১
দৈনন্দিন সহীহ দু‘আ ও কুরআন-সুন্নার চিকিৎসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২১
আযান শোনার পর দু‘আ :
আযান শেষ হলে প্রথমে দরূদ পড়বে। [সহীহ মুসলিম, হা/৮৭৫; আবু দাঊদ, হা/৫২৩; তিরমিযী, হা/৩৬১৪; নাসাঈ, হা/৬৭৮; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/৪১৮; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৬৯০; সিলসিলা সহীহাহ, হা/৩২৬৮; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২৫০; মিশকাত, হা/৬৫৭।] তারপর দু‘আ পড়বে,
(১) اَللّٰهُمَّ رَبَّ هٰذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ اٰتِ مُحَمَّدَنِ الْوَسِيْلَةَ وَالْفَضِيْلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَّحْمُوْدَنِ الَّذِيْ وَعَدْتَّه
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা রাববা হা-যিহিদ্ দা‘ওয়াতিত্তা-ম্মাহ, ওয়াসসালা-তিল ক্বা-ইমাহ, আ-তি মুহাম্মাদানিল ওয়াসীলাতা ওয়ালফাযীলাহ, ওয়াব‘আসহু মাক্বা-মাম্ মাহমূদানিল্লাযী ওয়া‘আত্তাহ।
অর্থ : হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহবান ও প্রতিষ্ঠিত সালাতের আপনিই রব। মুহাম্মাদ ﷺ কে দান করুন অসীলা নামক স্থান ও মর্যাদা। আর তাকে অধিষ্ঠিত করুন সেই প্রশংসিত স্থানে, যার ওয়াদা আপনি তাকে দিয়েছেন। [জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি আযান শুনে এই দু‘আ বলবে, কিয়ামতের দিন তার জন্য শাফা‘আত করা আমার উপর জরুরি হয়ে যাবে। (সহীহ বুখারী, হা/৬১৪; আবু দাঊদ, হা/৫২৯; তিরমিযী, হা/২১১; নাসাঈ, হা/৬৮০; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৪৮৫৯; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৬৮৯; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/৪২০; মিশকাত, হা/৬৫৯)]
(২) أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَه لَا شَرِيْكَ لَه وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُه وَرَسُوْلُه رَضِيْتُ بِاللهِ رَبًّا وَّبِمُحَمَّدٍ رَسُوْلًا وَّبِالْاِسْلَامِ دِيْنًا
উচ্চারণ : আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহূ লা- শারীকা লাহূ, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহূ ওয়া রাসূলুহ, রাযীতু বিল্লা-হি রাববাও ওয়া বিমুহাম্মাদির রাসূলাও ওয়া বিল ইসলা-মি দ্বীনা।
অর্থ : আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই এবং মুহাম্মাদ ﷺ তাঁর বান্দা ও রাসূল। আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, মুহাম্মাদ ﷺ কে রাসূল হিসেবে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে পেয়ে সমত্মুষ্ট হয়েছি। [সা‘দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আযান শুনে এই দু‘আ পড়বে, তার পাপসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। (সহীহ মুসলিম, হা/৮৭৭; আবু দাঊদ, হা/৫২৫; তিরমিযী, হা/২১০; নাসাঈ, হা/৬৭৯; ইবনে মাজাহ, হা/৭২১; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৫৬৫; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৬৯৩; মিশকাত, হা/৬৬১)]
(১) اَللّٰهُمَّ رَبَّ هٰذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَةِ اٰتِ مُحَمَّدَنِ الْوَسِيْلَةَ وَالْفَضِيْلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَّحْمُوْدَنِ الَّذِيْ وَعَدْتَّه
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা রাববা হা-যিহিদ্ দা‘ওয়াতিত্তা-ম্মাহ, ওয়াসসালা-তিল ক্বা-ইমাহ, আ-তি মুহাম্মাদানিল ওয়াসীলাতা ওয়ালফাযীলাহ, ওয়াব‘আসহু মাক্বা-মাম্ মাহমূদানিল্লাযী ওয়া‘আত্তাহ।
অর্থ : হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহবান ও প্রতিষ্ঠিত সালাতের আপনিই রব। মুহাম্মাদ ﷺ কে দান করুন অসীলা নামক স্থান ও মর্যাদা। আর তাকে অধিষ্ঠিত করুন সেই প্রশংসিত স্থানে, যার ওয়াদা আপনি তাকে দিয়েছেন। [জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি আযান শুনে এই দু‘আ বলবে, কিয়ামতের দিন তার জন্য শাফা‘আত করা আমার উপর জরুরি হয়ে যাবে। (সহীহ বুখারী, হা/৬১৪; আবু দাঊদ, হা/৫২৯; তিরমিযী, হা/২১১; নাসাঈ, হা/৬৮০; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৪৮৫৯; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৬৮৯; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/৪২০; মিশকাত, হা/৬৫৯)]
(২) أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَه لَا شَرِيْكَ لَه وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُه وَرَسُوْلُه رَضِيْتُ بِاللهِ رَبًّا وَّبِمُحَمَّدٍ رَسُوْلًا وَّبِالْاِسْلَامِ دِيْنًا
উচ্চারণ : আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহূ লা- শারীকা লাহূ, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহূ ওয়া রাসূলুহ, রাযীতু বিল্লা-হি রাববাও ওয়া বিমুহাম্মাদির রাসূলাও ওয়া বিল ইসলা-মি দ্বীনা।
অর্থ : আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই এবং মুহাম্মাদ ﷺ তাঁর বান্দা ও রাসূল। আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, মুহাম্মাদ ﷺ কে রাসূল হিসেবে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে পেয়ে সমত্মুষ্ট হয়েছি। [সা‘দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আযান শুনে এই দু‘আ পড়বে, তার পাপসমূহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। (সহীহ মুসলিম, হা/৮৭৭; আবু দাঊদ, হা/৫২৫; তিরমিযী, হা/২১০; নাসাঈ, হা/৬৭৯; ইবনে মাজাহ, হা/৭২১; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৫৬৫; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৬৯৩; মিশকাত, হা/৬৬১)]