hadith book logo

নারীদের যে বিষয়গুলো না জানলেই নয়

লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৭৫

প্রশ্নঃ ৭১) মুসলিম নারীদের পর্দা করার নির্দেশ কোথায় এসেছে?

ইসলাম নারীদের জন্য এমন সব নিয়মনীতি ও বিধি-নিষেধ দিয়েছেন, যা পালন করলে একজন নারী তার পবিত্রতা রক্ষা করতে সক্ষম হয়, সতীত্ব ঠিক থাকে এবং ইজ্জত সম্মান রক্ষা পায়। আল্লাহ তা'আলা নারীদের পর্দা করার নির্দেশ দেন, তাদের ঘরে অবস্থান করার নির্দেশ দেন, তাদের নগ্ন-পর্দাহীন, সুগন্ধি লাগিয়ে ও সেজেগুজে ঘর থেকে বের হতে ও কোথাও সফর করতে নিষেধ করেন। এছাড়াও নারী পুরুষের এক সাথে মেলামেশা, তাদের সাথে পর্দাহীন কথাবার্তা থেকে নিষেধ করেন। আর এসব আদেশ-নিষেধ ও বিধি-বিধান এ জন্য রাখা হয়েছে যাতে নারীরা তাদের নিজেদেরকে ফিতনা-ফ্যাসাদ, অশ্লীল কার্যকলাপ ও দুষ্ট লোকের কবল হতে রক্ষা করতে পারে। তাদের সতীত্বের উপর যাতে কোন প্রকার আঘাত আসে। আর এভাবেই ইসলাম দিয়েছে নারীর প্রকৃত নিরাপত্তা।

আয়িশা (রাদিআল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত। তিনি রসূল 6 -কে প্রশ্ন করেছিলেন, মেয়েরা নিজেদের কাপড়কে (পোশাক বা বোরকা) কতটুকু নিচের দিকে ঝুলিয়ে দিবে? তার উত্তরে রসূল (ﷺ) বলেছেন, তারা স্বীয় পদতালুর সামনে অর্থাৎ গোড়ালীর নিচে রেখে কাপড় পরবে। উম্মুল মু'মিনীন পুনঃ প্রশ্ন করলেন যে, যখন তারা লম্বা কদমে হাঁটবে? (তখন কাপড় তো উঠে যাবে, সে সময় কি করবে?) উত্তরে রসূল ও বললেন, তারা কখনও এক হাতের বেশী লম্বা কদমে হাঁটবে না।' (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)

পর্দা তথা হিজাবের ব্যাপারে আল্লাহর সিদ্ধান্তের পর আমরা যারা নিজস্ব জ্ঞান। প্রকাশ করতে চাই, তাদের ব্যাপারে আল্লাহ তা'আলার ঘোষণা হলো : “আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন বিষয়ের নির্দের্শ কিংবা ফায়সালা করে দিলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোন অধিকার নেই। আর যে, কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য (নাফরমানী) করবে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় পতিত হবে।” (সূরা আহযাব ও আয়াত ৩৬)