১
ওমর (রাঃ) সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা
লেখকঃ আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪৪
ওমর (রাঃ) এর জীবনের শেষ দিনগুলো
১৪২. ওমর (রাঃ) ও কা’ব আল আহবারের ঘটনা
ওমর ইবনে খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর দাস সাদ আল জারী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একদিন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর স্ত্রী উম্মে কুলসুম বিনতে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে ডাকলেন। তখন উম্মে কুলসুম কাঁদতে ছিলেন। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কাঁদছ কেন? তখন উম্মে কুলসুম বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! এই ইহুদী লোকটি (কা’ব) বলে, আপনি নাকি জাহান্নামের দরজাসমূহের একটি দরজায় অবস্থানরত। তখন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আল্লাহ যা চান তাই হবে।
তিনি আরো বললেন, আল্লাহর শপথ! তিনি আমাকে সৌভাগ্যশীল হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। এরপর ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে (কা’ব) ডাকতে লোক পাঠালেন এবং সে আসল এবং বলল, হে আমিরুল মু’মিনীন! আমার ব্যাপারে (শাস্তি দান) ব্যস্ত হবেন না। যার হাতে আমার প্রাণ তার শপথ করে বলছি যে, আপনি জ্বিলহজ মাসের মধ্যে জান্নাতে প্রবেশ করবেন। (মৃত্যুবরণ করবেন) তখন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, তুমি এটা কোথা হতে জেনেছ? আর আমাকে একবার জান্নাতী আবার জাহান্নামী বলছ কেন? তখন কা’ব বলল, হে আমিরুল মু’মিনীন! আমি সত্ত্বার ঐ কসম করে বলছি যার হাতে আমার প্রাণ, আমি আপনাকে আল্লাহর কিতাব তাওরাতে এমনভাবে পেয়েছি যে, আপনি জাহান্নামের দরজার কাছে বসে আছেন, যেন মানুষ জাহান্নামে পতিত না হয়।
অর্থাৎ আপনি মানুষকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করতেছেন। আর আপনি যখন মারা যাবেন তখন কেয়ামত পর্যন্ত মানুষ জাহান্নামের দিকে ধাবিত হবে (পাপ কাজ করে)। এরপর সে (কা’ব) তার কাছে (ওমর) এসে বলল, আপনি তিন দিনের মধ্যে মারা যাবেন। তখন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, কোথায় পেলে? আল্লাহর কিতাব তাওরাতে। কি পেয়েছ? তখন সে (কা’ব) বলল, না- তবে আপনার অবস্থার আলোকে কথা বলছি। কেননা, আপনার হায়াত শেষ হয়ে গেছে। আর ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ক্ষুধা ও কষ্ট কোনটাই অনুভব করলেন না। পরের দিন কা’ব এসে বলল, হে আমিরুল মু’মিনীন! তিন দিনের একদিন চলে গেছে। আর দুই দিন বাকি আছে। তারপরের দিন এসে আবারো কা’ব বলল, আপনার দুদিন (বেঁচে থাকার) চলে গেছে বাকি আছে একদিন একরাত। আপনার জন্য ভোর পর্যন্ত সময়। অতঃপর যখন ভোর (ফজর) হল তখন তিনি নামাযের জন্য বের হলেন এবং আঘাত প্রাপ্ত হন (শাহাদাতবরণ করেন)। (আখবারু ওমর, পৃঃ ৩৯৮)
ওমর ইবনে খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর দাস সাদ আল জারী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একদিন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর স্ত্রী উম্মে কুলসুম বিনতে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে ডাকলেন। তখন উম্মে কুলসুম কাঁদতে ছিলেন। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কাঁদছ কেন? তখন উম্মে কুলসুম বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! এই ইহুদী লোকটি (কা’ব) বলে, আপনি নাকি জাহান্নামের দরজাসমূহের একটি দরজায় অবস্থানরত। তখন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আল্লাহ যা চান তাই হবে।
তিনি আরো বললেন, আল্লাহর শপথ! তিনি আমাকে সৌভাগ্যশীল হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। এরপর ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে (কা’ব) ডাকতে লোক পাঠালেন এবং সে আসল এবং বলল, হে আমিরুল মু’মিনীন! আমার ব্যাপারে (শাস্তি দান) ব্যস্ত হবেন না। যার হাতে আমার প্রাণ তার শপথ করে বলছি যে, আপনি জ্বিলহজ মাসের মধ্যে জান্নাতে প্রবেশ করবেন। (মৃত্যুবরণ করবেন) তখন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, তুমি এটা কোথা হতে জেনেছ? আর আমাকে একবার জান্নাতী আবার জাহান্নামী বলছ কেন? তখন কা’ব বলল, হে আমিরুল মু’মিনীন! আমি সত্ত্বার ঐ কসম করে বলছি যার হাতে আমার প্রাণ, আমি আপনাকে আল্লাহর কিতাব তাওরাতে এমনভাবে পেয়েছি যে, আপনি জাহান্নামের দরজার কাছে বসে আছেন, যেন মানুষ জাহান্নামে পতিত না হয়।
অর্থাৎ আপনি মানুষকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করতেছেন। আর আপনি যখন মারা যাবেন তখন কেয়ামত পর্যন্ত মানুষ জাহান্নামের দিকে ধাবিত হবে (পাপ কাজ করে)। এরপর সে (কা’ব) তার কাছে (ওমর) এসে বলল, আপনি তিন দিনের মধ্যে মারা যাবেন। তখন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, কোথায় পেলে? আল্লাহর কিতাব তাওরাতে। কি পেয়েছ? তখন সে (কা’ব) বলল, না- তবে আপনার অবস্থার আলোকে কথা বলছি। কেননা, আপনার হায়াত শেষ হয়ে গেছে। আর ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ক্ষুধা ও কষ্ট কোনটাই অনুভব করলেন না। পরের দিন কা’ব এসে বলল, হে আমিরুল মু’মিনীন! তিন দিনের একদিন চলে গেছে। আর দুই দিন বাকি আছে। তারপরের দিন এসে আবারো কা’ব বলল, আপনার দুদিন (বেঁচে থাকার) চলে গেছে বাকি আছে একদিন একরাত। আপনার জন্য ভোর পর্যন্ত সময়। অতঃপর যখন ভোর (ফজর) হল তখন তিনি নামাযের জন্য বের হলেন এবং আঘাত প্রাপ্ত হন (শাহাদাতবরণ করেন)। (আখবারু ওমর, পৃঃ ৩৯৮)