hadith book logo

নারীদের যে বিষয়গুলো না জানলেই নয়

লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৭০

ঙ) আইনগত অধিকার

ইসলামী আইন অনুযায়ী নর-নারী সমান। শরীয়াত নর-নারী উভয়ের জীবন এবং সম্পদ রক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

যদি কোন পুরুষ কোন নারীকে হত্যা করে তাহলে সে কঠিন শাস্তি লাভ করবে, আর তা হলো সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

“তাকেও হত্যা করা হবে। যদি কোন নারী হত্যা করে সেও হত্যাকৃত হবে।” (সূরা বাকারা ২: ১৭৮-১৭৯) “চোর সে নারী বা পুরুষ যাই হোক না কেন, তার হাত কেটে দাও, তার অপরাধের শাস্তিস্বরূপ আল্লাহর পক্ষ থেকে দৃষ্টান্ত।” (সূরা মায়িদা ৫ : ৩৮)

অর্থাৎ নারী পুরুষ যেই চুরি করুক তার হাত কাটা হবে, শাস্তি একই।

“কেউ যদি ব্যভিচার করে সে নারী পুরুষ যেই হোক না কেন তাকে ১০০ দোররা মার।” (সূরা নূর ২৪ ও ২)।

ব্যভিচারের শাস্তি সে নারী বা পুরুষ যেই করুক না কেন তার শাস্তি একই অর্থাৎ ১০০ দোররা, ইসলামে নারী পুরুষের একই শাস্তি। ইসলামে নারীদের সাক্ষ্যও গ্রহণযোগ্য। ইসলাম একজন নারীকে ১৪০০ বছর পূর্বে সাক্ষ্য দেবার অধিকার প্রদান করেছে।

অথচ এখন আধুনিককালে ইহুদী পুরোহিতরা বিবেচনা করছে যে, নারীদের সাক্ষ্যদানের অধিকার দেয়া হবে কিনা?

“যারা সতী-সাধ্বী রমণীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে এবং চারজন সাক্ষী হাযির করে না, তাদেরকে ৮০ কশাঘাত করবে এবং কখনো তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করবে; তারাই তো সত্যত্যাগী।” (সূরা নূর ২৪ ও ৪)। ইসলামে ছোট অপরাধে দুই জন সাক্ষী এবং বড় অপরাধে চার জন সাক্ষী প্রয়োজন। কোন নারীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেয়া ইসলামে বড় অপরাধ হিসেবে গণ্য। অতএব তার জন্য চার জন সাক্ষীর প্রয়োজন হবে।