১
দৈনন্দিন সহীহ দু‘আ ও কুরআন-সুন্নার চিকিৎসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
দু‘আ কবুলের দৃষ্টান্ত
১. আদম ও হাওয়া (আঃ) জান্নাতের নিষিদ্ধ গাছের ফল খেয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে দু‘আ করেছিলেন। আল্লাহ তাদের দু‘আ কবুল করেছেন। (সূরা ত্বা-হা- ১২২)
২. নূহ (আঃ) জাতিকে দাওয়াত দিয়েছিলেন; কিমত্মু তারা তাঁর ডাকে সাড়া দেয়নি। পরে তিনি আল্লাহর কাছে দু‘আ করেছিলেন। আল্লাহ তার দু‘আ কবুল করেছেন। (সূরা আম্বিয়া- ৭৬)
৩. ইউসুফ (আঃ) পাপ থেকে বাঁচার জন্য দু‘আ করেছিলেন। আল্লাহ তাঁর দু‘আ কবুল করেছেন। (সূরা ইউসুফ- ৩৩, ৩৪)
৪. আইয়ূব (আঃ) অসুস্থ হয়ে দু‘আ করেছিলেন। আল্লাহ তাঁর দু‘আ কবুল করে তাঁকে সুস্থ করেছিলেন। (সূরা আম্বিয়া- ৮৩, ৮৪)
৫. ইউনুস (আঃ) মাছের পেট থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দু‘আ করেছিলেন। আল্লাহ তাঁর দু‘আ কবুল করেছেন এবং তাঁকে মুক্তি দিয়েছেন। (সূরা আম্বিয়া, ৭৮-৮৮)
৬. যাকারিয়া (আঃ) সন্তান লাভের জন্য আল্লাহর কাছে দু‘আ করেছিলেন। আল্লাহ তার দু‘আ কবুল করে তাকে সন্তান দান করেছেন।
(সূরা আম্বিয়া- ৮৯, ৯০)
৭. বদরের যুদ্ধে নবী ﷺ আল্লাহর কাছে সাহায্যের আবেদন করেছিলেন। আল্লাহ তা‘আলা ফেরেশতা পাঠিয়ে মুসলিম বাহিনীকে সাহায্য করেছিলেন। কুরআন মাজীদে এসেছে-
﴿إِذْ تَسْتَغِيْثُوْنَ رَبَّكُمْ فَاسْتَجَابَ لَكُمْ أَنِّيْ مُمِدُّكُمْ بِأَلْفٍ مِّنَ الْمَلَآئِكَةِ مُرْدِفِيْنَ﴾
স্মরণ করো, যখন তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছিলে, তখন তিনি তোমাদেরকে জবাব দিলেন, আমি তোমাদেরকে এক হাজার ফেরেশতা দ্বারা সাহায্য করব যারা পর পর আসবে। (সূরা আনফাল- ৯)
কুরআনুল কারীমের এ সকল আয়াতের দৃষ্টান্ত থেকে আমরা জানতে পারলাম যে, আল্লাহ অবশ্যই বান্দার দু‘আ কবুল করেন- এতে কোন সন্দেহ নেই।
২. নূহ (আঃ) জাতিকে দাওয়াত দিয়েছিলেন; কিমত্মু তারা তাঁর ডাকে সাড়া দেয়নি। পরে তিনি আল্লাহর কাছে দু‘আ করেছিলেন। আল্লাহ তার দু‘আ কবুল করেছেন। (সূরা আম্বিয়া- ৭৬)
৩. ইউসুফ (আঃ) পাপ থেকে বাঁচার জন্য দু‘আ করেছিলেন। আল্লাহ তাঁর দু‘আ কবুল করেছেন। (সূরা ইউসুফ- ৩৩, ৩৪)
৪. আইয়ূব (আঃ) অসুস্থ হয়ে দু‘আ করেছিলেন। আল্লাহ তাঁর দু‘আ কবুল করে তাঁকে সুস্থ করেছিলেন। (সূরা আম্বিয়া- ৮৩, ৮৪)
৫. ইউনুস (আঃ) মাছের পেট থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দু‘আ করেছিলেন। আল্লাহ তাঁর দু‘আ কবুল করেছেন এবং তাঁকে মুক্তি দিয়েছেন। (সূরা আম্বিয়া, ৭৮-৮৮)
৬. যাকারিয়া (আঃ) সন্তান লাভের জন্য আল্লাহর কাছে দু‘আ করেছিলেন। আল্লাহ তার দু‘আ কবুল করে তাকে সন্তান দান করেছেন।
(সূরা আম্বিয়া- ৮৯, ৯০)
৭. বদরের যুদ্ধে নবী ﷺ আল্লাহর কাছে সাহায্যের আবেদন করেছিলেন। আল্লাহ তা‘আলা ফেরেশতা পাঠিয়ে মুসলিম বাহিনীকে সাহায্য করেছিলেন। কুরআন মাজীদে এসেছে-
﴿إِذْ تَسْتَغِيْثُوْنَ رَبَّكُمْ فَاسْتَجَابَ لَكُمْ أَنِّيْ مُمِدُّكُمْ بِأَلْفٍ مِّنَ الْمَلَآئِكَةِ مُرْدِفِيْنَ﴾
স্মরণ করো, যখন তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছিলে, তখন তিনি তোমাদেরকে জবাব দিলেন, আমি তোমাদেরকে এক হাজার ফেরেশতা দ্বারা সাহায্য করব যারা পর পর আসবে। (সূরা আনফাল- ৯)
কুরআনুল কারীমের এ সকল আয়াতের দৃষ্টান্ত থেকে আমরা জানতে পারলাম যে, আল্লাহ অবশ্যই বান্দার দু‘আ কবুল করেন- এতে কোন সন্দেহ নেই।