১
ওমর (রাঃ) সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা
লেখকঃ আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫২
১৫০. আয়েশা (রাঃ) এর গৃহে (নবী সাঃ এর ও আবু বকর রাঃ এর পাশে) কবরের জন্য অনুমতি প্রার্থনা
ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু স্বীয় পুত্র আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু কে বললেন, তুমি উম্মুল মু’মিনীন এর কাছে যাও এবং তাকে বল যে, ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আপনাকে সালাম দিয়েছেন। আর তুমি আমিরুল মু’মিনীন বলে আমার পরিচয় দিও না। কেননা, আজকে থেকে আমি আর মু’মীনদের নেতা নই। আর তাকে বল যে, ওমর ইবনে খাত্ত্বাব আপনার কাছে তার দু’সাথীর পাশে তাকে (ওমরকে) দাফন করার অনুমতি প্রার্থনা করছেন।
আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আয়েশার কাছে গেলেন এবং তাকে সালাম দিলেন এবং গৃহে প্রবেশের অনুমতি প্রার্থনা করলেন। এরপর আবদুল্লাহ আয়েশার গৃহে প্রবেশ করলেন। আর তাকে বসাবস্থায় ক্রন্দনরত পেলেন। তিনি তাকে সালাম দিয়ে বললেন, ওমর আপনাকে সালাম পাঠিয়েছেন। আর তার সাথীর (মহানবী সাঃ ও আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর) পাশে নিজের দাফনের জন্য অনুমতি চেয়েছেন। তখন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, এটাতো আমি আমার জন্য ইচ্ছা করেছিলাম। এরপর যখন আবদুল্লাহ ফিরে আসলেন, তখন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে বলা হল যে, আবদুল্লাহ ইবনে ওমর এসেছে। তখন ওমর তাকে বললেন, তোমার কাছে কি সংবাদ আছে? তখন আবদুল্লাহ বলল, হে আমিরুল মু’মিনীন! আপনি যা পছন্দ করেন তাই হবে, হযরত আয়েশা অনুমতি দিয়েছেন।
এরপর ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমার কাছে ঐ শয়নের স্থানের চাইতে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই। হে আবদুল্লাহ ইবনে ওমর! আমি যখন মারা যাব তখন আমাকে খাটের উপর বহন করে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর দরজার কাছে যাবে আর তাকে বলবে ওমর আপনার কাছে দাফনের অনুমতি চাচ্ছেন। যদি তিনি অনুমতি দেন তাহলে আমাকে সেখানে দাফন করবে। আর যদি ফিরিয়ে দেন তাহলে আমাকে সাধারণ কবরস্থানে দাফন করবে। কেননা, আমার আশংকা হয় যে, এ অনুমতি (মৃত্যুর পূর্বে) হয়ত এজন্য যে আমি মুসলিম শাসক। যখন ওমর মারা যান তখন তাকে আয়েশার গৃহের দরজার কাছে আনা হল এবং অনুমতি চাওয়া হল। আর আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা অনুমতি দিলে তাকে সেভাবেই রাসূল (সাঃ) ও আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পাশে দাফন করা হয়। যেমনিভাবে আল্লাহ তাকে সম্মানিত করেছেন। (আর রিয়াদুন নাহ, ২৬৯)
সমাপ্ত
আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু আয়েশার কাছে গেলেন এবং তাকে সালাম দিলেন এবং গৃহে প্রবেশের অনুমতি প্রার্থনা করলেন। এরপর আবদুল্লাহ আয়েশার গৃহে প্রবেশ করলেন। আর তাকে বসাবস্থায় ক্রন্দনরত পেলেন। তিনি তাকে সালাম দিয়ে বললেন, ওমর আপনাকে সালাম পাঠিয়েছেন। আর তার সাথীর (মহানবী সাঃ ও আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর) পাশে নিজের দাফনের জন্য অনুমতি চেয়েছেন। তখন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বললেন, এটাতো আমি আমার জন্য ইচ্ছা করেছিলাম। এরপর যখন আবদুল্লাহ ফিরে আসলেন, তখন ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু-কে বলা হল যে, আবদুল্লাহ ইবনে ওমর এসেছে। তখন ওমর তাকে বললেন, তোমার কাছে কি সংবাদ আছে? তখন আবদুল্লাহ বলল, হে আমিরুল মু’মিনীন! আপনি যা পছন্দ করেন তাই হবে, হযরত আয়েশা অনুমতি দিয়েছেন।
এরপর ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আমার কাছে ঐ শয়নের স্থানের চাইতে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই। হে আবদুল্লাহ ইবনে ওমর! আমি যখন মারা যাব তখন আমাকে খাটের উপর বহন করে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর দরজার কাছে যাবে আর তাকে বলবে ওমর আপনার কাছে দাফনের অনুমতি চাচ্ছেন। যদি তিনি অনুমতি দেন তাহলে আমাকে সেখানে দাফন করবে। আর যদি ফিরিয়ে দেন তাহলে আমাকে সাধারণ কবরস্থানে দাফন করবে। কেননা, আমার আশংকা হয় যে, এ অনুমতি (মৃত্যুর পূর্বে) হয়ত এজন্য যে আমি মুসলিম শাসক। যখন ওমর মারা যান তখন তাকে আয়েশার গৃহের দরজার কাছে আনা হল এবং অনুমতি চাওয়া হল। আর আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা অনুমতি দিলে তাকে সেভাবেই রাসূল (সাঃ) ও আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু এর পাশে দাফন করা হয়। যেমনিভাবে আল্লাহ তাকে সম্মানিত করেছেন। (আর রিয়াদুন নাহ, ২৬৯)
সমাপ্ত