১
হাদীস সংকলনের ইতিহাস
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮৭
শায়খ আবদুল হকের ছাত্রবৃন্দ
১) খাজা খারেন্দ মুয়ীনুদ্দীন (মৃঃ ১০৮৫ হিঃ),
(২) খাজা হায়দার পাতলু (মৃঃ ১০৫৭ হিঃ),
(৩) বাবা দায়ুদুল মিশতাকী কাশ্মীরী,
(৪) শায়খ এনায়েতুল্লাহ মাহাদ্দিসে কাশ্মীরী (মৃঃ ১১৯৫ হিঃ),- ইনি ৩৬ বৎসর পর্যণ্ত হাদীসের দারস দিয়াছেন।
(৫) মীর সাইয়েদ মুবারক বিলগিরামী (মৃঃ ১১১৫ হিঃ),- তিনি শামায়েলুন্নবী ও হিসনে হাসীনের ফারসী ব্যাখ্যা লিখেন।
(৬) মীর আবদুল জলীল বিলগিরামী (মৃঃ ১১৩৮ হিঃ),- তিনি আসমাউল রিজাল বিষয়ে পারদর্শী মুহাদ্দিস ছিলেন,
(৭) মীর আযাদ বিলগিরামী (মৃঃ ১২০০ হিঃ),- তাঁহার হাদীস সম্পর্কিত গ্রন্হাবলীর নামঃ
ক) আজ জুয়ুদ্দরারী শরহে সহীহিল বুখারী
খ) শামামাতুল আম্বর ফী মা আরাদা ফিলহিন্দে মিন সাইয়েদিল বাশার
গ) সুবহাতুল মুরজান ফী আসারে হিন্দুস্থান।
ঘ) মখদুম সায়াদ ফী হুসনে খাতিমাতুল সায়াদা।
নিম্নলিখিত মুহাদ্দিসগণ হিজরী একাদশ শতকের মধ্যভাগ হইতে দ্বাদশ শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত খ্যাতি লাভ করেনঃ
১) মুহাম্মদ সিদ্দীক ইবনে শরীফ (মৃঃ ১০৪০ হিঃ),
২) শায়ক হুসাইনুল হুসাইনী (মৃঃ ১০৪৩ হিঃ)
৩) সাইয়েদ জা’ফর বদরে আলম (মৃঃ ১০৮৫ হিঃ)- তিনি ‘আল ফায়জুততারী ফী শরহে সহীহিল বুখারী’ ও ‘রাওজাতুশ-শাহ’ নামে দুইখনি গ্রন্হ রচনা করেন,
৪) আবুল মাজদ মাহবুবে আলম (মৃঃ১১১১ হিঃ)- তিনি ‘ যীনাতুন নুকাত ফী শারহিল মিশকাত’ নামে একখানি গ্রন্হ রচনা করেন,
৫) শায়খ ইয়াকুব বানানী লাহোরী (মৃঃ১০৯৮ হিঃ)- তিনি নিম্নলিখিত তিনখানি গ্রন্হ রচনা করেনঃ
ক) আল খায়রুল জারী ফী শরহে সহীহিল বুখারী
খ) আল মু’লিম ফী শরহে সহীহিল মুসলিম
গ) কিতাবুল মুসাফফা ফী শরহে মুয়াত্তা
৬) মওলানা নয়ীম সিদ্দীকী (মৃঃ ১১২০ হিঃ)- তিনি মিশকাতুল মাসাবীহর একখানি ব্যাখ্যাগ্রন্হ রচনা করেন,
(৭) শায়খ মুহাম্মদ আকরাম ইবনে আবদুর রহমান (মৃঃ ১১৩০ হিঃ)।
(৮) শায়খ ইয়াহইয়া ইবনে আমীর আল-আব্বাসী (মৃঃ ১১১৪ হিঃ)- ইনি
(ক) ‘ইয়ানাতুল কারী শরহে মুলাসীয়াতে বুখারী
(খ) আরবায়ীন
(গ) তাযকিরাতুল আসহাব প্রভৃতি গ্রন্হ রচনা করেন,
(৯) শায়খ মুহাম্মদ ফাখের ইলাহবাদী (মৃঃ ১১৬৪ হিঃ)- তিনি হাদীস বিষয় নিম্নলিখিত ৪ খানা গ্রন্হ রচনা করেনঃ
