১
আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা
লেখকঃ আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
হিজরতের পর আবু বকরের অসুস্থতা
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহাথেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মাদীনায় আগমন করলেন তখন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু ও বিলাল জ্বরে অসুস্থ হয়ে পড়লেন। ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা বলেন, আমি তাদের উভয়ের নিকট গেলাম এবং বললাম, আব্বাজান, কেমন আছেন? হে বিলাল! তুমি কেমন আছ? ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা বলেন, আবু বকরের যখন জ্বর আসত তখন তিনি বলতেন,
“প্রত্যেকটি লোক নিজ নিজ পরিবারে সুপ্রভাত করছে,
অথচ মৃত্যু তাঁর জুতার ফিতার চাইতেও অধিকতর নিকটবর্তী।”
আর বিলালের অবস্থা ছিল এই, যখন তার জ্বর ছাড়ত তখন সে গলার
আওয়াজ বড় করে এ কবিতাগুলো বলতো,
হায় আফসোস! আমি কি কখনো ঐ উপত্যকায় রাত যাপন করতে পারব,
যেখানে ইযখির ও জালীল ঘাস আমার চারপাশে থাকবে?
আমি মাজান্না নামক জায়গায় পুনরায় কোন দিন পৌছতে পারব কি
এবং শামা ও তাফীল পাহাড় আমার চোখে পড়বে কি?”
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ এর কাছে আসলাম এবং এ সম্পর্কে তাকে জানালাম। তখন তিনি এ বলে প্রার্থনা করলেন, “হে আল্লাহ! মাদীনাকে আমাদের কাছে প্রিয় কর যেমন প্রিয় ছিল আমাদের কাছে মক্কা; বরং তার চেয়ে অধিকতর প্রিয় কর দিন এবং আমাদের জন্য একে (মাদীনাকে) স্বাস্থ্যের উপযোগী বানিয়ে দাও। আর এর সা ও মুদএ আমাদের জন্য বারাকাত দান কর এবং এখানকার জ্বরকে সরিয়ে জুহাতে নিয়ে যাও।” (বুখারী, ৬৩৭২)
“প্রত্যেকটি লোক নিজ নিজ পরিবারে সুপ্রভাত করছে,
অথচ মৃত্যু তাঁর জুতার ফিতার চাইতেও অধিকতর নিকটবর্তী।”
আর বিলালের অবস্থা ছিল এই, যখন তার জ্বর ছাড়ত তখন সে গলার
আওয়াজ বড় করে এ কবিতাগুলো বলতো,
হায় আফসোস! আমি কি কখনো ঐ উপত্যকায় রাত যাপন করতে পারব,
যেখানে ইযখির ও জালীল ঘাস আমার চারপাশে থাকবে?
আমি মাজান্না নামক জায়গায় পুনরায় কোন দিন পৌছতে পারব কি
এবং শামা ও তাফীল পাহাড় আমার চোখে পড়বে কি?”
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ এর কাছে আসলাম এবং এ সম্পর্কে তাকে জানালাম। তখন তিনি এ বলে প্রার্থনা করলেন, “হে আল্লাহ! মাদীনাকে আমাদের কাছে প্রিয় কর যেমন প্রিয় ছিল আমাদের কাছে মক্কা; বরং তার চেয়ে অধিকতর প্রিয় কর দিন এবং আমাদের জন্য একে (মাদীনাকে) স্বাস্থ্যের উপযোগী বানিয়ে দাও। আর এর সা ও মুদএ আমাদের জন্য বারাকাত দান কর এবং এখানকার জ্বরকে সরিয়ে জুহাতে নিয়ে যাও।” (বুখারী, ৬৩৭২)