১
ওমর (রাঃ) সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা
লেখকঃ আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭০
৬৮. এক মদ্যপানকারীকে ওমরের উপদেশ
সিরিয়ার জনৈক প্রভাবশালী শক্তিধর ব্যক্তি ওমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট আসা-যাওয়া করত। কিছুদিন পর্যন্ত তার আগমন বন্ধ থাকায় তিনি লোকদের কাছে তার অবস্থা জিজ্ঞেস করলেন। লোকেরা বলল, আমিরুল মু’মীন তার কথা বলবেন না। সে তো মদ্যপানে বিভোর হয়ে থাকে। অতঃপর খলিফা তার সচিবকে ডেকে বললেন, তার কাছে এ চিঠি লিখ– ওমর ইবনে খাত্তাবের পক্ষ হতে অমুকের নামে তোমার সালাম। অতঃপর আমি তোমার জন্যে সে আল্লাহর প্রশংসা করি, যিনি ব্যতিত কোন উপাস্য নেই। তিনি পাপ ক্ষমাকারী, তওবা কবুলকারী, কঠোর শাস্তিদাতা এবং বড় সামর্থ্যবান। তিনি ব্যতিত কোন উপাস্য নেই।
তার দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। অতঃপর তিনি মজলিসে উপস্থিত লোকদেরকে বললেন, সবাই মিলে তার জন্যে জিকির">দোয়া কর, যেন আল্লাহ তায়ালা তার মন ফিরিয়ে দেন এবং তার তওবা কবুল হয়। তিনি দূতের হাতে চিঠি দিয়ে নির্দেশ দিলেন যে, লোকটির নেশার ঘোর না কাটা পর্যন্ত তার হাতে চিঠি দিও না এবং অন্য কারো কাছে দিও না। লোকটি খলিফার চিঠি পেয়ে তা পাঠ করল এবং চিন্তা করতে লাগল, এতে আমাকে শাস্তির ভয়ই দেখানো হয়েছে এবং ক্ষমা করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। অতঃপর সে কান্না করতে শুরু করল এবং এমন তওবা করল যে, জীবনে আর কখনো মদের কাছেও গেল না। ওমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু আনহু এই প্রতিক্রিয়ার সংবাদ পেয়ে বললেন, এ ধরনের ব্যাপারে তোমাদের এমন করা উচিত। যখন কোন ভাই কোন ভ্রান্তিতে পতিত হয়, তখন তাকে ঠিক পথে আনার চিন্তা করো। তাকে আল্লাহর রহমতের ভরসা দাও আল্লাহর কাছে তার তওবার জন্যে দোয়া কর।
তোমরা তার বিপক্ষে শয়তানের সাহায্যকারী হয়ো। অর্থাৎ তাকে গালমন্দ করে অথবা রাগান্বিত করে যদি দ্বীন থেকে আরো সরিয়ে দাও, তবে তাই হবে শয়তানের সাহায্য। (তাফসীরে কুরতুবী, ১৫/২৫৬)
তার দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। অতঃপর তিনি মজলিসে উপস্থিত লোকদেরকে বললেন, সবাই মিলে তার জন্যে জিকির">দোয়া কর, যেন আল্লাহ তায়ালা তার মন ফিরিয়ে দেন এবং তার তওবা কবুল হয়। তিনি দূতের হাতে চিঠি দিয়ে নির্দেশ দিলেন যে, লোকটির নেশার ঘোর না কাটা পর্যন্ত তার হাতে চিঠি দিও না এবং অন্য কারো কাছে দিও না। লোকটি খলিফার চিঠি পেয়ে তা পাঠ করল এবং চিন্তা করতে লাগল, এতে আমাকে শাস্তির ভয়ই দেখানো হয়েছে এবং ক্ষমা করার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। অতঃপর সে কান্না করতে শুরু করল এবং এমন তওবা করল যে, জীবনে আর কখনো মদের কাছেও গেল না। ওমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু আনহু এই প্রতিক্রিয়ার সংবাদ পেয়ে বললেন, এ ধরনের ব্যাপারে তোমাদের এমন করা উচিত। যখন কোন ভাই কোন ভ্রান্তিতে পতিত হয়, তখন তাকে ঠিক পথে আনার চিন্তা করো। তাকে আল্লাহর রহমতের ভরসা দাও আল্লাহর কাছে তার তওবার জন্যে দোয়া কর।
তোমরা তার বিপক্ষে শয়তানের সাহায্যকারী হয়ো। অর্থাৎ তাকে গালমন্দ করে অথবা রাগান্বিত করে যদি দ্বীন থেকে আরো সরিয়ে দাও, তবে তাই হবে শয়তানের সাহায্য। (তাফসীরে কুরতুবী, ১৫/২৫৬)