১
হাদীস সংকলনের ইতিহাস
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬৪
ইমাম নাসায়ী ও ইমাম আবূ দাঊদ (র)
১. সহীহ হাদীসের প্রধান দুইখানি গ্রন্হ বুখারী ও মুসলিম শরীফে যেসব হাদীস সন্নিবেশিত হইয়াছে সেসব সনদসূত্রে; তাহা সবই এই ইমামদ্বয়ের নিকট অবশ্যই গ্রহণযোগ্য।
২. প্রধান হাদীস-গ্রন্হদ্বয়ে হাদীস গ্রহণের যে শর্ত অনুসৃত হইয়াছে তাহাতে উত্তীর্ণ সকল হাদীসই গ্রহণযোগ্য।
৩. যেসব হাদীস সর্ববাদী সম্মতভাবে ও মুহাদ্দিসীনের ঐকমত্যের ভিত্তিতে পরিত্যক্ত হয় নাই ও যে সবের সনদ ‘মুত্তাসিল’- ধারাবাহিক বর্ণনা পরম্পরাসূত্রে কোন বর্ণনাকারীই উহ্য নহে, তাহা অবশ্যই গ্রহণ করা হইবে। মূল হাদীস সহীহ হইলে এবং ‘মুরসাল’ () কিংবা ‘মুনকাতা’ () না হইলে তাহাও গ্রহণযোগ্য।
৪. চতুর্থ পর্যায়ের বর্ণনাকারীদের মধ্যে উত্তম বর্ণনাকারী হইতে বর্ণিত হাদীও গ্রহণযোগ্য।
৫. প্রকৃত সহীহ হাদীসের সমর্থন পাওয়া গেলে ইমাম আবূ দাঊদ এমন হাদীসও গ্রহণ করেন, যাহার বর্ণনাকারী যঈফ, দুর্বল ও অজ্ঞাতনামা।
এইসব শর্ত ইমাম নাসায়ী ও ইমাম আবূ দাঊদের নিকট সমভাবে গৃহীত। কিন্তু কয়েকটি ক্ষেত্রে ইমাম নাসায়ীর আরোপিত শর্ত ইমাম আবূ দাঊদ অপেক্ষা অধিক উন্নত এবং কড়া। ইমাম নাসায়ী হাদীস গ্রহণের ব্যাপারে বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে অধিক সতর্কতা অবলম্বন করিয়াছেন। তাঁহাদের অবস্থা সম্পর্কে অধিকতর খোঁজ-খবর লওয়ার প্রয়োজন মনে করিয়াছেন। এই কারণেই ইমাম নাসায়ী এমন অনেক বর্ণনাকারীর বর্ণিত হাদীস গ্রহণ করেন নাই, যাঁহাদের নিকট হইতে ইমাম আবূ দাঊদ ও ইমাম তিরমিযী হাদীস গ্রহণ করিয়াছেন। হাফেজ ইবনে হাজার আল-আসকালানী (র) এই সম্পর্কে বলিয়াছেন, তাঁহাদের বর্ণিত হাদীসও গ্রহণযোগ্য।
এমন অনেক বর্ণনাকারীই আছেন, যাঁহাদের নিকট হইতে ইমাম আবূ দাঊদ ও তিরমিযী হাদীস গ্রহণ করিয়াছেন; কিন্তু ইমাম নাসায়ী তাঁহাদের বর্ণিত হাদীস গ্রহণ হইতে বিরত রহিয়াছেন। বরং বুখারীও মুসলিম শরীফে যাঁহাদের হাদীস গৃহীত হইয়াছে এমন এক বিরাট সংখ্যক বর্ণনাকারীরও হাদীস গ্রহণ করিতে ইমাম নাসায়ী প্রস্তুত হন নাই।
২. প্রধান হাদীস-গ্রন্হদ্বয়ে হাদীস গ্রহণের যে শর্ত অনুসৃত হইয়াছে তাহাতে উত্তীর্ণ সকল হাদীসই গ্রহণযোগ্য।
৩. যেসব হাদীস সর্ববাদী সম্মতভাবে ও মুহাদ্দিসীনের ঐকমত্যের ভিত্তিতে পরিত্যক্ত হয় নাই ও যে সবের সনদ ‘মুত্তাসিল’- ধারাবাহিক বর্ণনা পরম্পরাসূত্রে কোন বর্ণনাকারীই উহ্য নহে, তাহা অবশ্যই গ্রহণ করা হইবে। মূল হাদীস সহীহ হইলে এবং ‘মুরসাল’ () কিংবা ‘মুনকাতা’ () না হইলে তাহাও গ্রহণযোগ্য।
৪. চতুর্থ পর্যায়ের বর্ণনাকারীদের মধ্যে উত্তম বর্ণনাকারী হইতে বর্ণিত হাদীও গ্রহণযোগ্য।
৫. প্রকৃত সহীহ হাদীসের সমর্থন পাওয়া গেলে ইমাম আবূ দাঊদ এমন হাদীসও গ্রহণ করেন, যাহার বর্ণনাকারী যঈফ, দুর্বল ও অজ্ঞাতনামা।
এইসব শর্ত ইমাম নাসায়ী ও ইমাম আবূ দাঊদের নিকট সমভাবে গৃহীত। কিন্তু কয়েকটি ক্ষেত্রে ইমাম নাসায়ীর আরোপিত শর্ত ইমাম আবূ দাঊদ অপেক্ষা অধিক উন্নত এবং কড়া। ইমাম নাসায়ী হাদীস গ্রহণের ব্যাপারে বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে অধিক সতর্কতা অবলম্বন করিয়াছেন। তাঁহাদের অবস্থা সম্পর্কে অধিকতর খোঁজ-খবর লওয়ার প্রয়োজন মনে করিয়াছেন। এই কারণেই ইমাম নাসায়ী এমন অনেক বর্ণনাকারীর বর্ণিত হাদীস গ্রহণ করেন নাই, যাঁহাদের নিকট হইতে ইমাম আবূ দাঊদ ও ইমাম তিরমিযী হাদীস গ্রহণ করিয়াছেন। হাফেজ ইবনে হাজার আল-আসকালানী (র) এই সম্পর্কে বলিয়াছেন, তাঁহাদের বর্ণিত হাদীসও গ্রহণযোগ্য।
এমন অনেক বর্ণনাকারীই আছেন, যাঁহাদের নিকট হইতে ইমাম আবূ দাঊদ ও তিরমিযী হাদীস গ্রহণ করিয়াছেন; কিন্তু ইমাম নাসায়ী তাঁহাদের বর্ণিত হাদীস গ্রহণ হইতে বিরত রহিয়াছেন। বরং বুখারীও মুসলিম শরীফে যাঁহাদের হাদীস গৃহীত হইয়াছে এমন এক বিরাট সংখ্যক বর্ণনাকারীরও হাদীস গ্রহণ করিতে ইমাম নাসায়ী প্রস্তুত হন নাই।