১
হাদীস সংকলনের ইতিহাস
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০২
দামেশক
দামেশক উমাইয়া খলীফাদের রাজধানী, সিরিয়ার অন্তর্ভুক্ত এক সভ্যতামণ্ডিত শহর। সিরিয়ায় এক সময় দশ সহস্র সাহাবী অবস্থান করিতেন। ঐতিহাসিক ইবনে আসাকির লিখিয়াছেনঃ
সিরিয়ায় দশ সহস্র লোক এমন ছিলেন, যহাদের চক্ষু রাসূলে করীম (ﷺ)-কে দর্শনলাভে ধন্য হইয়াছিলেন।
পূর্বে এক স্থানে উল্লেক করা হইয়াছে, হযরত উমর ফারুক (রা) তাঁহার খিলাফতকালে হযরত মুয়ায ইবনে জাবাল, উবাদাহ ইবনুস সামিত এবং আরো কয়েকজন বিশিষ্ট সাহাবীকে কুরআন ও হাদীসের ব্যাপক প্রচার ও শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে সিরিয়ায় প্রেরণ করিয়াছিলেন। সিরিয়ায় জনগণ প্রথমত তাহাদের নিকট হইতেই কুরআন ও হাদীস শিক্ষা লাভ করেন এবং-
তাহাদের নিকট ও সূত্র হইতেই সমগ্র মুসলমানের নিকট কুরআন ও হাদীসের ইলম পৌঁছায়।
উমাইয়া খলীফা আবদুল মালিক –এর শাসনকালে দামেশকে ইসলামী ইলমের ব্যাপক চর্চা হইত। তাবেয়ীন ও তাবে-তাবেয়ীনের সময়ও এখানে বহু সংখ্যক মুহাদ্দিস ও ফিকাহবিদ বর্তমান ছিলেন। হাফেজ যাহবী এই কথার উল্লেখ করার পর লিখিয়াছেনঃ
দামেশক কুরআন-হাদীস ও ফিকাহর কেন্দ্রস্থল। তবে চতুর্থ ও পঞ্চম হিজরী শতকে এখানে ইলমে হাদীসের চর্চা অনেকখানি হ্রাস পায়।
প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ও ফিকাহবিদ ইমাম আওযায়ী এই শহরেরই অধিবাসী ছিলেন। হিশাম ও দহীম নামক দুইজন প্রখ্যাত মুহাদ্দিস এখানে ছিলেন, তারা ব্যাপকভাবে হাদীসের দরস দিতেন। ইমাম ইবনে মাজাহ (র) এইসব দরসে শরীক হইয়াছেন এবং এখান হইতে তিনি বহু সংখ্যক হাদীস সংগ্রহ করিয়াছিলেন। ইমাম বুখারী, আবূ দাউদ ও নাসায়ীও তাঁহার ছাত্র। ২৪৫ হিজরী সনে হাফেজ দহীম ইন্তেকাল করেন এবং হিশাম দামেশকে ইন্তেকাল করেন।
সিরিয়ায় দশ সহস্র লোক এমন ছিলেন, যহাদের চক্ষু রাসূলে করীম (ﷺ)-কে দর্শনলাভে ধন্য হইয়াছিলেন।
পূর্বে এক স্থানে উল্লেক করা হইয়াছে, হযরত উমর ফারুক (রা) তাঁহার খিলাফতকালে হযরত মুয়ায ইবনে জাবাল, উবাদাহ ইবনুস সামিত এবং আরো কয়েকজন বিশিষ্ট সাহাবীকে কুরআন ও হাদীসের ব্যাপক প্রচার ও শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে সিরিয়ায় প্রেরণ করিয়াছিলেন। সিরিয়ায় জনগণ প্রথমত তাহাদের নিকট হইতেই কুরআন ও হাদীস শিক্ষা লাভ করেন এবং-
তাহাদের নিকট ও সূত্র হইতেই সমগ্র মুসলমানের নিকট কুরআন ও হাদীসের ইলম পৌঁছায়।
উমাইয়া খলীফা আবদুল মালিক –এর শাসনকালে দামেশকে ইসলামী ইলমের ব্যাপক চর্চা হইত। তাবেয়ীন ও তাবে-তাবেয়ীনের সময়ও এখানে বহু সংখ্যক মুহাদ্দিস ও ফিকাহবিদ বর্তমান ছিলেন। হাফেজ যাহবী এই কথার উল্লেখ করার পর লিখিয়াছেনঃ
দামেশক কুরআন-হাদীস ও ফিকাহর কেন্দ্রস্থল। তবে চতুর্থ ও পঞ্চম হিজরী শতকে এখানে ইলমে হাদীসের চর্চা অনেকখানি হ্রাস পায়।
প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ও ফিকাহবিদ ইমাম আওযায়ী এই শহরেরই অধিবাসী ছিলেন। হিশাম ও দহীম নামক দুইজন প্রখ্যাত মুহাদ্দিস এখানে ছিলেন, তারা ব্যাপকভাবে হাদীসের দরস দিতেন। ইমাম ইবনে মাজাহ (র) এইসব দরসে শরীক হইয়াছেন এবং এখান হইতে তিনি বহু সংখ্যক হাদীস সংগ্রহ করিয়াছিলেন। ইমাম বুখারী, আবূ দাউদ ও নাসায়ীও তাঁহার ছাত্র। ২৪৫ হিজরী সনে হাফেজ দহীম ইন্তেকাল করেন এবং হিশাম দামেশকে ইন্তেকাল করেন।