রথম সারিতেই তিনি অন্তর্ভুক্ত হবেন।
৩. মযলুম ব্যক্তি। কেননা যে নির্যাতিত-নিপীড়িত, তার ফরিয়াদ সরাসরি আল্লাহর নিকট পৌঁছে যায়।
৪. সমত্মানের জন্য পিতামাতার দু‘আ। মাতাপিতা সন্তানের সবচেয়ে বড় হিতাকাঙ্ক্ষী। পিতামাতা সন্তানের জন্য যে দু‘আ করেন, আল্লাহ তা‘আলা তা কবুল করেন।
৫. মুসাফিরের দু‘আ। কেননা সে যখন সফরে থাকে তখন সে এক ধরনের অসহায়ত্ব বোধ করে, তখন সে আল্লাহর রহমতের মুখাপেক্ষী হয়, তাই আল্লাহ তার ডাক শোনেন।
৬. মা-বাবার ক্ষেত্রে সন্তানের দু‘আও আল্লাহ তা‘আলা কবুল করেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন,
إِذَا مَاتَ الْاِنْسَانُ اِنْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُه إِلَّا مِنْ ثَلَاثَةٍ إِلَّا مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِه أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَه
মানুষ যখন মারা যায় তখন তার আমলের দরজাও বন্ধ হয়ে যায়। তবে তিনটি আমল জারি থাকে, ১. সাদাকায়ে জারিয়া, ২. উপকারী ইলম, যা সে রেখে যায়, ৩. নেক সন্তান, যে তার জন্য দু‘আ করে। [সহীহ মুসলিম, হা/৪৩১০; আবু দাঊদ, হা/২৮৮২; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৮৩১।]
১০ সহীহ মুসলিম, হা/৪৩১০; আবু দাঊদ, হা/২৮৮২; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৮৩১।