১
দৈনন্দিন সহীহ দু‘আ ও কুরআন-সুন্নার চিকিৎসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫৩
জানাযার সালাতের দু‘আ :
(১) اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا وَصَغِيْرِنَا وَكَبِيْرِنَا وَ ذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا ‐ اَللّٰهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهٗ مِنَّا فَأَحْيِهٖ عَلَى الْاِسْلَامِ وَمَنْ تَوَفَّيْتَهٗ مِنَّا فَتَوَفَّهٗ عَلَى الْاِيْمَانِ -‐ اَللّٰهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهٗ وَلَا تُضِلَّنَا بَعْدَهٗ
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাগফিরলি হায়্যিনা ওয়া মাইয়্যিতিনা ওয়াশা-হিদিনা ওয়াগা-’ইবিনা ওয়াসাগীরিনা ওয়াকাবীরিনা ওয়াযাকারিনা ওয়াউনসা-না। আল্লা-হুম্মা মান আহ্ইয়াইতাহূ মিন্না ফাআহ্য়িহী ‘আলাল ইসলা-ম। ওয়ামান তাওয়াফ্ফাইতাহূ মিন্না ফাতাওয়াফ্ফাহূ ‘আলাল ঈমা-ন। আল্লা-হুম্মা লা তাহরিমনা আজরাহূ ওয়ালা তুযিল্লানা বা‘দাহূ।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত ও মৃত, উপস্থিত-অনুপস্থিত, ছোট-বড়, নর-নারী সকলকে ক্ষমা করে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের মাঝে যাদেরকে জীবিত রাখ, তাদেরকে ইসলামের উপর জীবিত রাখো, আর যাদেরকে মৃত্যু দান কর, তাদেরকে ঈমানের সাথে মৃত্যু দান করো। হে আল্লাহ! আমাদেরকে তার নেকী হতে বঞ্চিত করো না এবং তার মৃত্যুর পর আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করো না। [আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন জানাযার সালাত পড়াতেন, তখন এই দু‘আটি পাঠ করতেন। (আবু দাঊদ, হা/৩২০৩; ইবনে মাজাহ, হা/১৪৯৮; তিরমিযী, হা/১০২৪; মিশকাত, হা/১৬৭৫)]
(২) اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهٗ وَارْحَمْهُ وَعَافِهٖ وَاعْفُ عَنْهُ وَأَكْرِمْ نُزُلَهٗ وَوَسِّعْ مَدْخَلَهٗ وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ ‐ وَنَقِّهٖ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْاَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ ‐ وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِّنْ دَارِهٖ وَأَهْلًا خَيْرًا مِّنْ أَهْلِهٖ وَزَوْجًا خَيْرًا مِّنْ زَوْجِهٖ وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَ مِنْ عَذَابِ النَّارِ
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাগফিরলাহূ ওয়ারহামহু ওয়া‘আ-ফিহী ওয়া‘ফু ‘আনহু ওয়া আকরিম নুযুলাহূ ওয়াওয়াস্সি‘ মাদখালাহূ ওয়াগসিলহু বিলমা-ই ওয়াছ্ছালজি ওয়াল বারাদ। ওয়া নাক্কিহী মিনাল খাত্বা-ইয়া কামা ইউনাক্কাছ ছাউবুল আবইয়াযু মিনাদ্দানাস। ওয়া আবদিলহু দা-রান খাইরাম মিন দা-রিহী ওয়া আহলান খাইরাম মিন আহলিহী ওয়া যাওজান খাইরাম্ মিন যাওজিহী, ওয়া আদখিলহুল জান্নাতা ওয়া আ‘ইযহু মিন ‘আযা-বিল ক্বাবরি ওয়া মিন ‘আযা-বিন্না-র।
অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করে দিন, তার উপর রহম করুন, তাকে পূর্ণ নিরাপত্তা দান করুন, তাকে ক্ষমা করুন, মর্যাদার সাথে তার আপ্যায়ন করুন, তার বাসস্থান প্রশস্ত করুন। আপনি তাকে ধৌত করে দিন পানি, বরফ ও শিশির দ্বারা। আপনি তাকে পাপ হতে এমনভাবে পরিষ্কার করুন, যেমনভাবে সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার করা হয়। তাকে দুনিয়ার ঘরের পরিবর্তে উত্তম ঘর দান করুন। তাকে দুনিয়ার পরিবারের চেয়ে উত্তম পরিবার দান করুন এবং আপনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান। আর তাকে কবরের আযাব এবং জাহান্নামের আযাব হতে বাঁচান। [আউফ ইবনে মালেক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ এক বার জানাযার সালাত পড়ালেন। আমি তাঁর দু‘আর কিছু অংশ মনে রেখেছি। আমি আফসোস করলাম যে, এই মৃত ব্যক্তি যদি আমি হতাম! তখন তিনি এ দু‘আ পড়েছিলেন। (সহীহ মুসলিম, হা/২২৭৬; নাসাঈ, হা/১৯৮৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৬০২১; মিশকাত, হা/১৬৫৫)]