ক) কুররাতুল আইন ফী ইসবাতে রাফয়ে ইয়াদাইন
খ) রিসালায়ে নাজাতীয়া দর আকায়েদে হাদীসীয়া
(গ) নজমে ইবরাতে সফরুস সায়াদ
(ঘ) মসনভী দর তা’রীফে হাদীস।
(১০) মওলানা আমীনুদ্দীন মুহাম্মদ উমারী (মৃঃ ১১৪৫ হিঃ),
(১১) মওলানা নূরুদ্দীন ইবনে সালেহ আহমদাবাদী (মৃঃ ১১৫৫ হিঃ)- তিনি ‘নূরুল কারী শরহে সহীহিল বুখারী’ নামে বুখারী শরীফের ব্যাখ্যা রচনা করেন,
(১২) মীর্যা মুহাম্মদ ইবনে রুস্তাম বাদাখশী (মৃঃ ১১৯৫ হিঃ)। তাঁহার নিম্নলিখিত হাদীস গ্রন্হাবলী উল্লেখযোগ্যঃ
ক) মিফতাহুন নাজা ফী মানকিবিল আবা
খ) তারাজিমুল হুফফাজ
গ) নুযুলুল আবরার বিমা সাহহা মিন মানাকিবে আহলিল বায়তিল আতহার
ঘ) তুহফাতুল মুহিব্বীন ফী মানাকিবে খুলাফায়ে রাশেদীন।
(১৩) মীর্যা জান জলন্ধরী বিরাকী (মৃঃ ১১০০ হিঃ)- তিনি ‘নজমুদ দরার অল মরজান’ নামে একখানি গ্রন্হ রচনা করেন।
(১৪) মুহাম্মদ সিদ্দীক লাহোরী (মৃঃ১১৯৩ হিঃ)- তিনি ‘ইযালাতুল ফাসাদাত ফী শরহে মানাকিবিস সায়াদাত’ নামে একখানি গ্রন্হ রচনা করেন।
(১৫) শায়খ হাশেম ইবনে আবদুল গফুর সিন্দী। তিনি সহীহ বুখারী শরীফকে সাহাবাদের ক্রমিক পর্যায় পরম্পরানুযায়ী নূতনভাবে সজ্জিত ও সুবিন্যাস্ত করেন।
(২) খাজা হায়দার পাতলু (মৃঃ ১০৫৭ হিঃ),
(৩) বাবা দায়ুদুল মিশতাকী কাশ্মীরী,
(৪) শায়খ এনায়েতুল্লাহ মাহাদ্দিসে কাশ্মীরী (মৃঃ ১১৯৫ হিঃ),- ইনি ৩৬ বৎসর পর্যণ্ত হাদীসের দারস দিয়াছেন।
(৫) মীর সাইয়েদ মুবারক বিলগিরামী (মৃঃ ১১১৫ হিঃ),- তিনি শামায়েলুন্নবী ও হিসনে হাসীনের ফারসী ব্যাখ্যা লিখেন।
(৬) মীর আবদুল জলীল বিলগিরামী (মৃঃ ১১৩৮ হিঃ),- তিনি আসমাউল রিজাল বিষয়ে পারদর্শী মুহাদ্দিস ছিলেন,
(৭) মীর আযাদ বিলগিরামী (মৃঃ ১২০০ হিঃ),- তাঁহার হাদীস সম্পর্কিত গ্রন্হাবলীর নামঃ
ক) আজ জুয়ুদ্দরারী শরহে সহীহিল বুখারী
খ) শামামাতুল আম্বর ফী মা আরাদা ফিলহিন্দে মিন সাইয়েদিল বাশার
গ) সুবহাতুল মুরজান ফী আসারে হিন্দুস্থান।
ঘ) মখদুম সায়াদ ফী হুসনে খাতিমাতুল সায়াদা।
নিম্নলিখিত মুহাদ্দিসগণ হিজরী একাদশ শতকের মধ্যভাগ হইতে দ্বাদশ শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত খ্যাতি লাভ করেনঃ
১) মুহাম্মদ সিদ্দীক ইবনে শরীফ (মৃঃ ১০৪০ হিঃ),
২) শায়ক হুসাইনুল হুসাইনী (মৃঃ ১০৪৩ হিঃ)
