১
আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা
লেখকঃ আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২১
বিষয়টি বুঝতে পেরে আবু বকর কান্না করলেন
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মৃত্যু রোগে আক্রান্ত হয়ে একদিন মিম্বারে উপবিষ্ট হয়ে খুতবা দিতে গিয়ে বললেন, আল্লাহ তার এক বান্দাকে দুনিয়ার ধন-সম্পদ ও আল্লাহর কাছে যেসব নি'আমাত রয়েছে এ দু’য়র মাঝে একটাকে পছন্দ করে নেয়ার অধিকার দিয়েছিলেন। সে বান্দা আল্লাহর কাছে যা রয়েছে। তাই বেছে নিয়েছে। এ কথা শুনে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু কাঁদতে লাগলেন এবং বললেন, আমার বাপ-মাকে আপনার জন্য উৎসর্গ করলাম। (রাবী বলেন) আবু বকরের কথায় আমরা অবাক হলাম। লোকেরা বলল, এ বৃদ্ধ।
লোকটার অবস্থা দেখ তো। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কোন এক বান্দাহর ব্যাপারে বলছেন যে, আল্লাহ তাঁকে দুনিয়ার চাকচিক্য ও তার কাছে যেসব নিআমাত রয়েছে তার মাঝে একটাকে বেছে নেয়ার অধিকার দিয়েছেন। আর বৃদ্ধ বলছেন, আমার বাবা-মাকে আপনার জন্য উৎসর্গ করলাম। মূলত সে অধিকার প্রাপ্ত বান্দা ছিলেন রাসূলুল্লাহ ও আর আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ছিলেন এ বিষয়ে আমাদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা অভিজ্ঞ লোক। রাসূলুল্লাহ বলেছেন, সাহচর্য ও আর্থিক দিক থেকে আমার প্রতি সর্বাধিক ইহসান করেছে আবূ বকব রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।আমার উম্মতের মধ্যে কাউকেও যদি আমি অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতাম তবে অবশ্যই আবু বকরকেই গ্রহণ করতাম। তবে ইসলামী সম্পর্কই যথেষ্ট। তারপর নবী (সাঃ) বললেন, আবু বকরের ঘরের দিকের দরজা ছাড়া মসজিদের আর কোন দরজা খোলা থাকবে না। (বুখারী, ৩৬৫৪)
লোকটার অবস্থা দেখ তো। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কোন এক বান্দাহর ব্যাপারে বলছেন যে, আল্লাহ তাঁকে দুনিয়ার চাকচিক্য ও তার কাছে যেসব নিআমাত রয়েছে তার মাঝে একটাকে বেছে নেয়ার অধিকার দিয়েছেন। আর বৃদ্ধ বলছেন, আমার বাবা-মাকে আপনার জন্য উৎসর্গ করলাম। মূলত সে অধিকার প্রাপ্ত বান্দা ছিলেন রাসূলুল্লাহ ও আর আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ছিলেন এ বিষয়ে আমাদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা অভিজ্ঞ লোক। রাসূলুল্লাহ বলেছেন, সাহচর্য ও আর্থিক দিক থেকে আমার প্রতি সর্বাধিক ইহসান করেছে আবূ বকব রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু।আমার উম্মতের মধ্যে কাউকেও যদি আমি অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতাম তবে অবশ্যই আবু বকরকেই গ্রহণ করতাম। তবে ইসলামী সম্পর্কই যথেষ্ট। তারপর নবী (সাঃ) বললেন, আবু বকরের ঘরের দিকের দরজা ছাড়া মসজিদের আর কোন দরজা খোলা থাকবে না। (বুখারী, ৩৬৫৪)