(৩) اَللّٰهُمَّ إِنَّه عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ كَانَ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ وَأَنْتَ أَعْلَمُ بِه ‐ اَللّٰهُمَّ إِنْ كَانَ مُحْسِنًا فَزِدْهُ فِى إِحْسَانِه وَإِنْ كَانَ مُسِيْئًا فَتَجَاوَزْ عَنْ سَيِّئَاتِه ‐ اَللّٰهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَه وَلَا تَفْتِنَّا بَعْدَه
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্নাহূ ‘আবদুকা ওয়াবনু ‘আবদিকা ওয়াবনু আমাতিকা, কা-না ইয়াশহাদু আল্লা ইলা-হা ইল্লা আনতা ওয়া আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুকা ওয়া রাসূলুকা ওয়া আনতা আ‘লামু বিহী। আল্লা-হুম্মা ইন কা-না মুহসিনান ফাযিদহু ফী ইহসা-নিহী ওয়া ইন কা-না মুসীআন ফাতাজা-ওয়ায ‘আন সাইয়িআ-তিহী, আল্লা-হুম্মা লা-তাহরিমনা আজরাহূ ওয়ালা তাফতিন্না বা‘দাহ।
অর্থ : হে আল্লাহ! এ তো আপনার বান্দা, আপনার এক বান্দার সমত্মান এবং আপনার এক বান্দীর সমত্মান। সে সাক্ষ্য দিত যে, আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ ﷺ আপনার বান্দা ও রাসূল। আর আপনি তার সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো জানেন। হে আল্লাহ! সে যদি সৎকর্মশীল হয়ে থাকে, তাহলে আপনি তার সৎকর্মে আরো সমৃদ্ধি দান করুন। আর যদি সে পাপী হয়ে থাকে তবে তার পাপকে ক্ষমা করে দিন। [সা‘দ ইবনে আবু সাঈদ (রাঃ) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি একদা আবু হুরায়রা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন, আমরা জানাযার সালাত কীভাবে আদায় করব? আবু হুরায়রা (রাঃ) বললেন, আমি অবশ্যই সে ব্যাপারে সংবাদ দেব। যখন তুমি লাশের সামনে দাঁড়াবে তখন প্রথমে ‘আল্লা-হু আকবার’ বলবে। তারপর আল্লাহর প্রশংসা করবে। তারপর নবী ﷺ এর প্রতি দরূদ পাঠ করবে। তারপর এ দু‘আটি পাঠ করবে। (মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৫৩৫; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩০৭৩; সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ, হা/১০৮৫২; মুসনাদে আবু ই‘আলা, হা/৬৫৯৮)]
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাগফিরলি হায়্যিনা ওয়া মাইয়্যিতিনা ওয়াশা-হিদিনা ওয়াগা-’ইবিনা ওয়াসাগীরিনা ওয়াকাবীরিনা ওয়াযাকারিনা ওয়াউনসা-না। আল্লা-হুম্মা মান আহ্ইয়াইতাহূ মিন্না ফাআহ্য়িহী ‘আলাল ইসলা-ম। ওয়ামান তাওয়াফ্ফাইতাহূ মিন্না ফাতাওয়াফ্ফাহূ ‘আলাল ঈমা-ন। আল্লা-হুম্মা লা তাহরিমনা আজরাহূ ওয়ালা তুযিল্লানা বা‘দাহূ।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত ও মৃত, উপস্থিত-অনুপস্থিত, ছোট-বড়, নর-নারী সকলকে ক্ষমা করে দাও। হে আল্লাহ! আমাদের মাঝে যাদেরকে জীবিত রাখ, তাদেরকে ইসলামের উপর জীবিত রাখো, আর যাদেরকে মৃত্যু দান কর, তাদেরকে ঈমানের সাথে মৃত্যু দান করো। হে আল্লাহ! আমাদেরকে তার নেকী হতে বঞ্চিত করো না এবং তার মৃত্যুর পর আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করো না। [আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন জানাযার সালাত পড়াতেন, তখন এই দু‘আটি পাঠ করতেন। (আবু দাঊদ, হা/৩২০৩; ইবনে মাজাহ, হা/১৪৯৮; তিরমিযী, হা/১০২৪; মিশকাত, হা/১৬৭৫)]
(২) اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لَهٗ وَارْحَمْهُ وَعَافِهٖ وَاعْفُ عَنْهُ وَأَكْرِمْ نُزُلَهٗ وَوَسِّعْ مَدْخَلَهٗ وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ ‐ وَنَقِّهٖ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْاَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ ‐ وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِّنْ دَارِهٖ وَأَهْلًا خَيْرًا مِّنْ أَهْلِهٖ وَزَوْجًا خَيْرًا مِّنْ زَوْجِهٖ وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَ مِنْ عَذَابِ النَّارِ
