১
হাদীস সংকলনের ইতিহাস
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১০৬
ইয়াহইয়া ইবনে মুয়ীন (র)
ইয়াহইয়া ইবনে মুয়ীন ইলমে হাদীসের এক অনন্য সাধারণ ব্যক্তি ছিলেন। প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করার পরই তিনি হাদীস শিক্ষার দিকে মনোযোগ দেন এবং সে জন্য তিনি স্বীয় জান ও মাল সবকিছু অকাতরে উৎসর্গ করেন। তাঁহার পিতার নিকট হইতে প্রাপ্ত এক লক্ষ মুদ্রা তিনি এই হাদীস শিক্ষার কাজে ব্যয় করেন। শেষ পর্যন্ত তিনি এতই দরিদ্র ও নিঃস্ব হইয়া পড়েন যে, পায়ের জুতা সংগ্রহ করাও তাঁহার পক্ষে সম্ভব ছিল না। তিনি নিম্নলিখিত শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিসদের নিকট হইতে হাদীস শিক্ষা করিয়াছেনঃ (ক) আবদুস সালাম ইবনে হারব (খ) আবদুল্লাহ ইবনে মুবারক (গ) ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদুল কাত্তান (ঘ) অকী ইবনে জাররাহ (ঙ) আবদুর রহমান ইবন মাহদী (চ) সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা (ছ) হিশাম ইবনে ইউসুফ এবং আরো অনেক।
ইয়াহইয়া ইবনে মুয়ীন হাদীস শুধুমাত্র শ্রবণ করিয়াই ক্ষান্ত হইতেন না, সঙ্গে সঙ্গে উহা লিখিয়াও রাখিতেন। আলী ইবনে মাদানী বলেনঃ ইবনে মুয়ীন মত হাদীস লিখিয়া লইয়াছেন, তত আর কেহ লিখেন নাই। ইবনে মুয়ীন নিজেই বলিয়াছেনঃ
আমি নিজের হাতে লক্ষ লক্ষ হাদীস শ্রবণ করিয়া লিপিবদ্ধ করিয়াছি। তিনি যে কেবল লিখিয়া লইতেন তাহাই নয়, প্রত্যেকটি হাদীস লিপিবদ্ধ করিয়া সে সম্পর্কে গভীর চিন্তা ও গবেষণা করিতেন, উহার যথাথর্ততা যাচাই ও পরীক্ষা করিতেন।
ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল (র) বলিয়াছেনঃ
ইয়াহইয়া ইবনে মুয়ীন যেটিকে হাদীস মনে করন না, তানা মূলত হাদীসই নহে।
তিনি ২৩৩ হিজরী সনে মদীনা শরীফে ইন্তেকাল করেন।
হাদীস সমালোচনা বিজ্ঞানে তাঁহার অপূর্ব অবদান সম্পর্কে পরে আলোচনা করা হইবে।
ইয়াহইয়া ইবনে মুয়ীন হাদীস শুধুমাত্র শ্রবণ করিয়াই ক্ষান্ত হইতেন না, সঙ্গে সঙ্গে উহা লিখিয়াও রাখিতেন। আলী ইবনে মাদানী বলেনঃ ইবনে মুয়ীন মত হাদীস লিখিয়া লইয়াছেন, তত আর কেহ লিখেন নাই। ইবনে মুয়ীন নিজেই বলিয়াছেনঃ
আমি নিজের হাতে লক্ষ লক্ষ হাদীস শ্রবণ করিয়া লিপিবদ্ধ করিয়াছি। তিনি যে কেবল লিখিয়া লইতেন তাহাই নয়, প্রত্যেকটি হাদীস লিপিবদ্ধ করিয়া সে সম্পর্কে গভীর চিন্তা ও গবেষণা করিতেন, উহার যথাথর্ততা যাচাই ও পরীক্ষা করিতেন।
ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল (র) বলিয়াছেনঃ
ইয়াহইয়া ইবনে মুয়ীন যেটিকে হাদীস মনে করন না, তানা মূলত হাদীসই নহে।
তিনি ২৩৩ হিজরী সনে মদীনা শরীফে ইন্তেকাল করেন।
হাদীস সমালোচনা বিজ্ঞানে তাঁহার অপূর্ব অবদান সম্পর্কে পরে আলোচনা করা হইবে।