১
হাদীস সংকলনের ইতিহাস
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭২
আরব উপনিবেশসমূহে হাদীস প্রচার দেবল
আরব শাসনাধীন দেবল (সিন্ধু প্রদেশ) শহরে হাদীসের বিশেষ চর্চা ও প্রচার সাধিত হয়। ফলে এখানে কয়েকজন প্রখ্যাত হাদীস বর্ণনাকারীর উদ্ভব হয়। নিম্নে তাঁহাদের কয়েকজনের নাম পরিচয়ের উল্লেখ করা যাইতেছে-
১। আবূ জা’ফর দেবলী (মৃঃ ৩২২ হিঃ)। তিনি মূসা ইবনে হারূন বাজ্জাজ (মৃঃ ২৯৪ হিঃ) ও মুহাম্মদ ইবনে আলী আস সাইফ (মৃঃ ২৯১ হিঃ) হইতে হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন।
৩। আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ দবলী (মৃঃ ৩৪৬ হিঃ)। তিনি মুহাদ্দিস আবূ জা’ফরের ছাত্র। তিনি চতুর্থ শতকের বিপুল সংখ্যক হাদীস প্রচারকারীরূপে খ্যাত।
৪। মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ দেবলী (মৃঃ ৩৪৬ হিঃ)। তিনি খলীফা আবূ আল কাযীর (মৃঃ ৩০৫) নিকট হাদীস শিক্ষা লাভ করেন। প্রখ্যাত মনীষী হাকিম নিশাপুরূ তাঁহার ছাত্র।
৫। আল হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আসাদ দেবলী (মৃঃ ৩৫০ হিঃ)। ৩৪০ হিজরীতে তিনি দামেশকে হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। তাঁহার হাদীস বর্ণনা সূত্রে সূচনা হয় হযরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা) সাহাবী হইতে।
৬। খালফ ইবনে মুহাম্মদ দেবলী (মৃঃ ৩৬০ হিঃ)। তিনি প্রথমে দেবলেই আলী ইবনে মূসা দেবলীর নিকট হাদীস শিক্ষালাভ করেন। পরে তিনি বাগদাদ গমন করেন ও তথায় হাদীসের দারস দিতে শুরু করেন।
৭। আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হারূন দেবলী (মৃঃ ৩৭০ হিঃ)। তিনি বাগদাদে জা’ফর ইবনে মুহাম্মদ ফারেয়াবীর নিকট হাদীস শিক্ষা লাভ করেন। কূফা নগরে আহমদ ইবনে শরীফের নিকটও তিনি হাদীস অধ্যায়ন করেন।
৮। হাসান ইবনে হামীদ দেবলী (মৃঃ ৪০৭ হিঃ)। তিনি বড় ব্যবসায়ী ছিলেন এবং ব্যবসায়ের সঙ্গে সঙ্গে হাদীস চর্চা করিয়া তাহাতেও যথেষ্ট ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন। আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সায়ীদ মুচেলী (মৃঃ ৩৫৯ হিঃ), দা’লাজ (মৃঃ ৩৫১ হিঃ), মুহাম্মদ নক্কশ (মৃঃ ৩৫১ হিঃ), এবং আবু আলী তুমারী (মৃঃ ৩৬০ হিঃ) তাঁহার উস্তাদ ছিলেন। তিনি যখন হাদীস বর্ণনা করিতেন, তখন তাঁহার হৃদয় ভাবাবেগে এতই আর্দ্র উচ্ছ্বাসিত হইয়া উঠিত যে, তিনি কাঁদিয়া ফেলিতেন।
৯। আবূল কাসেম শুয়াইব ইবনে মুহাম্মদ দেবলী (মৃঃ ৪০০ হিঃ)। তিনি আবূ কাতান নামে পরিচিত। তিনি মিসরে গমন করেন এবং তথায় একটি সংঘ গঠন করিয়া হাদীস শিক্ষাদান করিতে থাকেন।
১। আবূ জা’ফর দেবলী (মৃঃ ৩২২ হিঃ)। তিনি মূসা ইবনে হারূন বাজ্জাজ (মৃঃ ২৯৪ হিঃ) ও মুহাম্মদ ইবনে আলী আস সাইফ (মৃঃ ২৯১ হিঃ) হইতে হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন।
৩। আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ দবলী (মৃঃ ৩৪৬ হিঃ)। তিনি মুহাদ্দিস আবূ জা’ফরের ছাত্র। তিনি চতুর্থ শতকের বিপুল সংখ্যক হাদীস প্রচারকারীরূপে খ্যাত।
৪। মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ দেবলী (মৃঃ ৩৪৬ হিঃ)। তিনি খলীফা আবূ আল কাযীর (মৃঃ ৩০৫) নিকট হাদীস শিক্ষা লাভ করেন। প্রখ্যাত মনীষী হাকিম নিশাপুরূ তাঁহার ছাত্র।
৫। আল হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আসাদ দেবলী (মৃঃ ৩৫০ হিঃ)। ৩৪০ হিজরীতে তিনি দামেশকে হাদীস বর্ণনা করিয়াছেন। তাঁহার হাদীস বর্ণনা সূত্রে সূচনা হয় হযরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা) সাহাবী হইতে।
৬। খালফ ইবনে মুহাম্মদ দেবলী (মৃঃ ৩৬০ হিঃ)। তিনি প্রথমে দেবলেই আলী ইবনে মূসা দেবলীর নিকট হাদীস শিক্ষালাভ করেন। পরে তিনি বাগদাদ গমন করেন ও তথায় হাদীসের দারস দিতে শুরু করেন।
৭। আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হারূন দেবলী (মৃঃ ৩৭০ হিঃ)। তিনি বাগদাদে জা’ফর ইবনে মুহাম্মদ ফারেয়াবীর নিকট হাদীস শিক্ষা লাভ করেন। কূফা নগরে আহমদ ইবনে শরীফের নিকটও তিনি হাদীস অধ্যায়ন করেন।
৮। হাসান ইবনে হামীদ দেবলী (মৃঃ ৪০৭ হিঃ)। তিনি বড় ব্যবসায়ী ছিলেন এবং ব্যবসায়ের সঙ্গে সঙ্গে হাদীস চর্চা করিয়া তাহাতেও যথেষ্ট ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন। আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সায়ীদ মুচেলী (মৃঃ ৩৫৯ হিঃ), দা’লাজ (মৃঃ ৩৫১ হিঃ), মুহাম্মদ নক্কশ (মৃঃ ৩৫১ হিঃ), এবং আবু আলী তুমারী (মৃঃ ৩৬০ হিঃ) তাঁহার উস্তাদ ছিলেন। তিনি যখন হাদীস বর্ণনা করিতেন, তখন তাঁহার হৃদয় ভাবাবেগে এতই আর্দ্র উচ্ছ্বাসিত হইয়া উঠিত যে, তিনি কাঁদিয়া ফেলিতেন।
৯। আবূল কাসেম শুয়াইব ইবনে মুহাম্মদ দেবলী (মৃঃ ৪০০ হিঃ)। তিনি আবূ কাতান নামে পরিচিত। তিনি মিসরে গমন করেন এবং তথায় একটি সংঘ গঠন করিয়া হাদীস শিক্ষাদান করিতে থাকেন।