১
হাদীস সংকলনের ইতিহাস
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৮
প্রথম ভাগ
অধিক সংখ্যক হাদীস বিজ্ঞানীর মতে প্রথম শ্রেণতে মাত্র ছয়জন সাহাবী গণ্য হইতে পারেন। তারা হইতেছেনঃ
(১) হযরত আবূ হুরায়রা (রা)
(২) হযরত আয়েশা (রা),
(৩) হযরত আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা),
(৪) হযরত আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা),
(৫) হযরত জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রা) এবং
(৬) হযরত আনাস ইবন মালিক (রা)।
তাঁহাদের বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা সহস্রাধিক। কিন্তু শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভী (র) এই পর্যায়ে মোট আটজন সাহাবীকে গণ্য করিয়াছেন। তিনি ইহাদের সঙ্গে শামিল করিয়াছেন হযরত আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আ’স (রা) ও হযরত আবূ সাঈদ খুদরী (রা)-কে।
শাহ দেহলভীর এই মত হাদীস বিজ্ঞানের প্রথম শ্রেণীর মনীষীদের মতের বিপরীত। ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল (রা)- ও প্রথমোক্ত ছয়জন সাহাবীকেই সর্বাধিক সংখ্যক হাদীস বর্ণনাকারী বলিয়া উল্লেক করিয়াছেন।
বস্তুত মুহাদ্দিসরা সাধারণত হযরত আবূ সাঈদ খুদরী (রা)-কে এই পর্যায়ে গণ্য করেন নাই’ যদিও তাঁহার বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা সহস্রাধিক।
আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী তাঁহার সম্পর্কে লিখিয়াছেনঃ
তিনি এক হাজার একশত সত্তরটি হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। তন্মধ্যে বুখারী ও মুসলিম- উভয় কিতাবে ৪৬ টি এবং স্বতন্ত্রভাবে বুখারী শরীফে ১৬ টি ও মুসলিমে অপর ৫২ টি হাদীস উল্লিখিত হইয়াছে।
শাহ ওয়ালীউল্লাহ (র) হযরত আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আ’স (রা)-কে কেন এই পর্যায়ভুক্ত করিতে চাহেন, তাহা বুঝা গেল না। কেননা নির্ভরযোগ্য হিসাব মুতাবিক তাঁহার বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা মাত্র সাতশত।
এই পরিপ্রেক্ষিতে বলা যাইতে পারে যে, সহস্র কিংবা সহস্রাধিক হাদীসের বর্ণনাকারী সাহাবীর সংখ্যা মাত্র সাতজন এবং তাঁহাদের বর্ণিত মোট হাদীসের সংখ্যা চৌদ্দ হাজার আটশত সত্তরটি।
এই ছয়-জন সাহাবী সম্পকের্ক এখানে খানিকটা বিস্তারিত আলোচনা পেশ করা আবশ্যক বোধ হইতেছে। কেননা হাদীস সম্পর্কে দৃঢ় বিশ্বাস ও স্পষ্ট ধারণা সৃষ্টির জন্য এই আলোচনা অপরিহার্য।
(১) হযরত আবূ হুরায়রা (রা)
(২) হযরত আয়েশা (রা),
(৩) হযরত আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা),
(৪) হযরত আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা),
(৫) হযরত জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রা) এবং
(৬) হযরত আনাস ইবন মালিক (রা)।
তাঁহাদের বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা সহস্রাধিক। কিন্তু শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভী (র) এই পর্যায়ে মোট আটজন সাহাবীকে গণ্য করিয়াছেন। তিনি ইহাদের সঙ্গে শামিল করিয়াছেন হযরত আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আ’স (রা) ও হযরত আবূ সাঈদ খুদরী (রা)-কে।
শাহ দেহলভীর এই মত হাদীস বিজ্ঞানের প্রথম শ্রেণীর মনীষীদের মতের বিপরীত। ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল (রা)- ও প্রথমোক্ত ছয়জন সাহাবীকেই সর্বাধিক সংখ্যক হাদীস বর্ণনাকারী বলিয়া উল্লেক করিয়াছেন।
বস্তুত মুহাদ্দিসরা সাধারণত হযরত আবূ সাঈদ খুদরী (রা)-কে এই পর্যায়ে গণ্য করেন নাই’ যদিও তাঁহার বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা সহস্রাধিক।
আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী তাঁহার সম্পর্কে লিখিয়াছেনঃ
তিনি এক হাজার একশত সত্তরটি হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। তন্মধ্যে বুখারী ও মুসলিম- উভয় কিতাবে ৪৬ টি এবং স্বতন্ত্রভাবে বুখারী শরীফে ১৬ টি ও মুসলিমে অপর ৫২ টি হাদীস উল্লিখিত হইয়াছে।
শাহ ওয়ালীউল্লাহ (র) হযরত আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আ’স (রা)-কে কেন এই পর্যায়ভুক্ত করিতে চাহেন, তাহা বুঝা গেল না। কেননা নির্ভরযোগ্য হিসাব মুতাবিক তাঁহার বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা মাত্র সাতশত।
এই পরিপ্রেক্ষিতে বলা যাইতে পারে যে, সহস্র কিংবা সহস্রাধিক হাদীসের বর্ণনাকারী সাহাবীর সংখ্যা মাত্র সাতজন এবং তাঁহাদের বর্ণিত মোট হাদীসের সংখ্যা চৌদ্দ হাজার আটশত সত্তরটি।
এই ছয়-জন সাহাবী সম্পকের্ক এখানে খানিকটা বিস্তারিত আলোচনা পেশ করা আবশ্যক বোধ হইতেছে। কেননা হাদীস সম্পর্কে দৃঢ় বিশ্বাস ও স্পষ্ট ধারণা সৃষ্টির জন্য এই আলোচনা অপরিহার্য।