১
আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা
লেখকঃ আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩০
নবী (সাঃ) এর সাথে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এর হিজরত
আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার জন্য আমার পিতামাতা কুরবান হোক! তাহলে আমার এ উট দু'টির একটা আপনি গ্রহণ করুন। রাসূলুল্লাহ বললেন, দামের বদলে। ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা বলেন, অতঃপর আমরা তাদের দু'জনের সফর প্রস্তুতি খুব তাড়াতাড়ি সম্পন্ন করলাম এবং তাদের জন্য খাবার প্রস্তুত করে তা চামড়ার একটা থলেতে রাখলাম। তারপর আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এর মেয়ে আসমা। নিজের কোমরবন্দ থেকে কিছু অংশ কেটে নিয়ে তা দিয়ে থলেটার মুখ বেঁধে দিলেন। আর এ কারণে আসমাকে বলা হতো “যাতু নিতাক” (বা কোমরবন্দ বিশিষ্ট)।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ও আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সাওর পর্বতের একটি গুহায় গিয়ে পৌছলেন। সেখানে তারা তিন রাত পালিয়ে থাকলেন। রাতের বেলা আবু বকর তনয় আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু গুহাতেই থাকতেন। তিনি একজন চতুর ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধি সম্পন্ন তরুণ যুবক ছিলেন। তিনি শেষ রাতে তাঁদের কাছ থেকে রওনা হয়ে মক্কার কুরাইশদের সঙ্গে সকাল বেলা এমনভাবে মিলিত হতেন যেন এখানেই তিনি রাত অতিবাহিত করেছেন। অতঃপর তাদের দুজনের বিরুদ্ধে যেসব চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র করা হতো তার যা কিছু তিনি শুনতেন তা-ই মনে রাখতেন এবং যখন আঁধার ঘনীভূত হতো তখন ঐ সংবাদটি তাদের কাছে পৌছে দিতেন।
আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এর মুক্ত গোলাম আমির ইবনে ফুহাইরাহ্ সন্ধ্যায় রাতের অন্ধকারে দুগ্ধবতী ছাগল তাদের কাছে নিয়ে যেতেন। সেখানে কিছুক্ষণ থেকে দুধ দোহন করে তাদেরকে তা পান করাতেন। অতঃপর ভোরের অন্ধকারেই ছাগল নিয়ে ফিরে আসতেন। তিনি এ তিন রাতের প্রতি রাতেই এরূপ করতেন। অতপর তারা গর্ত থেকে বেরিয়ে পড়লেন এবং আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সামনে এবং রাসূল (সাঃ) পিছনে এভাবে তারা মদীনার পথে রওয়ানা হলেন। আবার যখন পিছন থেকে শত্রু আসার ভয় থাকত তখন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু রাসূল (সাঃ) এর পিছনে চলতেন। এভাবে তাদের সফর চলছিল। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু একজন সুপরিচিত লোক ছিলেন। যখনই তার সাথে কারো সাক্ষাত হতো। তখন তাকে জিজ্ঞেস করত। তোমার সাথে কে? তখন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু উত্তর দিতেন। তিনি পথ প্রদর্শক। আমাকে দ্বীনের দিকে পথ দেখান। (তাবারানী)।
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ও আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সাওর পর্বতের একটি গুহায় গিয়ে পৌছলেন। সেখানে তারা তিন রাত পালিয়ে থাকলেন। রাতের বেলা আবু বকর তনয় আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু গুহাতেই থাকতেন। তিনি একজন চতুর ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধি সম্পন্ন তরুণ যুবক ছিলেন। তিনি শেষ রাতে তাঁদের কাছ থেকে রওনা হয়ে মক্কার কুরাইশদের সঙ্গে সকাল বেলা এমনভাবে মিলিত হতেন যেন এখানেই তিনি রাত অতিবাহিত করেছেন। অতঃপর তাদের দুজনের বিরুদ্ধে যেসব চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র করা হতো তার যা কিছু তিনি শুনতেন তা-ই মনে রাখতেন এবং যখন আঁধার ঘনীভূত হতো তখন ঐ সংবাদটি তাদের কাছে পৌছে দিতেন।
আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু এর মুক্ত গোলাম আমির ইবনে ফুহাইরাহ্ সন্ধ্যায় রাতের অন্ধকারে দুগ্ধবতী ছাগল তাদের কাছে নিয়ে যেতেন। সেখানে কিছুক্ষণ থেকে দুধ দোহন করে তাদেরকে তা পান করাতেন। অতঃপর ভোরের অন্ধকারেই ছাগল নিয়ে ফিরে আসতেন। তিনি এ তিন রাতের প্রতি রাতেই এরূপ করতেন। অতপর তারা গর্ত থেকে বেরিয়ে পড়লেন এবং আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সামনে এবং রাসূল (সাঃ) পিছনে এভাবে তারা মদীনার পথে রওয়ানা হলেন। আবার যখন পিছন থেকে শত্রু আসার ভয় থাকত তখন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু রাসূল (সাঃ) এর পিছনে চলতেন। এভাবে তাদের সফর চলছিল। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু একজন সুপরিচিত লোক ছিলেন। যখনই তার সাথে কারো সাক্ষাত হতো। তখন তাকে জিজ্ঞেস করত। তোমার সাথে কে? তখন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু উত্তর দিতেন। তিনি পথ প্রদর্শক। আমাকে দ্বীনের দিকে পথ দেখান। (তাবারানী)।