hadith book logo

নারীদের যে বিষয়গুলো না জানলেই নয়

লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৫৭

একটি মজার ঘটনা কিন্তু বাস্তব সত্য

নানী গেছেন পুকুরে গোসল করতে এবং নাতিকে পুকুরের পাড়ে বসিয়ে রেখেছেন পাহারাদার হিসেবে যদি কোন লোক আসে তাহলে যেন নানীকে জানানো হয় এবং ইতিমধ্যে নানী পর্দা করে নিবেন। একসময় একটি যুবক ছেলে এদিকে আসছে দেখে নাতি নানীকে জানিয়েছে। যুবক ছেলেটি কাছে আসলে নানী নাতিকে বকা দিয়ে বলছে “দূর বোকা এতো আমাদের পাড়ার রফিক”। আবার কিছুক্ষণ পরে আর একটি লোক আসছে দেখে নাতি নানীকে। জানিয়েছে। লোকটি কাছে আসলে নানী নাতিকে বকা দিয়ে এবার বলছে “দূর বোকা এতো ঐ পাড়ার মন্ডলের বাপ”। আবার কিছুক্ষণ পরে আর একটি লোক আসছে দেখে নাতি নানীকে জানিয়েছে। লোকটি কাছে আসলে নানী নাতিকে বকা দিয়ে এবার বলছে “দূর বোকা এতো আমাদের গ্রামের দুধওয়ালা” আবার কিছুক্ষণ পরে মসজিদের ইমাম সাহেব এদিকে আসছে, কিন্তু নাতি এবার আর নানীকে কিছু জানায়নি কারণ সে জানাতে গিয়ে প্রতিবারই বকা খেয়েছে। ইমাম সাহেব কাছে আসলে নানী নাতিকে এবার এক চড় মেরেছে, যে ইমাম সাহেব। আসছে আগে বলিসনি কেন? তখন নাতি বলছে “এ তো লোক না আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেব...”।

যাহোক, ঘটনা কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই বাস্তব। বাংলাদেশে আজকাল ঘরে বসেই শাক-সজি-মাছ ইত্যাদি কেনা যায়। ফেরীওয়ালারা নিত্যপ্রয়োজনীয় সবই বাসার দরজার কাছে নিয়ে আসে। বাস্তবে দেখা যায় পর্দার উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব সত্যিকার অর্থে না বুঝার কারণে আমরা অনেক নারীরাই যখন বাড়ির বাইরে যাই তখন। পর্দা করেই যাই কিন্তু যখন বাসার দরজার সামনে সজীওয়ালার কাছ থেকে সজী কিনি তখন আর পর্দা করি না।

একইভাবে আমরা অনেক নারীরাই সাধারণ প্যান্ট-শার্ট পরা লোকের সামনে। পর্দা করি না কিন্তু কোন দাড়ি-টুপি-পাগড়ী এবং লম্বা জুব্বা পড়া হুজুরের সামনে। পর্দা না করলে লজ্জা পাই। কোন হুজুর দেখলে তাড়াতাড়ি মাথায় কাপড় দেই। আরো বাস্তবে দেখা যায় অনেকে আমরা বাইরে যাই সাধারণ ড্রেসেই কিন্তু যখন কোন মৃতের বাড়িতে যাই বা মিলাদ-মাহফিলে যাই তখন মাথায় কাপড় দেই বা হিজাব পড়ি। আবার দেখা যায় আমরা অনেকেই এমনি মাথায় কাপড় দেই না। কিন্তু আজান দিলে তখন মাথায় কাপড় বা ওড়না দেই। এর কারণ অজানা। কোথা থেকে যে এর উৎপত্তি হয়েছে তা আল্লাহ তাআলাই ভাল জানেন, কারণ এর দলিল কোন সহীহ হাদীসে বা কুরআনে নেই।