১
হাদীস সংকলনের ইতিহাস
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩১
ষষ্ঠ গ্রন্হ কোনখানি?
কিন্তু এই পাঁচখানি গ্রন্হের পর ষষ্ঠ মর্যাদার গ্রন্হ যে কোনখানি তাহা লইয়া মুহাদ্দিসগণের মধ্যে মতভেদের সৃষ্টি হইয়াছে।
প্রাথমিক পর্যায়ের মুহাদ্দিসগণ এবং শেষ পর্যায়ের অনেক হাদীসবিদই প্রধান হাদীস গ্রন্হ হিসাবে উপরোক্ত পাঁচাখানিকেই গণ্য করিয়াছেন। কিন্তু শেষ পর্যায়ের (মুতায়াখখেরীন) মুহাদ্দিসদের মধ্যে কেহ কেহ ইহার বিপরীত মত প্রকাশ করিয়াছেন। এই ছয়খানির মধ্যে ষষ্ঠ গ্রন্হ লইয়াও যথেষ্ট মতভেধ রহিয়াছে। কাহারো মতে সিহাহ সিত্তার ষষ্ঠ গ্রন্হ হইতেছে ইবনে মাজাহ শরীফ, আবার কাহারো মতে মুয়াত্তা ইমাম মালিক। কিন্তু এই পর্যায়ের হাদীসবিদদের দৃষ্টিতে ‘মুয়াত্তা’র তুলনায় ‘ইবনে মাজাহ’ অনেক উন্নত ও জনসাধারণের পক্ষে ব্যবহারোপযোগী। বিধায় ইহাই হইতেছে সিহাহ-সিত্তার ষষ্ঠ গ্রন্হ। হাফেজ আবুল ফযল ইবনে তাহের মাখদাসী (মৃঃ ৫০৭ হিঃ) সর্বপ্রথম সিহাহ-সিত্তার ষষ্ঠ গ্রন্হ হিসাবে ‘ইবনে মাজাহর’ নাম ঘোষণা করেন।
অতঃপর হাফেজ আবদুল গনী আলমাকদাসী ও এই কথাই মানিয়া লন।
মুহাদ্দিস আবুল হাসান সনদী লিখিয়াছেনঃ
শেষ পর্যায়ের অধিকাংশ মুহাদ্দিসের মত এই যে, ইবনে মাজাহ শরীফ-ই সিহাহ-সিত্তার ষষ্ঠ গ্রন্হ।
কোন কোন মুহাদ্দিস সুনানে ইবনে মাজাহ অপেক্ষা সুনানে দারেমীকে অধিকতর উন্নত ও দোষমুক্ত হাদীসগ্রন্হ বলিয়া মনে করেন। তারা সিহাহ-সিত্তার ষষ্ঠ গ্রন্হ হিসাবে উহার নাম পেশ করিয়াছেন। কিন্তু এই সব কথার কোনটিই গ্রহণযোগ্য নয়। সুনানে ইবনে মাজাহ যেকোন দিক দিয়াই মুয়াত্তা ও সুনানে দারেমী অপেক্ষা উন্নত। তাই এই ষষ্ঠ গ্রন্হ হিসাবে সুনানে ইবনে মাজাহই উল্লেখযোগ্য। ঐতিহাসিক ইবনে খাল্লিকান (মৃঃ ৬৮১ হিঃ) ইবনে মাজাহ সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে লিখিয়াছেনঃ
তাঁহার হাদীস গ্রন্হখানি সিহাহ-সিত্তার অন্যতম।
প্রাথমিক পর্যায়ের মুহাদ্দিসগণ এবং শেষ পর্যায়ের অনেক হাদীসবিদই প্রধান হাদীস গ্রন্হ হিসাবে উপরোক্ত পাঁচাখানিকেই গণ্য করিয়াছেন। কিন্তু শেষ পর্যায়ের (মুতায়াখখেরীন) মুহাদ্দিসদের মধ্যে কেহ কেহ ইহার বিপরীত মত প্রকাশ করিয়াছেন। এই ছয়খানির মধ্যে ষষ্ঠ গ্রন্হ লইয়াও যথেষ্ট মতভেধ রহিয়াছে। কাহারো মতে সিহাহ সিত্তার ষষ্ঠ গ্রন্হ হইতেছে ইবনে মাজাহ শরীফ, আবার কাহারো মতে মুয়াত্তা ইমাম মালিক। কিন্তু এই পর্যায়ের হাদীসবিদদের দৃষ্টিতে ‘মুয়াত্তা’র তুলনায় ‘ইবনে মাজাহ’ অনেক উন্নত ও জনসাধারণের পক্ষে ব্যবহারোপযোগী। বিধায় ইহাই হইতেছে সিহাহ-সিত্তার ষষ্ঠ গ্রন্হ। হাফেজ আবুল ফযল ইবনে তাহের মাখদাসী (মৃঃ ৫০৭ হিঃ) সর্বপ্রথম সিহাহ-সিত্তার ষষ্ঠ গ্রন্হ হিসাবে ‘ইবনে মাজাহর’ নাম ঘোষণা করেন।
অতঃপর হাফেজ আবদুল গনী আলমাকদাসী ও এই কথাই মানিয়া লন।
মুহাদ্দিস আবুল হাসান সনদী লিখিয়াছেনঃ
শেষ পর্যায়ের অধিকাংশ মুহাদ্দিসের মত এই যে, ইবনে মাজাহ শরীফ-ই সিহাহ-সিত্তার ষষ্ঠ গ্রন্হ।
কোন কোন মুহাদ্দিস সুনানে ইবনে মাজাহ অপেক্ষা সুনানে দারেমীকে অধিকতর উন্নত ও দোষমুক্ত হাদীসগ্রন্হ বলিয়া মনে করেন। তারা সিহাহ-সিত্তার ষষ্ঠ গ্রন্হ হিসাবে উহার নাম পেশ করিয়াছেন। কিন্তু এই সব কথার কোনটিই গ্রহণযোগ্য নয়। সুনানে ইবনে মাজাহ যেকোন দিক দিয়াই মুয়াত্তা ও সুনানে দারেমী অপেক্ষা উন্নত। তাই এই ষষ্ঠ গ্রন্হ হিসাবে সুনানে ইবনে মাজাহই উল্লেখযোগ্য। ঐতিহাসিক ইবনে খাল্লিকান (মৃঃ ৬৮১ হিঃ) ইবনে মাজাহ সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে লিখিয়াছেনঃ
তাঁহার হাদীস গ্রন্হখানি সিহাহ-সিত্তার অন্যতম।