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাগফিরলাহূ ওয়ারহামহু ওয়া‘আ-ফিহী ওয়া‘ফু ‘আনহু ওয়া আকরিম নুযুলাহূ ওয়াওয়াস্সি‘ মাদখালাহূ ওয়াগসিলহু বিলমা-ই ওয়াছ্ছালজি ওয়াল বারাদ। ওয়া নাক্কিহী মিনাল খাত্বা-ইয়া কামা ইউনাক্কাছ ছাউবুল আবইয়াযু মিনাদ্দানাস। ওয়া আবদিলহু দা-রান খাইরাম মিন দা-রিহী ওয়া আহলান খাইরাম মিন আহলিহী ওয়া যাওজান খাইরাম্ মিন যাওজিহী, ওয়া আদখিলহুল জান্নাতা ওয়া আ‘ইযহু মিন ‘আযা-বিল ক্বাবরি ওয়া মিন ‘আযা-বিন্না-র।
অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করে দিন, তার উপর রহম করুন, তাকে পূর্ণ নিরাপত্তা দান করুন, তাকে ক্ষমা করুন, মর্যাদার সাথে তার আপ্যায়ন করুন, তার বাসস্থান প্রশস্ত করুন। আপনি তাকে ধৌত করে দিন পানি, বরফ ও শিশির দ্বারা। আপনি তাকে পাপ হতে এমনভাবে পরিষ্কার করুন, যেমনভাবে সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার করা হয়। তাকে দুনিয়ার ঘরের পরিবর্তে উত্তম ঘর দান করুন। তাকে দুনিয়ার পরিবারের চেয়ে উত্তম পরিবার দান করুন এবং আপনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান। আর তাকে কবরের আযাব এবং জাহান্নামের আযাব হতে বাঁচান। [আউফ ইবনে মালেক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ এক বার জানাযার সালাত পড়ালেন। আমি তাঁর দু‘আর কিছু অংশ মনে রেখেছি। আমি আফসোস করলাম যে, এই মৃত ব্যক্তি যদি আমি হতাম! তখন তিনি এ দু‘আ পড়েছিলেন। (সহীহ মুসলিম, হা/২২৭৬; নাসাঈ, হা/১৯৮৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৬০২১; মিশকাত, হা/১৬৫৫)]
(৩) اَللّٰهُمَّ إِنَّه عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ كَانَ يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُكَ وَرَسُوْلُكَ وَأَنْتَ أَعْلَمُ بِه ‐ اَللّٰهُمَّ إِنْ كَانَ مُحْسِنًا فَزِدْهُ فِى إِحْسَانِه وَإِنْ كَانَ مُسِيْئًا فَتَجَاوَزْ عَنْ سَيِّئَاتِه ‐ اَللّٰهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَه وَلَا تَفْتِنَّا بَعْدَه
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্নাহূ ‘আবদুকা ওয়াবনু ‘আবদিকা ওয়াবনু আমাতিকা, কা-না ইয়াশহাদু আল্লা ইলা-হা ইল্লা আনতা ওয়া আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুকা ওয়া রাসূলুকা ওয়া আনতা আ‘লামু বিহী। আল্লা-হুম্মা ইন কা-না মুহসিনান ফাযিদহু ফী ইহসা-নিহী ওয়া ইন কা-না মুসীআন ফাতাজা-ওয়ায ‘আন সাইয়িআ-তিহী, আল্লা-হুম্মা লা-তাহরিমনা আজরাহূ ওয়ালা তাফতিন্না বা‘দাহ।
অর্থ : হে আল্লাহ! এ তো আপনার বান্দা, আপনার এক বান্দার সমত্মান এবং আপনার এক বান্দীর সমত্মান। সে সাক্ষ্য দিত যে, আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ ﷺ আপনার বান্দা ও রাসূল। আর আপনি তার সম্পর্কে আমার চেয়ে ভালো জানেন। হে আল্লাহ! সে যদি সৎকর্মশীল হয়ে থাকে, তাহলে আপনি তার সৎকর্মে আরো সমৃদ্ধি দান করুন। আর যদি সে পাপী হয়ে থাকে তবে তার পাপকে ক্ষমা করে দিন। [সা‘দ ইবনে আবু সাঈদ (রাঃ) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি একদা আবু হুরায়রা (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন, আমরা জানাযার সালাত কীভাবে আদায় করব? আবু হুরায়রা (রাঃ) বললেন, আমি অবশ্যই সে ব্যাপারে সংবাদ দেব। যখন তুমি লাশের সামনে দাঁড়াবে তখন প্রথমে ‘আল্লা-হু আকবার’ বলবে। তারপর আল্লাহর প্রশংসা করবে। তারপর নবী ﷺ এর প্রতি দরূদ পাঠ করবে। তারপর এ দু‘আটি পাঠ করবে। (মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হা/৫৩৫; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৩০৭৩; সুনানুল কুবরা লিন নাসাঈ, হা/১০৮৫২; মুসনাদে আবু ই‘আলা, হা/৬৫৯৮)]