১
দৈনন্দিন সহীহ দু‘আ ও কুরআন-সুন্নার চিকিৎসা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২১৫
রোগব্যাধি থেকে বাঁচার উপায়
১. ঈমান ও তাওহীদ দ্বারা নিজেকে শক্তিশালী করা। সুদৃঢ়ভাবে এই বিশ্বাস রাখা যে, পৃথিবীর যাবতীয় কর্তৃত্ব একমাত্র আল্লাহর হাতে। সেই সাথে বেশি বেশি সৎ কাজে লিপ্ত থাকা।
২. আল্লাহ তা‘আলার স্মরণাপন্ন হওয়া, তার উপর ভরসা করা, তার প্রতি সুধারণা পোষণ করা এবং তার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা।
৩. প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যার যিকিরসমূহ যথারীতি পাঠ করা। এগুলোর মধ্যে যা বলা হয়েছে তা সত্য ও সঠিক- এ কথার প্রতি ঈমান রাখা এবং নিজের মুখে উচ্চারণ করে নিজের কানে শোনা এবং অমত্মর উপস্থিত রেখে পাঠ করা।
৪. শিরক মিশ্রিত আকীদা থেকে মুক্ত থাকা।
৫. শুধুমাত্র আল্লাহকেই ভয় করা।
৬. ধারণা ও অনুমানভিত্তিক কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা।
৭. অমত্মর পরিষ্কার রাখা, নিয়ত সঠিক করা ও মুসলিম ভাই-বোনদের প্রতি হিংসা করা থেকে বিরত থাকা।
৮. সকল সালাত যথাসময়ে জামাআতের সাথে যথোপযুক্তভাবে আদায় করার প্রতি যত্নবান হওয়া। কেননা সালাত বর্জন ও সালাতের ব্যাপারে অবহেলা করা শয়তানের প্রভাব-প্রতিপত্তির কারণ।
৯. নিয়মিত তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করা।
১০. তওবা করা ও বান্দা যেসকল বিপদাপদে পতিত হয়, সেসব বিষয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করা। কেননা তা তার গোনাহের কারণেই ঘটে থাকে। অতঃপর সে যখন তওবা করে তখন তা তার নিকট হতে দূর করা হয়।
১১. পবিত্রতা অর্জন করা।
১২. দু‘আ করা ও আল্লাহর নিকট অনুনয় বিনয় করা।
১৩. বাড়ি ও অন্যান্য স্থানে অধিক পরিমাণে কুরআন তিলাওয়াত করা, বিশেষ করে সূরা বাক্বারা পাঠ করা।
২. আল্লাহ তা‘আলার স্মরণাপন্ন হওয়া, তার উপর ভরসা করা, তার প্রতি সুধারণা পোষণ করা এবং তার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা।
৩. প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যার যিকিরসমূহ যথারীতি পাঠ করা। এগুলোর মধ্যে যা বলা হয়েছে তা সত্য ও সঠিক- এ কথার প্রতি ঈমান রাখা এবং নিজের মুখে উচ্চারণ করে নিজের কানে শোনা এবং অমত্মর উপস্থিত রেখে পাঠ করা।
৪. শিরক মিশ্রিত আকীদা থেকে মুক্ত থাকা।
৫. শুধুমাত্র আল্লাহকেই ভয় করা।
৬. ধারণা ও অনুমানভিত্তিক কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা।
৭. অমত্মর পরিষ্কার রাখা, নিয়ত সঠিক করা ও মুসলিম ভাই-বোনদের প্রতি হিংসা করা থেকে বিরত থাকা।
৮. সকল সালাত যথাসময়ে জামাআতের সাথে যথোপযুক্তভাবে আদায় করার প্রতি যত্নবান হওয়া। কেননা সালাত বর্জন ও সালাতের ব্যাপারে অবহেলা করা শয়তানের প্রভাব-প্রতিপত্তির কারণ।
৯. নিয়মিত তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করা।
১০. তওবা করা ও বান্দা যেসকল বিপদাপদে পতিত হয়, সেসব বিষয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করা। কেননা তা তার গোনাহের কারণেই ঘটে থাকে। অতঃপর সে যখন তওবা করে তখন তা তার নিকট হতে দূর করা হয়।
১১. পবিত্রতা অর্জন করা।
১২. দু‘আ করা ও আল্লাহর নিকট অনুনয় বিনয় করা।
১৩. বাড়ি ও অন্যান্য স্থানে অধিক পরিমাণে কুরআন তিলাওয়াত করা, বিশেষ করে সূরা বাক্বারা পাঠ করা।