১
ওমর (রাঃ) সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা
লেখকঃ আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫১
৪৮. আমি তোমাকে বসরার কাযী নির্বাচন করলাম
এক মহিলা ওমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর নিকট এসে বলল, হে আমিরুল মু’মিনীন! আমার স্বামী দিনে রোযা রাখে এবং রাতে নামায পড়ে। সে যেহেতু আল্লাহর ইবাদাতে লিপ্ত থাকে তাই তার ব্যাপারে আমি অভিযোগ করতেও পছন্দ করি না। তখন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, হে আমিরুর মু’মিনীন! এ মহিলা যে অভিযোগ করছে তা হলো তার স্বামী তার থেকে দূরে থাকে। তখন ওমর বললেন, তুমি যেভাবে বিষয়টি বুঝেছ সেভাবে তাদের মধ্যে ফয়সালা করে দাও। তখন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, তার স্বামীকে আমার নিকট উপস্থিত করতে হবে। তাই তার স্বামীকে আনা হলো। তিনি তাকে বললেন, তোমার স্ত্রী তোমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে। স্বামী বলল, তা কি খাদ্যের ব্যাপারে নাকি পানীয় এর ব্যাপারে? তিনি বললেন না।
তখন মহিলা বলল, হে বিচারক! স্ত্রীদের ব্যাপারে আমার স্বামীর আকর্ষণ নেই। তিনি ইবাদাতের মধ্যে রাত কাটাতে চান, একথা শুনে স্বামী বলল, সূরা নাহল এবং আল্লাহর কালামের ভয় আমাকে নারী থেকে উদাসীন করে রেখেছে। একথা শুনে কা’ব বললেন, হে পুরুষ! তোমার ওপর স্ত্রীর হক রয়েছে যার জ্ঞান আছে সে যেন চার দিন পর হলেও স্ত্রীর কাছে যায়। সুতরাং তুমি তার হক আদায় করো এবং দোষমুক্ত হও। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহ তায়ালা তোমার জন্য এক থেকে চার পর্যন্ত নারীকে বিয়ে করা হালাল করেছেন। সুতরাং তোমার উচিত তিন দিন তিন রাত তোমার রবের ইবাদাত করা (এরপর স্ত্রীকে সময় দেয়া)। এ ফয়সালা শুনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি বুঝতে পারছি না তোমার কোন বিষয়টি আশ্চর্যজনক। তাদের বিষয়টি অনুধাবন করতে পারা নাকি তাদের মধ্যকার তোমার ফায়সালা। যাও আমি তোমাকে বসরার কাজী নির্বাচিত করলাম। (খোলাফাই রাশেদুন, পৃঃ ২১৮,২১৯)
তখন মহিলা বলল, হে বিচারক! স্ত্রীদের ব্যাপারে আমার স্বামীর আকর্ষণ নেই। তিনি ইবাদাতের মধ্যে রাত কাটাতে চান, একথা শুনে স্বামী বলল, সূরা নাহল এবং আল্লাহর কালামের ভয় আমাকে নারী থেকে উদাসীন করে রেখেছে। একথা শুনে কা’ব বললেন, হে পুরুষ! তোমার ওপর স্ত্রীর হক রয়েছে যার জ্ঞান আছে সে যেন চার দিন পর হলেও স্ত্রীর কাছে যায়। সুতরাং তুমি তার হক আদায় করো এবং দোষমুক্ত হও। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহ তায়ালা তোমার জন্য এক থেকে চার পর্যন্ত নারীকে বিয়ে করা হালাল করেছেন। সুতরাং তোমার উচিত তিন দিন তিন রাত তোমার রবের ইবাদাত করা (এরপর স্ত্রীকে সময় দেয়া)। এ ফয়সালা শুনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আমি বুঝতে পারছি না তোমার কোন বিষয়টি আশ্চর্যজনক। তাদের বিষয়টি অনুধাবন করতে পারা নাকি তাদের মধ্যকার তোমার ফায়সালা। যাও আমি তোমাকে বসরার কাজী নির্বাচিত করলাম। (খোলাফাই রাশেদুন, পৃঃ ২১৮,২১৯)