১
ওমর (রাঃ) সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা
লেখকঃ আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
৬. কুরাইশদের সামনে ইসলাম প্রকাশ
ওমরের ইসলাম গ্রহণ ইসলামের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। যদিও তখন পর্যন্ত ৪০/৫০ জন লোক ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং তাদের মধ্যে হযরত হামযাও ছিলেন, তথাপি মুসলমানদের পক্ষে কা’বায় গিয়ে নামায পড়া তো দূরের কথা নিজেদেরকে মুসলমান বলে প্রকাশ করাও নিরাপদ ছিল না। হযরত ওমরের ইসলাম গ্রহণের সাথে সাথে এ অবস্থার পরিবর্তন হলো। তিনি প্রকাশ্যে ইসলামের ঘোষণা দিলেন এবং অন্যদের সাথে নিয়ে কা’বা ঘরে নামায আদায় করলেন।
ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণের পর সেই রাতেই চিন্তা করলাম, মক্কাবাসীদের মধ্যে রাসূল (সাঃ)-এর সবচেয়ে কট্টর দুশমন কে আছে। আমি নিজে গিয়ে তাকে আমার ইসলাম গ্রহণের কথা জানাব। আমি মনে করলাম, আবু জাহেলই সবচেয়ে বড় দুশমন। সকাল হতেই আমি তার দরজায় করাঘাত করলাম। আবু জাহেল বেরিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল, কি মনে করে? আমি বললাম, আপনাকে একথা জানাতে এসেছি যে, আমি আল্লাহ ও তার রাসূল মুহাম্মাদ এর প্রতি ঈমান এনেছি এবং তার আনীত বিধান ও বাণীকে মেনে নিয়েছি। একথা শোনামাত্র সে আমার মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিল এবং বলল, আল্লাহ তোকে কলংকিত করুক এবং যে খবর নিয়ে তুই এসেছিস তাকেও কলংকিত করুক (ফাযায়েলুস সাহাবা লি ইমাম আহমদ, ১৩৪৬)
ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি ইসলাম গ্রহণের পর সেই রাতেই চিন্তা করলাম, মক্কাবাসীদের মধ্যে রাসূল (সাঃ)-এর সবচেয়ে কট্টর দুশমন কে আছে। আমি নিজে গিয়ে তাকে আমার ইসলাম গ্রহণের কথা জানাব। আমি মনে করলাম, আবু জাহেলই সবচেয়ে বড় দুশমন। সকাল হতেই আমি তার দরজায় করাঘাত করলাম। আবু জাহেল বেরিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল, কি মনে করে? আমি বললাম, আপনাকে একথা জানাতে এসেছি যে, আমি আল্লাহ ও তার রাসূল মুহাম্মাদ এর প্রতি ঈমান এনেছি এবং তার আনীত বিধান ও বাণীকে মেনে নিয়েছি। একথা শোনামাত্র সে আমার মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিল এবং বলল, আল্লাহ তোকে কলংকিত করুক এবং যে খবর নিয়ে তুই এসেছিস তাকেও কলংকিত করুক (ফাযায়েলুস সাহাবা লি ইমাম আহমদ, ১৩৪৬)