hadith book logo

ওমর (রাঃ) সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা

লেখকঃ আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩৯

৩৬. আমি জানতে পারলাম যে, এটাই সত্য

আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন নবী (সাঃ) ওফাত লাভ করলেন এবং আবূ বক্‌র রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর খলিফা হলেন, তখন কতিপয় আরব মুরতাদ হয়ে কুফ্‌রীর দিকে ফিরে গেল। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, হে আবূ বকর! আপনি কি করে এদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারেন অথচ আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেছেন: আমি ততক্ষণ পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে নির্দেশ পেয়েছি যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা বলবে, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই) এবং যে কেউ (কালিমা) ‘লাইলা-হা ইল্লাল্লা-হু’ বলবে, সে তার জান-মাল আমার হাত থেকে রক্ষা করল, যদি না সে (শারী’আতে শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়) কোন বৈধ কারণে (হত্যাযোগ্য হয়)। এবং তার হিসাব হবে আল্লাহর দরবারে?

আবূ বক্‌র বললেন, আল্লাহর কসম! যে সালাত (নামায) ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে আমি তার বিরুদ্ধে লড়াই করব, কেননা যাকাত হচ্ছে ঐ হাক্ব যা (আল্লাহ প্রদত্ত নির্দেশের বলে) সম্পদ থেকে আদায় করতে হবে। আল্লাহর নামের কসম! যদি তারা রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছে যে যাকাত দিত তা থেকে একটি বকরীর বাচ্চাও দিতে অস্বীকার করে, তাহলে আমি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব যতক্ষণ পর্যন্ত না তা পুনর্বহাল করতে পারি। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, আল্লাহর কসম! এটা আর কিছুই নয়, বরং আমি লক্ষ্য করলাম যে, আল্লাহ তা’আলা আবূ বক্‌র রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণের দিক নির্দেশ দিয়েছেন সুতরাং আমি উপলব্ধি করলাম যে, তার সিদ্ধান্ত সঠিক। (বুখারী, হাদীস-৬৯২৫)