hadith book logo

নারীদের যে বিষয়গুলো না জানলেই নয়

লেখকঃ আমির জামান, নাজমা জামান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৫৩

প্রশ্ন : ৪৯) পুরুষ ও নারীদের স্বাভাবিক কর্মক্ষেত্র কেমন হওয়া উচিত?

পুরুষ ও নারী উভয়ই মানুষ। মানুষ হিসেবে তাঁরা অভিন্ন। কিন্তু যেহেতু তাঁদের একজন পুরুষ মানুষ এবং অপরজন মেয়ে মানুষ সেহেতু তাদের মাঝে ভিন্নতাও আছে। জীবনের কোন কোন ক্ষেত্রে পুরুষগণ সবল, নারীগণ দুর্বল। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে নারীগণ সবল, পুরুষগণ দুর্বল। সমাজ ও সভ্যতার বিকাশ ও সংরক্ষণের জন্য ক্ষেত্র বিশেষে কঠোরতা-নির্মমতার প্রয়োজন দেখা দেয়। এইসব ক্ষেত্রে পুরুষগণই যোগ্য বলে প্রমাণিত। আবার যেসব ক্ষেত্রে নম্রতাকোমলতা প্রয়োজন, সেসব ক্ষেত্রে নারীদের উপযুক্ততা অনস্বীকার্য।

আল্লাহ রব্বল আলামীন পুরুষদের দেহকে পেশীবহুল ও শক্তিশালীরূপে সৃষ্টি করেছেন। তাঁদের দেহ কঠোর পরিশ্রমের উপযোগী। তাঁদের মাঝে কষ্ট সহিষ্ণুতার মাত্রা বেশি। দুর্ধর্ষতা, সাহসিকতা, ক্ষিপ্রতা, দৃঢ়তা এবং কঠোরতা তাঁদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। তাদের মাঝে প্রভাব বিস্তারের প্রবণতা প্রবল। এইসব গুণ পুরুষদেরকে বাইরের কাজের উপযুক্ততা দান করেছে।

আল্লাহ রব্বল আলামীন নারীদের দেহকে কোমলরূপে সৃষ্টি করেছেন। তাঁদের দেহ কঠোর পরিশ্রম করার এবং ভারী বোঝা বহনের উপযোগী নয়। নম্রতা, বিনয়, মায়া-মমতার আধিক্য এবং প্রখর সৌন্দর্যানুভূতি তাঁদের চরিত্রের ভূষণ। তাঁদের মাঝে প্রভাব গ্রহণের প্রবণতা বেশি। ঘরকে সৌন্দর্যমন্ডিত করা এবং পরিবার-পরিসরকে মায়াময় করে তোলার ক্ষেত্রে তাঁদের জুড়ি নেই। মানব বংশকে গর্ভে ধারণ, প্রসব, স্তন্য দান এবং লালন-পালনের ক্ষেত্রে তাদের কোন বিকল্প নেই। দৈহিক ও মানসিক এইসব বিশিষ্টতার কারণে মহান আল্লাহ গৃহকেন্দ্রিক কাজগুলো সম্পাদন করার দায়িত্ব দিয়েছেন নারীদেরকে। অর্থাৎ সৃষ্টিগত ভিন্নতার ভিত্তিতেই জ্ঞানময় প্রজ্ঞাময় আল্লাহ পুরুষ মানুষ এবং মেয়ে। মানুষের কর্মক্ষেত্র আলাদা করে দিয়েছেন।