hadith book logo

নারীদের যে বিষয়গুলো না জানলেই নয়

লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১০০

প্রশ্ন : ৯৮) বিনা প্রয়োজনে নারীদের কণ্ঠস্বর পরপুরুষকে কি শুনানো যাবে?

প্রয়োজনে নারীদেরকে পরপুরুষের সাথে কথা বলার অনুমতি স্বয়ং আল্লাহ রব্দুল আলামীনই দিয়েছেন। রসূল (ﷺ)-এর স্ত্রীগণ তাঁদের কথার মাধ্যমে লোকদেরকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেছেন। কিন্তু যেই ক্ষেত্রে প্রয়োজন নেই, দ্বীনি কোন উপকার নেই সেই ক্ষেত্রে পরপুরুষের সাথে নারীদের অযথা কথা বলা ইসলাম সমর্থন করে না। যেমন : নারীদের কণ্ঠস্বর পরপুরুষের কানে যাওয়াকে পছন্দ করা হয়নি বলেই

ইসলাম নারীদেরকে আযান দেয়ার কাজে লাগায়নি।

জামাতে সলাত আদায় করা কালে ইমাম ভুল করলে একজন পুরুষকে ‘আল্লাহু আকবার” অথবা “সুবহানাল্লাহ' বলে লোকমা দিতে বলা হয়েছে এবং একজন নারীকে বলা হয়েছে মুখে কোন শব্দ না করে হাতের উপর হাত রেখে শব্দ করতে। (সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম)

প্রয়োজনে একজন পরপুরুষের সাথে নারীদের কথা বলতে দোষ নেই। কিন্তু এইক্ষেত্রে কথা বলার ভংগি কেমন হবে তাও আল্লাহ বলে দিয়েছেন। বাক্যালাপে কোমলতা অবলম্বন করতে নিষেধ করেছেন এবং প্রয়োজনীয় কথা সোজা ও স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাই টেলিফোনে কোন পরপুরুষের সাথে কথা বলার সময়ও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

নারীদের চেহারার সৌন্দর্য্য ও ভাবভঙ্গির মতো তাদের কণ্ঠস্বরও পুরুষদেরকে আকর্ষণ করতে পারে।

তাই কোনো পরপুরুষের সাথে কথা বলতে বাধ্য হলে নারীদেরকে অনাকর্ষণীয় স্বরে কথা বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

যেন কণ্ঠস্বর শুনে কোনো পুরুষ তাদের প্রতি আকৃষ্ট হতে না পারে।

কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন : “কোমল স্বরে (বা মিষ্টি কন্ঠে) কথা বলো না, নতুবা যাদের অন্তরে ব্যাধি আছে, তারা প্রলুব্ধ হবে।” (সূরা আহযাব : ৩২)।