১
আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা
লেখকঃ আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৭
আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বদরের যুদ্ধবন্দী
মদীনায় পৌঁছার পর রাসূল (সাঃ) সাহাবায়ে কেরামের সঙ্গে অবশিষ্ট যুদ্ধবন্দীদের ব্যাপারে পরামর্শ করেন। হযরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ওরা তো চাচাতো ভাই এবং আমাদের বংশ গোত্রেরই লোক। আমার মতে আপনি ওদের কাছ থেকে ফিদিয়া (মুক্তিপণ) নিয়ে ছেড়ে দিন। এতে করে যা কিছু নেয়া হবে, সেসব কাফেরদের বিরুদ্ধে আমাদের শক্তি হিসেবে কাজে আসবে। এরপর রাসূল (সাঃ) হযরত ওমর ইবনে খাত্তাবের মতামত জানতে চাইলে তিনি বললেন, আল্লাহর কসম, আমি হযরত আবু বকরের সাথে ভিন্ন মত পোষণ করি।
আমি মনে করি, আপনি আমার আত্মীয় অমুককে আমার হাতে তুলে দিন, আমি তার শিরচ্ছেদ করব। একইভাবে আকীল ইবনে আবু তালেবকে হযরত আলীর হাতে তুলে দিন, আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তার শিরচ্ছেদ করবেন। একইভাবে হামযার ভাই অমুককে হাতে তুলে দিন, হামযা তাঁর শিরচ্ছেদ করবেন। এতে আল্লাহ তায়ালা বুঝতে পারবেন, মুশরিকদের জন্যে আমাদের মনে কোন সমবেদনা নেই। আর এ সকল যুদ্ধবন্দী হচ্ছে মুশরিকদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। এরপর রাসূল ঘরে প্রবেশ করলেন, কিন্তু কিছুই বললেন না।
কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে আসলেন। তখন সাহাবারা কেউ কেউ আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু -এর পক্ষ নিচ্ছিলেন। আবার কেউ কেউ ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু -এর পক্ষ নিচ্ছিলেন। রাসূল (সাঃ) বললেন, আল্লাহ তায়ালা কতক বান্দার অন্তরকে নরম করে দেন। এমনকি তা দুধের চেয়েও নরম থাকে। আবার কতক লোকের অন্তরকে কঠিন করে দেন, এমনকি তা পাথরের চেয়েও কঠিন থাকে। আর হে আবু বকর! তোমার তুলনা হচ্ছে ইবরাহীম এর সাথে। তিনি বলেছিলেন
যে আমার অনুসরণ করবে সে আমার দলভুক্ত, কিন্তু কেউ আমার অবাধ্য হলে তুমি তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা ইবরাহীম : আয়াত- ৩৬)
আর তোমার তুলনা হচ্ছে ঈসার সাথে। তিনি বলেছিলেন
তুমি যদি তাদেরকে শাস্তি দাও তবে তারা তো তোমারই বান্দা, আর যদি তাদেরকে ক্ষমা কর তবে তুমি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (সূরা মায়েদা : আয়াত-১১৮)
হে ওমর! তোমার তুলনা হচ্ছে নুহের সাথে। তিনি বলেছিলেন নূহ আলাইহিস সালাম আরো বলেছিলেন” হে আমার প্রতিপালক! পৃথিবীতে কাফিরদের মধ্য হতে কোন গৃহবাসীকে ছেড়ে দিবেন না। (সূরা নূহ : আয়াত-২৬)
আর তুলনা হচ্ছে মূসার সাথে। তিনি বলেছিলেন
হে আমাদের প্রতিপালক! তাদের সম্পদ বিনষ্ট করো, তাদের হৃদয় কঠিন করে দাও, তারা তো মর্মান্তিক শাস্তি প্রত্যক্ষ না করা পর্যন্ত ঈমান আনবে। (সূরা ইউনুস-৮৮) (সীরাতুন নবুওয়াত- ২/১৫৭)
আমি মনে করি, আপনি আমার আত্মীয় অমুককে আমার হাতে তুলে দিন, আমি তার শিরচ্ছেদ করব। একইভাবে আকীল ইবনে আবু তালেবকে হযরত আলীর হাতে তুলে দিন, আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু তার শিরচ্ছেদ করবেন। একইভাবে হামযার ভাই অমুককে হাতে তুলে দিন, হামযা তাঁর শিরচ্ছেদ করবেন। এতে আল্লাহ তায়ালা বুঝতে পারবেন, মুশরিকদের জন্যে আমাদের মনে কোন সমবেদনা নেই। আর এ সকল যুদ্ধবন্দী হচ্ছে মুশরিকদের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। এরপর রাসূল ঘরে প্রবেশ করলেন, কিন্তু কিছুই বললেন না।
কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে আসলেন। তখন সাহাবারা কেউ কেউ আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু -এর পক্ষ নিচ্ছিলেন। আবার কেউ কেউ ওমর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু -এর পক্ষ নিচ্ছিলেন। রাসূল (সাঃ) বললেন, আল্লাহ তায়ালা কতক বান্দার অন্তরকে নরম করে দেন। এমনকি তা দুধের চেয়েও নরম থাকে। আবার কতক লোকের অন্তরকে কঠিন করে দেন, এমনকি তা পাথরের চেয়েও কঠিন থাকে। আর হে আবু বকর! তোমার তুলনা হচ্ছে ইবরাহীম এর সাথে। তিনি বলেছিলেন
যে আমার অনুসরণ করবে সে আমার দলভুক্ত, কিন্তু কেউ আমার অবাধ্য হলে তুমি তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা ইবরাহীম : আয়াত- ৩৬)
আর তোমার তুলনা হচ্ছে ঈসার সাথে। তিনি বলেছিলেন
তুমি যদি তাদেরকে শাস্তি দাও তবে তারা তো তোমারই বান্দা, আর যদি তাদেরকে ক্ষমা কর তবে তুমি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। (সূরা মায়েদা : আয়াত-১১৮)
হে ওমর! তোমার তুলনা হচ্ছে নুহের সাথে। তিনি বলেছিলেন নূহ আলাইহিস সালাম আরো বলেছিলেন” হে আমার প্রতিপালক! পৃথিবীতে কাফিরদের মধ্য হতে কোন গৃহবাসীকে ছেড়ে দিবেন না। (সূরা নূহ : আয়াত-২৬)
আর তুলনা হচ্ছে মূসার সাথে। তিনি বলেছিলেন
হে আমাদের প্রতিপালক! তাদের সম্পদ বিনষ্ট করো, তাদের হৃদয় কঠিন করে দাও, তারা তো মর্মান্তিক শাস্তি প্রত্যক্ষ না করা পর্যন্ত ঈমান আনবে। (সূরা ইউনুস-৮৮) (সীরাতুন নবুওয়াত- ২/১৫৭)