৩) সাইয়েদ জা’ফর বদরে আলম (মৃঃ ১০৮৫ হিঃ)- তিনি ‘আল ফায়জুততারী ফী শরহে সহীহিল বুখারী’ ও ‘রাওজাতুশ-শাহ’ নামে দুইখনি গ্রন্হ রচনা করেন,
৪) আবুল মাজদ মাহবুবে আলম (মৃঃ১১১১ হিঃ)- তিনি ‘ যীনাতুন নুকাত ফী শারহিল মিশকাত’ নামে একখানি গ্রন্হ রচনা করেন,
৫) শায়খ ইয়াকুব বানানী লাহোরী (মৃঃ১০৯৮ হিঃ)- তিনি নিম্নলিখিত তিনখানি গ্রন্হ রচনা করেনঃ
ক) আল খায়রুল জারী ফী শরহে সহীহিল বুখারী
খ) আল মু’লিম ফী শরহে সহীহিল মুসলিম
গ) কিতাবুল মুসাফফা ফী শরহে মুয়াত্তা
৬) মওলানা নয়ীম সিদ্দীকী (মৃঃ ১১২০ হিঃ)- তিনি মিশকাতুল মাসাবীহর একখানি ব্যাখ্যাগ্রন্হ রচনা করেন,
(৭) শায়খ মুহাম্মদ আকরাম ইবনে আবদুর রহমান (মৃঃ ১১৩০ হিঃ)।
(৮) শায়খ ইয়াহইয়া ইবনে আমীর আল-আব্বাসী (মৃঃ ১১১৪ হিঃ)- ইনি
(ক) ‘ইয়ানাতুল কারী শরহে মুলাসীয়াতে বুখারী
(খ) আরবায়ীন
(গ) তাযকিরাতুল আসহাব প্রভৃতি গ্রন্হ রচনা করেন,
(৯) শায়খ মুহাম্মদ ফাখের ইলাহবাদী (মৃঃ ১১৬৪ হিঃ)- তিনি হাদীস বিষয় নিম্নলিখিত ৪ খানা গ্রন্হ রচনা করেনঃ
ক) কুররাতুল আইন ফী ইসবাতে রাফয়ে ইয়াদাইন
খ) রিসালায়ে নাজাতীয়া দর আকায়েদে হাদীসীয়া
(গ) নজমে ইবরাতে সফরুস সায়াদ
(ঘ) মসনভী দর তা’রীফে হাদীস।
(১০) মওলানা আমীনুদ্দীন মুহাম্মদ উমারী (মৃঃ ১১৪৫ হিঃ),
(১১) মওলানা নূরুদ্দীন ইবনে সালেহ আহমদাবাদী (মৃঃ ১১৫৫ হিঃ)- তিনি ‘নূরুল কারী শরহে সহীহিল বুখারী’ নামে বুখারী শরীফের ব্যাখ্যা রচনা করেন,
(১২) মীর্যা মুহাম্মদ ইবনে রুস্তাম বাদাখশী (মৃঃ ১১৯৫ হিঃ)। তাঁহার নিম্নলিখিত হাদীস গ্রন্হাবলী উল্লেখযোগ্যঃ
ক) মিফতাহুন নাজা ফী মানকিবিল আবা
খ) তারাজিমুল হুফফাজ
গ) নুযুলুল আবরার বিমা সাহহা মিন মানাকিবে আহলিল বায়তিল আতহার
ঘ) তুহফাতুল মুহিব্বীন ফী মানাকিবে খুলাফায়ে রাশেদীন।
(১৩) মীর্যা জান জলন্ধরী বিরাকী (মৃঃ ১১০০ হিঃ)- তিনি ‘নজমুদ দরার অল মরজান’ নামে একখানি গ্রন্হ রচনা করেন।
(১৪) মুহাম্মদ সিদ্দীক লাহোরী (মৃঃ১১৯৩ হিঃ)- তিনি ‘ইযালাতুল ফাসাদাত ফী শরহে মানাকিবিস সায়াদাত’ নামে একখানি গ্রন্হ রচনা করেন।
(১৫) শায়খ হাশেম ইবনে আবদুল গফুর সিন্দী। তিনি সহীহ বুখারী শরীফকে সাহাবাদের ক্রমিক পর্যায় পরম্পরানুযায়ী নূতনভাবে সজ্জিত ও সুবিন্যাস্ত করেন।